ভোক্তাবিষয়ক আলাদা মন্ত্রণালয় দরকার- গোলাম রহমান

কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) সভাপতি গোলাম রহমান দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ও বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০০৪ সালে সরকারি চাকরি থেকে অবসরের আগে তিনি বাণিজ্য সচিব ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিবের দায়িত্ব পালন করা ছাড়াও বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে ছিলেন। ষাটের দশকের শেষের দিকে গোলাম রহমান সরকারি চাকরিতে প্রবেশের আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষক ছিলেন
সমকাল: মঙ্গলবার খাদ্যমন্ত্রী ১৫ দিন আগের দরে চাল বিক্রির ঘোষণা দিয়েছেন। আমাদের মনে আছে, ২০১৭ সালে হাওরে ধান নষ্ট হয়ে যাওয়ার পর চালের দাম অস্বাভাবিক বেড়ে গিয়ে মোটা চালের কেজি ৫০ টাকায় উঠেছিল। এরপর এবার সেটা ৪৮ টাকা দেখছি।
গোলাম রহমান: মুক্তবাজার অর্থনীতিতে কারও ঘোষণা বা আদেশ দিয়ে বাজার নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব বলে আমার মনে হয় না। বাজার নিয়ন্ত্রণের একটাই উপায়, চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ নিশ্চিত করা। চালের বাজারের জন্যও একই কথা। চালে এবার আমাদের ২০১৭ সালের মতো অবস্থা তৈরির সুযোগ আছে বলে মনে করি না।
সমকাল: তাহলে চালের এই বাড়তি মূল্যবৃদ্ধির কারণ কী?
গোলাম রহমান: প্রথম কথা হলো, চাল উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ হওয়া বাংলাদেশের একটি বড় অর্জন নিঃসন্দেহে। স্বাধীনতার সময় যে জনসংখ্যা ছিল এখন তার দ্বিগুণের চেয়ে বেশি হলেও আমরা আধুনিক ও বিজ্ঞানসম্মত উপায়ে ফসলের ফলন বাড়িয়ে চালে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করতে পেরেছি। সবাই দেখেছে, দুর্যোগের মধ্যেও এবার চালের উৎপাদন ভালো হয়েছে। ফলে দফায় দফায় চালের মূল্য বৃদ্ধি আমার কাছে স্বাভাবিক বলে মনে হয় না। সরকার চালকল মালিকদের অসহযোগিতার কারণে চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে পারেনি। আরেকটা কারণ আমার মনে হয়, করোনাভাইরাসের মধ্যে যারা গ্রামে ফিরে গেছে, তাদের অনেকেই বেশি করে চাল কিনে মজুদ করেছে।
সমকাল: আপনি চালকল মালিকদের অসহযোগিতার কথা বলেছেন, সংবাদমাধ্যমেও বিষয়টি এসেছে। আপনি এমনটা মনে করছেন কেন?
গোলাম রহমান: চালকল মালিকরা বলছেন, এখন ধানের দাম বাড়তি। এখন ধানের দাম বেশি ঠিক আছে। কিন্তু তারা যখন ধান সংগ্রহ করেছেন তখন তো বেশি ছিল না। তাছাড়া কৃষকের হাতে এখন তেমন ধানও থাকার কথা নয়। সংবাদমাধ্যমে এসেছে, মিল মালিকসহ কিছু অসাধু ব্যবসায়ী নিজেদের গুদামে চাল মজুদ করে নতুন ধান আসার আগে বাড়তি অর্থের লোভে চালের দাম বাড়িয়ে দিয়েছেন। এদিকে সরকার দুই দফা সময়সীমা বাড়ানোর পরও বোরো ধান বা চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে পারেনি।
সমকাল: চুক্তিভঙ্গকারী চালকল মালিকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না কেন?
গোলাম রহমান
: আমরা দেখেছি, মন্ত্রীও ব্যবসায়ীদের কারসাজির কথা বলেছেন। কেন ব্যবস্থা নিচ্ছে না জানি না। তবে সংবাদমাধ্যমে এসেছে, চুক্তি করেও যেসব মিলার ধান-চাল সরবরাহ করেননি তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দিকে যাচ্ছে খাদ্য অধিদপ্তর। সরকারের উচিত চুক্তিভঙ্গকারীদের চিহ্নিত করে সংগ্রহ নীতিমালা ও চুক্তির শর্ত অনুযায়ী তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া। ২০১৭ সালের অভ্যন্তরীণ খাদ্যশস্য সংগ্রহ নীতিমালায় চুক্তি বাতিল ও জামানত বাজেয়াপ্তের কথা বলা হয়েছে। এর আগেও শাস্তি হিসেবে সরকার তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত ও দুই বছরের জন্য চালকল নিষিদ্ধ করেছে। এবারও সেটা করাসহ তাদের কঠিন শাস্তির সম্মুখীন করা উচিত।
সমকাল
: ধান-চালের দাম নির্ধারণে কৃষকের স্বার্থ কতটুকু দেখা উচিত?
গোলাম রহমান
: জনসাধারণের দীর্ঘমেয়াদি খাদ্য নিরাপত্তার জন্য কৃষকের স্বার্থ সর্বাগ্রে দেখা উচিত। এটা বলার অপেক্ষা রাখে না যে, দেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতার পেছনে কৃষকের অবদান সবচেয়ে বেশি। অতীতে দেখা গেছে, কৃষক ন্যায্যমূল্য পায়নি। কৃষককে উৎপাদিত ফসলের উপযুক্ত মূল্য দিতে আমরা ক্যাবের তরফ থেকে ‘কন্ট্রাক্ট গ্রোয়িং পদ্ধতি’ অনুসরণ করে ধান কাটার মৌসুমে কৃষকের কাছ থেকে সরাসরি শস্য সংগ্রহ করা ও শস্যবীমা প্রবর্তনের পরামর্শ দিয়ে আসছি, যাতে কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত না হয়। ধান-চালের দাম নির্ধারণেও কৃষক যাতে লাভবান হয় সে দিকটি অবশ্যই দেখতে হবে। তাছাড়া কৃষকের প্রয়োজনীয় কৃষি উপকরণ, সার, বীজ প্রয়োজনে ঋণ প্রদানের মাধ্যমে তাদের স্বার্থ নিশ্চিত করতে হবে।
সমকাল: চাল আমদানির কথা উঠছে…।
গোলাম রহমান: নির্ধারিত দামে যখন সরকার চাল অর্জনের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে পারছে না, তখন বিদেশ থেকে চাল আমদানির চিন্তা করা যেতেই পারে। তবে আমি মনে করি, সরকারকেই আমদানি করতে হবে। বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকে চাল আমদানির দায়িত্ব দেওয়া যাবে না। হ্যাঁ, সরকার যদি এরপরও বাজার নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হয় তখন বেসরকারি ভিত্তিতে আমদানির অনুমতি দেওয়া যেতে পারে। তবে সরকার যদি ব্যবসায়ীদের হাতে জিম্মি হতে না চায়, তাহলে আমদানির অনুমতি না দেওয়াই ভালো। সেক্ষেত্রে বাজার নিয়ন্ত্রণে চালের সরবরাহ নিশ্চিত করা চাই।
সমকাল: গত বছরের খারাপ অভিজ্ঞতার পরও পেঁয়াজের বাজার আবার অস্থিতিশীল হয়ে উঠছে। পেঁয়াজে ভারতের ওপর আমরা সত্যিই নির্ভরশীল?
গোলাম রহমান: আমরা দেখছি, ভারত পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করে দিয়েছে- এই খবরেই ৬০ টাকার পেঁয়াজের দাম বেড়ে ১০০ টাকা হয়ে যায়। অথচ তখন দেশে যে পেঁয়াজ ছিল তা দেশেই উৎপাদিত অথবা আগের স্বল্প মূল্যে কেনা পেঁয়াজ। এটা বিক্রেতারা করেছেন। সরকারি হিসাবে, বাংলাদেশে প্রতি বছর প্রায় ২৩ লাখ টন পেঁয়াজ উৎপাদিত হয়। তবে নষ্ট হয়ে যাওয়ার পর প্রায় ১৯ লাখ টন পেঁয়াজ থাকে। অথচ চাহিদা রয়েছে ৩০ লাখ টন পেঁয়াজের। বাকি ১১ লাখ টন পেঁয়াজ আমদানি করা হয়, যার বেশিরভাগই আসে ভারত থেকে। গত বছরের অভিজ্ঞতার পর অন্যান্য দেশ থেকেও পেঁয়াজ আমদানি করা হচ্ছে। বিদেশ থেকে পেঁয়াজ আমদানি করা হয় বটে, তবে চাইলে আমরা পেঁয়াজেও স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করতে পারি।
সমকাল: পেঁয়াজ উৎপাদনে কীভাবে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করা যায়?
গোলাম রহমান
: পেঁয়াজ নিয়ে কয়েক বছর পরপরই সংকট দেখা যাচ্ছে। ২০১৭ সালে দেখেছি, গত বছর তো রেকর্ড হয়েছে, ২৫০ টাকা কেজি হয়েছে। এ অবস্থায় পেঁয়াজ উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ হওয়ার বিকল্প নেই। প্রথমত, আমাদের উৎপাদিত পেঁয়াজ সংরক্ষণে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে হয়। যা উৎপাদন হয় সেগুলো যেন পচে না যায়। দ্বিতীয়ত, বাড়তি উৎপাদনে উচ্চ ফলনশীল বীজে মনোযোগ দেওয়া। আমাদের পর্যবেক্ষণ বলছে, বাংলাদেশে ১০ জেলায় সবচেয়ে বেশি পেঁয়াজ উৎপাদন হয়। এর মধ্যে আবার দুই জেলা- মেহেরপুর ও চুয়াডাঙ্গায় পেঁয়াজের ফলন বেশি হয়। প্রতি বিঘায় উৎপাদন ১০০-১২০ মণ। পাবনা, মাগুরা, রাজশাহীসহ অন্য যে আট জেলা রয়েছে সেখানেও ফলন বাড়ানো সম্ভব। এ জন্য কৃষককে উন্নত বীজ, সারসহ প্রয়োজনীয় কৃষি উপকরণ প্রদান করলে আশা করা যায় ৩-৪ বছরের মধ্যে আমরা পেঁয়াজে স্বয়ংসম্পূর্ণ হতে পারব। এ ব্যাপারে কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরকে উদ্যোগী হতে হবে। পেঁয়াজের দাম এখন ৮০ টাকার মতো। এবার আর হয়তো বাড়বে না, কিছু কমতে পারে। তবে আগের ৩০ টাকায় নামবে বলে মনে হয় না।
সমকাল: কোনো পণ্যের দাম বাড়লে আমরা ব্যবসায়ীদের ‘সিন্ডিকেটে’র কথা শুনি। বাস্তবতা কী?
গোলাম রহমান
: কৃষিপণ্যে সিন্ডিকেট করা কঠিন। যেসব পণ্য আমদানি করা হয় সেখানে সিন্ডিকেট হয়। যেমন ভোজ্যতেল, চিনি। এগুলো ৪/৫টি কোম্পানি আমদানি করে। তারা যোগসাজশ করে পণ্যের দাম বাড়িয়ে দিতে পারে। আবার তাদের একজন বাড়ালে দেখাদেখি অন্যরাও বাড়িয়ে দেয়। এখানে নিয়ন্ত্রক সীমিত, অনেকটা ‘অলিগোপালি’ বাজারের মতো।
সমকাল
: তাহলে কৃষিপণ্যে একসঙ্গে দাম বাড়ে কীভাবে?
গোলাম রহমান
: এখন তথ্যপ্রযুক্তির যুগ। সবার হাতে মোবাইল আছে। অনেকেই ইন্টারনেট, ফেসবুক, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করেন। কোথাও কিছু ঘটলে দ্রুত সেটা ছড়িয়ে যায়। যেমন, পেঁয়াজের কথা বলেছি। ভারত পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করে দিয়েছে, এ সংবাদেই বিক্রেতারা পেঁয়াজের দাম বাড়িয়ে দিয়েছেন। এ কারণে গুজবেও যখন চাহিদা বাড়ে, তখন দামও বাড়ে। গত বছর যেমন লবণের দাম বৃদ্ধির গুজব উঠল, কোথাও দেখা গেছে মানুষ বস্তায় বস্তায় লবণ কেনা শুরু করে দিয়েছে। তখন ব্যবসায়ীরা সুযোগে দাম বাড়িয়ে দেয়। অবাধ তথ্যপ্রবাহের কারণে ব্যবসায়ীরা যখন সব খবর রাখছে, সুযোগ বুঝে একযোগে এভাবে কৃষিপণ্যের দাম বাড়িয়ে দেয়।
সমকাল: করোনা, আম্পান, বন্যা দুর্যোগের ওপর দুর্যোগে এমনিতেই মানুষ বিপর্যস্ত। তার ওপর বাজারের ঊর্ধ্বগতি মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা হিসেবে দেখা দিয়েছে…।
গোলাম রহমান: আমাদের স্বাভাবিক দারিদ্র্যের হার যেখানে ২০ শতাংশের মতো, করোনার কারণে সেটি ৩০ শতাংশে পৌঁছেছে। বিশ্বব্যাংক বলছে, শহরের দুই-তৃতীয়াংশ মানুষ কর্মসংস্থান হারিয়েছে। আয় কমেছে অনেকের। তবে লকডাউনের পর সরকারের উদ্যোগের কারণে পরিস্থিতি প্রায় স্বাভাবিক হয়ে আসছে। এ অবস্থায় একটি স্থিতিশীল বাজার অবশ্যই প্রত্যাশিত। আমরা দেখেছি, সরকার প্রণোদনা ঘোষণা করেছে। আড়াই হাজার টাকা করে দিয়েছে দরিদ্র পরিবারকে। এসব করে অর্থনীতি সচল রাখার চেষ্টা করছে। কিন্তু বাজার অবশ্যই নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। চাল নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য। এর দাম স্থিতিশীল রাখা জরুরি। সরকারকে কর্মসংস্থানের দিকেও নজর দিতে হবে। স্বল্প আয়ের মানুষের জন্য টিসিবির মাধ্যমে খোলাবাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রীও ন্যায্যমূল্যে বিক্রি করছে সরকার।
সমকাল
: অভিযোগ রয়েছে, স্বল্প আয়ের মানুষের জন্য খোলাবাজারে চাল বিক্রি পর্যাপ্ত নয়।
গোলাম রহমান
: স্বল্প আয়ের মানুষের কাছে খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দিতে সরকারের দুটি কর্মসূচি হলো যথাক্রমে খোলাবাজারে চাল বিক্রি (ওএমএস) এবং ১০ টাকা কেজি চাল বিক্রি। এগুলো হয়তো প্রয়োজনের তুলনায় পর্যাপ্ত নয়। সরকারেরও সীমাবদ্ধতা রয়েছে, যার কারণে সর্বত্র এ কর্মসূচি চালু করতে পারছে না। তারপরও সরকার চেষ্টা করছে। তবে আমি জোর দেব এসব কর্মসূচির স্বচ্ছতায়। এর মধ্যেও যেন কোনো দুর্নীতি না হয়। সরকারি বরাদ্দের সবটুকু যাতে সংশ্নিষ্টরা পেয়ে উপকৃত হয়। আমরা দেখেছি ত্রাণ আত্মসাৎসহ নানা দুর্নীতি-অনিয়মের কারণে অনেক জনপ্রতিনিধি বরখাস্তও হয়েছেন। সুতরাং এসব ক্ষেত্রে দুর্নীতি বন্ধ করতেই হবে।
সমকাল: স্থিতিশীল বাজার তৈরির ক্ষেত্রে করণীয় কী?
গোলাম রহমান
: বাজারের ফর্মুলা একটাই, চাহিদা অনুযায়ী পণ্যের জোগান নিশ্চিত করা। সরবরাহ নিশ্চিত হলে বাজারে নজরদারি করতে হবে। কেউ অতিরিক্ত মূল্যে পণ্য বিক্রি করলে তার শাস্তির ব্যবস্থা করা। আবার পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে ব্যাংকের সুদ কমানো, অতিরিক্ত শুল্ক্ক না ধরা ইত্যাদি।
সমকাল: বাজারে শৃঙ্খলা আনতে আর কী করা যায়?
গোলাম রহমান: বাজারে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠায় আলাদা মন্ত্রণালয় প্রয়োজন। ভারতে রয়েছে মিনিস্ট্রি অব কনজুমার অ্যাফেয়ার্স, ফুড অ্যান্ড পাবলিক ডিস্ট্রিবিউশন। আমরা দেখছি, চালের ক্ষেত্রে খাদ্য ও কৃষি মন্ত্রণালয়ের মধ্যে সমন্বয়হীনতা রয়েছে। কনজুমারস অ্যাফেয়ার্স বা ভোক্তা-সংক্রান্ত মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব হবে এরকম সব মন্ত্রণালয়ের মধ্যে সমন্বয় সাধন। ভোক্তা বিষয়ে খাদ্য ও কৃষি ছাড়াও অন্যান্য মন্ত্রণালয়েরও সম্পৃক্ততা রয়েছে। যেমন অর্থ, বাণিজ্য, পরিকল্পনা, স্বরাষ্ট্র ছাড়াও দেশের ডিসি-এসপিদের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা। মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব কেবল সমন্বয় সাধন নয় বরং ভোক্তার প্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহ নিশ্চিত করা, মূল্য নির্ধারণ, আমদানি করা, বাজার পর্যবেক্ষণ এবং অবশ্যই বাজার স্থিতিশীল রাখাও। এ ছাড়া ভোক্তার অধিকার রক্ষায় নীতি নির্ধারণে সরকারকে সহায়তা করা।
সমকাল: ধৈর্য ধরে সাক্ষাৎকার দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ।
গোলাম রহমান
: আপনাকেও ধন্যবাদ। সমকালের জন্য শুভকামনা।

Post By মাহফুজ মানিক (451 Posts)

Mahfuzur Rahman Manik, Profession: Journalism, Alma Mater: University of Dhaka, Workplace: The Daily Samakal, Dhaka, Birthplace: Chandpur, Twitter- https://twitter.com/mahfuzmanik, Contact: mahfuz.manik@gmail.com

Website: →

Connect


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *