Mahfuzur Rahman Manik
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কত আবু বকরকে হারাবে
মার্চ 25, 2010

এসএসসিতে বি গ্রেড পেলেও এইচএসসিতে এ+। প্রতিযোগিতায় উত্তীর্ণ হয়ে ভর্তি হয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে। প্রথম সেমিস্টারেই তার বিভাগে প্রথম শ্রেণীতে দ্বিতীয়। এতেই সে তৃপ্ত হতে পারেনি। প্রথম শ্রেণীতে প্রথম হতে প্রাণপণে চেষ্টা করে যাচ্ছিলেন। বর্গাচাষী পরিবার অতি কষ্টে লেখা-পড়ার খরচ চালান। পরিবারের কষ্ট দেখে ছোট ভাইকে প্রবোধ দিয়েছে, আর একটা বছর তোমরা কষ্ট কর। এরপর আমি পাশ করে বের হবো। ভালো চাকরি হবে। তোমাদের আর কষ্ট করতে হবে না। আবু বকরের এ স্বপ্ন চির অধরাই থেকে গেল। মা বলেছে বাবা বাড়ি আয়, ছেলে তার টার্গেটে অবিচল। প্রথম শ্রেণীতে প্রথম তাকে হতে হবে। মাকে বলেছে, ৫ম সেমিস্টার পরীক্ষা শেষ করেই বাড়ি আসব। অনেক দিন থাকব। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামের ইতিহাসের মেধাবী ছাত্র আবু বকর সিদ্দিক। পরীক্ষার আগেই ফিরে গেছে মায়ের কোলে। আবু বকর হিসেবে নয়, লাশ হয়ে। এখন আর লাইব্রেরিতে খুঁজে পাওয়া যাবে না তাকে। পাওয়া যাবে না সেমিনারে কিংবা ক্লাসে। সুন্দর হাতের লেখা নোট খাতা আর কেউ পাবে না। রক্তে রঞ্জিত হয়েছে নোট খাতা। আবু বকর পাড়ি জমিয়েছে পরোপারে। আর কোন দিন ফিরে আসবে না। ছাত্ররাজনীতির বলি হয়ে প্রাণ দিয়েছে। নির্মম বাস্তবতা হলেও উচ্চ শিক্ষা গ্রহণ করতে এসে জীবন দিয়েছে। আবু বকর সিদ্দিক। কত স্বপ্ন ছিল তার। তাকে নিয়ে স্বপ্ন দেখেছে তার পরিবার, আত্মীয়-স্বজন, পাড়া প্রতিবেশী। টানাপোড়নের সংসারে মা তিন বছর ধরে মাথায় নারিকেল তেল দেন না, যদি এ তেলের টাকা বাঁচিয়ে আবু বকরকে দেয়া যায়। ছেলে তার বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হবে, অন্ধকার সমাজকে আলোকিত করবে। আবু বকর ছিলেন একটি ফুটন্ত গোলাপ। সদা হাস্যময়ী, অত্যন্ত বিনয়ী। আচরণের দিক দিয়ে যার জুড়ি মেলা ভার। মানুষ হিসেবে পরিপূর্ণ গুণের অধিকারী এ আনুষটি সারাক্ষণ পড়াশুনা আর ভালো রেজাল্টের চিন্তায় ছিল মশগুল। একসময় টিউশনি করলে ও রেজাল্টের কথা ভেবে টিউশনি ছেড়ে দেন। প্রথম শ্রেণীতে প্রথম হয়ে হয়ত বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হতো, যেটা তার সহপাঠীদের প্রশ্ন শিক্ষক হতে চেয়ে আবু বকর লাশ কেন? এ উত্তর কে দেবে।? একজন সম্পাদক অবশ্য উত্তর চেয়েছেন এভাবে যে প্রধানমন্ত্রী, বকরের মা বাবাকে কি বলবেন? এ প্রসঙ্গে পরে আসছি। আবু বকরের মৃত্যুর সংবাদ শোনার পর ইন্টারনেটে বসছিলাম। ইমেইল চেক করছি, একজন ইমেইল করেছে নিরীহ একটা শিক্ষার্থী মারা গেলো, তার জন্য কিছুই করতে পারলেন না? সেদিন বুধবার ৩ ফেব্রুয়ারি, বকর মারা গেছে সকাল নয়টা ত্রিশ মিনিটে, পত্রিকায় এখনো সে সংবাদ আসনি। ইন্টারনেট ভিত্তিক সংবাদ সংস্থার কেউ কেউ এ সংবাদ দিয়েছে। মৃত্যুর সংবাদে তার বিভাগের শিক্ষার্থীরা মিছিল করতে চেয়েছে, ভাংচুর করেছে প্রক্টরের রুম ও কয়েকটা গাড়ি। ৩ তারিখ গেলো, পরদিন সকালেই পত্রিকার সংবাদ, প্রায় প্রত্যেকটা পত্রিকা শিরোনাম করেছে আবু বকরের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে, কেউ লিখেছে ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মৃত্যু কলংক’ কেউ বলেছে, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় উত্তাল’ আবার কারো শিরোনাম ‘ছাত্রলীগের কোন্দলে ঢাবি রক্তাক্ত’। মূল ঘটনা ১ ফেব্রুয়ারির, রাত ১টার পর ছাত্রলীগের স্যার এ এফ রহমান হলের দু’গ্রুপের সংঘর্ষের জেরে আহত হয়ে রাত তিনটার পর হাসপাতালে যান আবু বকর। একদিন মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ে ৩ তারিখ শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। আবু বকরের মা তখনো জানতেন না তার ছেলে আর নেই। ভাবেননি বকরের মুখ থেকে মা ডাকটা আর কখনো শুনবেন না। বিকেলে ছেলের লাশ দেখে মা বার বার মূর্ছা যাচ্ছিলেন। যে ছেলেকে পড়ানোর জন্য মা এতো কষ্ট করেছেন, সে কিনা আজ তার আগেই চলে গেলো, মা বিলাপ করছিলো, তোমরা আমার আবু বকরকে ফিরিয়ে দাও। আবু বকরের বাবা কিছুদিন আগেও ধার করে তার জন্য এক হাজার টাকা পাঠিয়েছে। সে টাকা পরিশোধের আগেই হাজির ছেলের লাশ। তার বড় ভাই। পড়াশোনার ক্ষতি হবে ভেবে ভাইকে টিউশনি করতে দেয়নি, নিজের ক্ষুদ্র ব্যবসা থেকে টাকা দিতো। আর ছোট ভাই যে গুনছে কবে এক বছর শেষ হবে। ভাই চাকরি করবে, অভাব থাকবে না। গোটা পরিবারের এ স্বপ্ন ধুলিসাৎ হয়ে গেছে।আবু বকর কতোটা সংগ্রামী জীবন যাপন করেছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়াশোনার ব্যস্ততায় ছুটি পেয়ে যখন বাড়ি যেতো, অন্যান্যদের মতো তার আনন্দ করার, আড্ডা দেয়ার, বিশ্রাম করার সময় কোথায়? পড়াশোনার খরচের চিন্তায় সে মাঠে কাজ করতো। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়লেও কৃষকের মতো কাজ করতে তার মনে কোনো দ্বিধা কাজ করেনি। তার এলাকায় সেই একমাত্র ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, তাকে নিয়ে সবাই গর্ব করতো। তাহলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াই কী তার অপরাধ? তার সাথীরা মানববন্ধন করছে, তারা লিখেছে, ‘আমাকে গুলি কর’ ’আমি অনিরাপদ’, এই পড়াশোনা আমাকে খুন করতে শেখায়’ তারা প্রশ্ন করেছে, আবু বকর মরলো কেন? এ দায় কার? এ কোন বর্বরতা?আগের একটা প্রসঙ্গে ফিরছি, প্রধানমন্ত্রীর কাছে জানতে চেয়েছেন একজন সম্পাদক, প্রধানমন্ত্রী, আবু বকরের মা-বাবাকে কী বলবেন? উত্তরটা কী আমাদের মাননীয় স্বরাস্ট্র মন্ত্রী দিয়েছেন? ‘তেমন কিছুই ঘটেনি, এগুলো বিচ্ছিন্ন ঘটনা মাত্র। যদি তাই হয় তাহলে জাতি হতাশ। একজন দায়িত্বশীলের মুখ থেকে কেউ এমন বক্তব্য আশা করে না। যেখানে সরকারি দলের ছাত্র সংগঠনের সৃষ্ট তা-বে সারাদেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর পড়াশোনার অবস্থা যায় যায়, ভর্তি বাণিজ্য চলছে কলেজগুলোতে, শিক্ষক লাঞ্ছিত হচ্ছেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মারা যাচ্ছে। এরপরও সব স্বাভাবিক আর বিচ্ছিন্ন ঘটনা বলে উড়িয়ে দেয়ার বিষয়টি দুঃখজনক।গেলো বছর দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র সংঘর্ষে ছাত্র মারা গেলেও বা বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ হয়ে গেলেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছিলো স্বাভাবিক। এখানে ছোটখাটো সংঘর্ষ হলেও বিশ্ববিদ্যালয় একদিনের জন্যও বন্ধ ছিলো না, কোন শিক্ষার্থীকে প্রাণও দিতে হয়নি, কিন্তু এ বছরের শুরু থেকেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য দুঃসংবাদ। আঠারো জানুয়ারি ছাত্রদলের কোন্দলে রক্তাক্ত হয় ক্যাম্পাস, ধর্মঘটে দু’দিন বন্ধ থাকে বিশ্ববিদ্যালয়। এরপর আবু বকরের মতো মেধাবী ছাত্র হারালো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। কারণটা ছাত্ররাজনীতিই।এখন ফেব্রুয়ারি, ভাষা আন্দোলনের মাস, এ মাসেই ১৯৫২ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা নেতৃত্ব দিয়ে রাষ্ট্র ভাষা বাংলা করেছেন, আন্দোলনে শহীদ হয়েছেন। তখন ছাত্রদের আন্দোলন বা ছাত্ররাজনীতি ছিলো দেশ ও মানবতার জন্য। আর এখন ছাত্ররাজনীতি ক্ষমতার জন্য। আগে ছাত্ররা শহীদ হয়েছে দেশের জন্য, এখন প্রাণ হারাচ্ছে ক্ষমতার দ্বন্দ্বে। তখন শিক্ষার্থীরা আন্দোলন করেছে পড়াশোনাও করেছে, এখন পড়াশোন তো দূরে থাক পড়াশোনার পরিবেশই বিঘিœত করছে। নেতারা বছর বছর ইয়ার গ্যাপ দিয়ে ক্ষমতা ধরে রাখছে, আর কর্মীরা ক্লাস বাদ দিয়ে করছে প্রোগ্রাম। সিটের দৌঁড়ে ক্লাস আর পরীক্ষা অনেক পেছনে। শিক্ষকরাও করছেন রাজনীতি। দিন দিন অবনতি হচ্ছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়াশোনার মান। প্রতিযোগিতার বিশ্বে অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে পিছিয়ে পড়ছি আমরা।৩ ফেব্রুয়ারি, যেদিন আবু বকর মারা যায়, দৈনিক ডেসটিনি পত্রিকার সম্পাদকীয় ছিলো ‘ঢাবি আবার ঐতিহ্য ফিরে পাক এ প্রত্যাশা কেন নয়’। যথার্থ সম্পাদকীয়। এ প্রত্যাশা আমাদের থাকবেই। কিন্তু যেখানে আবু বকরের মত শিক্ষার্থী প্রাণ হারান আমরা একটু হলেও মুষড়ে পড়ি। তবে ভেঙ্গে না পড়ে অতীত থেকে শিক্ষা নিয়ে ভবিষ্যতে এগিয়ে যাওয়ার রসদ পাই। এজন্যই পশ্চিমা দেশগুলো নাকি চায় আমরা যেন ইতিহাস চর্চা না করি। তারা চায় আমরা বিশ্বায়নে ডুবে থেকে তাদের অনুসরন করি। কারণ আমাদের অতীত ঐতিহ্য আমাদেরকে উঠে দাঁড়ানোর জন্য, স্বয়ংসম্পূর্ণ হওয়ার জন্য বেশি আন্দোলিত করে।সম্পাদকীয়টি বিশ্বের শ্রেষ্ঠতম বিশ্ববিদ্যালয়ের র‌্যাংকিং ধরে হিসেব করেছে, র‌্যাংকিং-এ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এবারের অবস্থান ৫৭১ তম। ২০০৮ সালে ছিলো ৫২৮তম। ২০০৭ সালে ৫২৭তম এবং ২০০৬ সালে ছিলো ৩৬৫তম। এভাবে দিনদিন এর মান নিম্নগামী হচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে এক সময় বলা হতো প্রাচ্যের অক্সফোর্ড। তখন পড়াশোনার মান, গবেষণা এবং সকল শিক্ষার্থীদেরকে আবাসন সুবিধা দেয়ার দেয়ার দিক থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অক্সফোর্ডের সমকক্ষ ছিলো, ফলে নাম হয় প্রাচ্যের অক্সফোর্ড। বিভিন্ন দেশ হতে শিক্ষার্থীরা এসে এখানে পড়াশোনা করতো। বিশ্বব্যাপী এর মান ও ছিলো সমাদৃত। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় তার সে মানকে ধরে রাখতে পারেনি। আজ থেকে দশ বছর আগেও ১৯৯৯ সালে এশিয়া উইকের রেটিং-এ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান ছিলো ৩৭, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী নির্বাচন প্রক্রিয়া বিশ্বব্যাপী ছিলো সমাদৃত।এগুলো এখন ইতিহাস। ইতিহাসকে ভর করে নতুন ইতিহাস সৃষ্টি করতে যখন আমরা এগিয়ে যাচ্ছি, তখনি তাজা প্রাণ আবু বকরকে আমরা হারিয়েছি। আবার দেখছি বিশ্ববিদ্যালয়ে ধর্মঘট, ছাত্র সংঘর্ষ। তাহলে আমরা বিশ্বের ভালো ভালো বিশ্ববিদ্যালযের সাথে কীভাবে প্রতিযোগিতা করবো। কোন বিশ্ববিদ্যালয় আছে যেখানে ছাত্ররাজনীতির কারণে পড়াশোনা নষ্ট হয়? ক্ষমতা দখলকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে ছাত্র নিহত হয়? আবশ্য আমরা কয়েক বছর আগে আমেরিকার এক বিশ্ববিদ্যালয়ে একজন গুলি করে কয়েকজন হত্যা করেছে সে সংবাদ শুনেছি। কিন্তু সে ঘটনা আর আমাদের আবু বকরের মৃত্যুর ঘটনা এক নয়। মৃত্যুর মিছিলের সূচনাটা আবু বকর নয়। সে মিছিলের একজন সদস্য মাত্র। এভাবে গত ষাট বছরে শতাধিক হত্যাকা- ঘটেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে। কোন হত্যাকা-েরই রহস্য উদঘাটিত হয়নি। বিচার তো দূরের কথা। মৃত্যুর এ মিছিলে আর কত আবু বকরকে শরীক হতে হবে আমরা জানি না। আমরা জানি না খুনিদের আদৌ বিচার হবে কিনা। জানিনা আবু বকরের মায়ের মতো কত মায়ের বুক খালি হবে, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হতে চেয়ে লাশ হবে। আবু বকরের মাকে প্রবোধ দেয়ার মতো কোন ভাষা আমাদের নেই। তবে এটাতো ঠিক আবু বকর একজন নিরীহ ছাত্র, যে প্রাণ দিয়েছে ছাত্র রাজনীতির বলি হয়ে।যারা ছাত্ররাজনীতি পুষছেন, ছাত্র রাজনীতির নামে দলবাজী করাচ্ছেন, তাদের জন্য কী কোন শিক্ষনীয় বিষয নেই? আবু বকর যদি তাদের সšতান হতেন, অনুভুতি কেমন হতো। মৃত্যুর এ মিছিল দীর্ঘ হোক এটা কেও চায়না। সময় এসেছে ভাবার, বড় রাজনৈতিক দলগুলো ছাত্রদেরকে তাদের ক্রীড়নক হিসেবে ব্যবহার করবেন না। ছাত্র রাজনীতির সাথে দেশের রাজনীতির কোন সংশ্রব থাকবে না। কোন দল ক্ষমতায় আসলো কী না আসলো এতে ছাত্রদের কিছু আসে যায়না। হলগুলো ক্ষমতায় যারা আছে তাদের এমন কোন কথা থাকবে না। ছাত্ররা শুধু পড়াশোনার পরিবেশ নিশ্চিত করার আন্দোলন করবে। তবেই আমাদের ছাত্ররাজনীতির সমাধান। অন্যথায় ধমকিয়ে, সাময়িক কমিটি বাতিল করে, কিংবা সাংবিধানিক পদ থেকে পদত্যাগ করে আদৌ সমাধান হবে না।আবু বকরের মৃত্যু সে পথে পরিচালিত করতে আমাদের মনে একটু নাড়া দেবে কী?আবু বকর সিদ্দিক মারা গেছে, তার খুনিদের বিচার করতে হবে। সঠিক তদন্ত করে তা প্রকাশ করা চাই। বকরের পরিবারকে সহযোগিতা করার যে ঘোষণা হয়েছে তা কিছুই না, তবুও সেটুকুও যেন দ্রুত দিয়ে দেয়া হয়। আবু বকরের এ এফ রহমান হলের সহপাঠীরা তার মৃত্যুতে হলের সামনে একটা ব্যানার টানিয়েছে, সে ব্যানারের শুরুটা যে কবিতাংশ দিয়ে তা উল্লেখ করে শেষ করছি- চলে গেলে তুমি কোন সুদূরেস্মৃতিগুলো রয়ে গেছে হৃদয় জুড়েদেখা কী আর হবে তোমার?নিরুত্তর প্রকৃতি শুধুই হাহাকার
Published in the daily Destiny, February 12, 2010
ট্যাগঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না।