Tag Archives: স্বপ্ন

স্বপ্ন ফেরি করা লাল বাস

অপেক্ষা লাল বাসের জন্য। প্রতীক্ষাটা কত সময়ের? ক্লাস শেষ, বাস আসবে, সবাই হুড়মুড়িয়ে উঠবে। পাঁচ-দশ মিনিট কিংবা আধা ঘণ্টা। না! ‘লাল বাস, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়’ নামে ফেসবুক পেজে একজন লিখেছেন- ‘৬ মাস ধরে ডিইউতে [ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে] বসবাস করছি; লাল বাসে চড়ার ইচ্ছাটা কবে যে পূরণ হবে…।’ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হওয়ার পরও হয়তো নানা কারণে তার লাল বাসে চড়ার সুযোগ হয়নি। তিনি এখনও সুযোগের অপেক্ষায়। তার অপেক্ষা মাত্র ছয় মাসের। কারও অপেক্ষা তো ১৯-২০ বছরের! একজন লিখেছেন, ১০টি কারণে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার স্বপ্ন দেখেছিলেন, যার প্রথমটিই- লাল বাস।
লাল বাসের কী এমন মাহাত্ম্য যেটা স্বপ্ন হতে পারে? ঢাকার বুক চিরে বিশ্ববিদ্যালয়ের লাল বাসগুলো কেবল দাপিয়েই বেড়ায় না, শিক্ষার্থী পরিবহনই করে না, বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজই করে না; বরং স্বপ্নও ফেরি করে বেড়ায়। বিশেষ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম অলঙ্কৃৃত ক্ষণিকা, চৈতালি, বৈশাখী-বসন্ত, উয়ারী-বটেশ্বর, হেমন্তসহ একঝাঁক লাল বাস যখন ঢাকার রাস্তায় চলে, তখন হাজার হাজার কিশোর-কিশোরীর মনে স্বপ্ন জাগায়; ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার প্রেরণা দেয়।
চোখ-ধাঁধানো লাল রঙের বাস দেখার পর হয়তো তা অনেকক্ষণ মানসপটে ভেসে থাকে। বাসের রঙ লাল হওয়ার বিশেষত্ব কি এখানেই? Continue reading

সিভি অব ফেইলিয়রস-ব্যর্থতার সিভি!

CV-Failuresসিভি বা কারিকুলাম ভিটায় জীবনের বৃত্তান্ত লিখতে সবাই সচেতন। সিভির সঙ্গে যে অনেক কিছু জড়িত। আপনার স্বপ্নের চাকরিটা হয়তো সিভির কারণেই হাত ফসকে বের হয়ে যেতে পারে। সুন্দর সিভি না হলে কেউই হয়তো আপনাকে ডাকবে না। ভালো একটা সিভি তৈরি করতে তাই সবাই গলদঘর্ম হন। সেখানে নেতিবাচক বা ব্যর্থতার কথা লেখা তো দূরের কথা, ইনিয়ে-বিনিয়ে নানা ইতিবাচক দিক লিখতে আমরা ব্যস্ত। সবাই ধরে নেন, সিভি মানেই ব্যক্তির ইতিবাচক ধারণার উপস্থাপন। যেখানে জীবনের গুরুত্বপূর্ণ সব সফলতা, অর্জন, দক্ষতা লেখা হবে। সিভির এই প্রচলিত ধারণাকে বলা চলে একেবারে উল্টিয়েই দিয়েছেন জোহানস হাউসোফার। ৩০ এপ্রিল ব্রিটিশ দৈনিক দ্য গার্ডিয়ানে ‘সিভি অব ফেইলিয়রস‘ নামে প্রকাশিত প্রতিবেদনে তা উঠে এসেছে। প্রিন্সটন ইউনিভার্সিটির সহকারী অধ্যাপক জোহানস হাউসোফার। ২৩ এপ্রিল তিনি টুইট করেছেন, নিউ ‘পাবলিকেশন’ :মাই সিভি অব ফেইলিয়রস! অর্থাৎ নতুন ‘প্রকাশনা’ :আমার ব্যর্থতার সিভি। টুইটের সঙ্গে তিনি ব্যর্থতার সে সিভির লিঙ্কও দিয়ে দেন। ২ পৃষ্ঠার সে সিভিতে তিনি তার ক্যারিয়ারের নানা ব্যর্থতার বিষয় তুলে ধরেন। পিএইচডি, গ্র্যাজুয়েট কোর্স ও বিএ ডিগ্রির জন্য অ্যাপ্লাই করেও কয়েক জায়গায় তিনি সুযোগ পাননি। কয়েক জায়গায় ফেলোশিপ, শিক্ষকতার চাকরি, স্কলারশিপ, রিসার্চ ফান্ড পাননি। এসব বিষয় তিনি ব্যর্থতার সিভিতে পয়েন্ট আকারে তুলে ধরেছেন। যেমন তিনি লিখেছেন, ডিগ্রি প্রোগ্রামস আই ডিড নট গেট ইনটু, একাডেমিক পজিশনস অ্যান্ড ফেলোশিপস আই ডিড নট গেট, অ্যাওয়ার্ডস অ্যান্ড স্কলারশিপস আই ডিড নট গেট ইত্যাদি। Continue reading

কল্পনায় জীবন্ত গল্প

রাফিক হারিরির ফুলবানু ও অন্যান্য গল্প পড়ে চরিত্রদের কথা চিন্তা করি। ফুলবানু, হাবিবুল্লাহ, নুরু, হাজেরাদের কথাই বারবার মনে পড়ছে। কত শত চরিত্রের মাঝে কবি চরিত্রটাও ভোলার মতো নয়। ৩৩টি গল্পে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক চরিত্র রয়েছে। একেকটা গল্প ধরে হয়তো বর্ণনা করা যাবে। কিন্তু মোটের ওপর কয়েকটি চরিত্র হৃদয়ে দাগ কেটে যায়। চরিত্র কতটা শক্তিশালী তা লেখকের ওপর নির্ভর করে। লেখকের চিত্রায়ন পাঠক অনুধাবনের চেষ্টা করে। কখনও কখনও পাঠকের কাছে তা জীবন্ত হয়ে ওঠে। হয়তো পাঠক নিজের সঙ্গে, সমাজের সঙ্গে, পরিচিতজনের সঙ্গে তুলনা করার চেষ্টা করেন। ভাবেন, ওর জীবনে তো ঠিক এমনটাই ঘটেছে। একইভাবে লেখকও তার অভিজ্ঞতা থেকেই চোখের সামনে ঘটনাগুলোই তার লেখনীর মাধ্যমে তুলে ধরেন। হাজেরার কথাই ধরা যাক। প্রতিনিয়ত শাহবাগের পথে কত হাজেরার দেখাই না আমরা পাই। আমাদের কাছে সে হয়তো হাজেরাই। কিন্তু লেখকের কাছে সে অন্য কিছু। রাফিক হারিরি তাকে কল্পনা করেছেন ছায়াময়ী হিসেবে,যে ঘুরে ঘুরে ফুল বিক্রি করে। বিশ্ববিদ্যালয় এলাকার প্রতিটি ঘটনার সাক্ষী সে। কিন্তু গল্পটা যে তার কুকুরকে নিয়ে। লেখক যাকে বিপদের ত্রাণকর্তা হিসেবে এনেছেন। সে এক অসাধারণ গল্প। রাফিক হারিরির এ রকম প্রতিটি গল্পই মোড় ঘুরানো। পাঠক গল্পগুলো পড়ে চমৎকৃত না হয়ে পারবেন না। Continue reading

জীবন ও দ্রোহের কবিতা

Poem-didarহোসাইন মোহাম্মদ দিদারের ‘কাছে থেকো হৃদয়ের’ ও ‘সর্বাঙ্গে তোমার বিচরণ’ দুটি কবিতার বই। তাকে প্রেমিক কবি বলা যায়। উভয় বইয়ের প্রথম পৃষ্ঠায় বইয়ের নামের ওপর ব্র্যাকেটে তা পাঠকদের কাছে স্পষ্ট করেছেন। প্রথমটিতে লিখেছেন প্রেম ও দ্রোহের শ্রেষ্ঠ কবিতা নিয়ে। আর দ্বিতীয়টিতে লিখেছেন জীবন ও প্রেমের শ্রেষ্ঠ কবিতা নিয়ে। বলাবাহুল্য, কবির অসংখ্য কবিতা থেকে বাছাইকৃত শ্রেষ্ঠ কবিতাই বই দুটিতে স্থান পেয়েছে। তবে উভয়টিতেই প্রেম কমন। বইগুলো দেখে তাই কবি কিসের প্রেমিক তা খোঁজার চেষ্টা করি। ‘তোমরাই ঋণী’ কবিতায় পেয়েও যাই। তিনি লিখেছেন_ ‘এই দিনমজুর, বস্তিবাসী না থাকলে/তোমাদের মিছিল জমবে না। জমবে না সমাবেশ। রক্তাক্ত করতে পারবে না/মিছিলে মিছিলে রাজপথ। তোমরাই ঋণী তাদের কাছে।’ কবি দিনমজুরের কথা বলেছেন। তিনি আসলে মানবপ্রেমী। অবশ্য তাকে কেবল প্রেমের ফ্রেমে আবদ্ধ করা কঠিন। তিনি তার কবিতায় স্বাধীনতার কথা বলেছেন। বলেছেন গণতন্ত্রের কথা, স্বপ্নের কথা। মৃত্যুর কথাও এসেছে কবিতায়। ভালোবাসার কথা তো আছেই। কবি ও কবিতার বন্দনা গেয়েছেন তিনি। একই সঙ্গে তারুণ্যের জয়গান গাইতেও ভোলেননি। কবি নামক কবিতায় তা-ই স্পষ্ট হয়_ ‘আমি রবির দলের তরুণ কবি’। তরুণ কবি দিদার নানা উপমা কবিতায় এনেছেন। সেসব তার কবিতার সৌন্দর্য আরও বাড়িয়েছে। তিনি লিখেছেন_ এতো দিন হৃদয় মহলের/সব দরজা-জানালা/খোলা ছিলো/ছিলো না কোনো প্রহরী। আরও লিখেছেন_ আমাকে সোনা ভেবে/ হাতে তুলে নিয়ে/আবার মাটির দলা মনে করে/ ছুড়ে ফেলে দিলে। এ রকম নানা জায়গায় অসাধারণ উপমা পাঠককে ধরা দেবে। কবি অবশ্য কবিতায় প্রকৃতির কথাও ভোলেননি। ভোলেননি দেশমাতৃকার প্রতি মানুষের দায়িত্বের কথা। Continue reading

পায়ে কলম, মনে জোর

writing-legবিভিন্ন পরীক্ষার মাধ্যমে প্রতিবছর বিচিত্র অদম্য শিক্ষার্থীর কথা সংবাদমাধ্যমে আসে। যারা শারীরিক নানা প্রতিবন্ধকতা জয় করে পড়াশোনা চালিয়ে যাচ্ছেন। কারও হাত নেই, পরীক্ষা দিচ্ছেন মুখ দিয়ে; কারও হাত অচল, লিখছেন পা দিয়ে। মনের জোরে তারা হাতের বাধা দূর করেছেন। যদিও মুখ দিয়ে কিংবা পা দিয়ে লেখা কঠিন কাজ। তার ওপর দীর্ঘ সময় ধরে পরীক্ষা দেওয়া আরও দুঃসাধ্য। এর জন্য নিঃসন্দেহে অনেক দিনের অনুশীলনের প্রয়োজন। অথচ শিক্ষার জন্য এ কঠিন কাজ তারা অনায়াস সাধ্য করেছেন। এমনকি স্বাভাবিক হাত দিয়ে যারা পরীক্ষা দিচ্ছেন তাদের সঙ্গে বসেই পরীক্ষা দিচ্ছেন। তাদের এ সংগ্রাম সবার জন্য অনুপ্রেরণার।
সারাদেশে অষ্টম শ্রেণীর জেএসসি ও সমমানের পরীক্ষা চলছে। একাধিক সংবাদমাধ্যম শেরপুরের সুরাইয়ার কথা বলেছে। যার দুই হাত অচল; কলম ধরার ক্ষমতা নেই। ঘাড় খানিকটা বাঁকা; সোজা করার সামর্থ্য নেই। সুরাইয়া বিশেষ টেবিলে বসে পা দিয়েই জেএসসি পরীক্ষা দিচ্ছে। এর আগে এভাবে পরীক্ষা দিয়েই সে প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে। একইভাবে মানিকগঞ্জের রুবেল ও পটুয়াখালীর বেলালের খবরও সংবাদমাধ্যমে এসেছে। তারা উভয়ে যথাক্রমে জেএসসি ও জেডিসি পরীক্ষা দিচ্ছে। তাদের কারও হাত নেই। পা দিয়ে পরীক্ষা দিচ্ছে। Continue reading

স্মৃতির টাইম মেশিন

Memory-মানুষের জীবনে প্রতিনিয়ত নানা ঘটনা ঘটে। কোনোটা এমনি মনে থাকার মতো। কোনোটা মনে রাখতে সবাই লিখে রাখে। কোনোটা মনে রাখার চেষ্টা করে। আবার কোনোটা হারিয়ে যায়। মানুষের স্মৃতি অনেকটা টাইম মেশিনের মতো। যত বুড়োই হোক পেছনে ফিরে তাকালে অনেক কিছুই অনায়াসে ভেসে ওঠে মনের আয়নায়। ছোটবেলায় কোন রঙের কাপড় পরতেন তা কারও মনে না-ও থাকতে পারে। কিন্তু ছোটবেলার স্কুলের কথা তার ঠিকই মনে হবে। এ রকম জীবনের প্রত্যেকটি ধাপের গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা সবারই মনে থাকবে। মনে থাকবে ছোটবেলার বন্ধু-বান্ধবের কথা। নিজ বাড়িটার কথা। কোথায় কোথায় ছিলেন ইত্যাদি। একইসঙ্গে কারও সময়কে সঙ্গে নিয়েও টাইম মেশিনের মাধ্যমে যে কেউ ফিরে যেতে পারেন অতীতে। এই সময় তিনি এখানে ছিলেন। তারপর পাঁচ বছর আরেক জায়গায়। এরপর অন্যখানে। এভাবে মনে মনে হয়তো একটা জীবনীগ্রন্থও দাঁড় করিয়ে ফেলতে পারেন। Continue reading

‘ওভার স্মার্ট’ ভর্তি ব্যবস্থার সংকট

College-Admissionস্মার্ট ভর্তি পদ্ধতির কথা শুনে সবার ভালো লাগারই কথা। বাস্তবে এর নামে এবারের এইচএসসি ও সমমানের ভর্তি নিয়ে যা হয়েছে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। ভুলেরও একটা সীমা থাকে। কারিগরি জটিলতা কাটিয়ে নির্দিষ্ট সময়ের চার দিন পর (২৮ জুন) প্রকাশিত প্রথম মেধা তালিকায় দেখা গেল_ মেয়েদের কলেজে ছেলেদের নাম, মানবিকের শিক্ষার্থী বিজ্ঞানে, কম জিপিএ পেয়ে ভালো কলেজে ভর্তি আর জিপিএ ৫ পেয়েও তালিকায় নেই। এ রকম ভুলের ছড়াছড়ি। এমনকি ব্যবসার শিক্ষার্থীকে দেওয়া হয়েছে বিজ্ঞান কলেজে। পছন্দের তালিকায় ছিল না, তার পরও অন্য জেলার এমন কলেজের নাম এসেছে, যেটা শিক্ষার্থী কখনোই শোনেনি। ভুল আর তালগোল পাকানো প্রথম তালিকায় কলেজই পায়নি ৫০ হাজারের অধিক শিক্ষার্থী।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত মতে, ভর্তি কার্যক্রম শেষ করে যেখানে ১ জুলাই থেকে একাদশ শ্রেণীর নতুন ক্লাস শুরু হওয়ার কথা ছিল, সেখানে তখনও বঞ্চিত লক্ষাধিক শিক্ষার্থী। ভর্তি নিয়ে গোটা সপ্তাহ ধরে চলা নৈরাজ্যকর পরিস্থিতিতে ৫ জুলাই সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হন শিক্ষামন্ত্রী ও শিক্ষা সচিব। মন্ত্রী এর জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন। একে ‘উন্নয়নের বেদনা’ বলে আখ্যায়িত করেন। যদিও শিক্ষা সচিব বলেছেন, ‘টি২০-তে ছক্কা মারার চেষ্টা করেছি।’ কিন্তু সে ছয় বাউন্ডারি পেরোয়নি। Continue reading

‘গ্রেড’ নয়, আপনিই বড়

Life-Valuable‘ইউ আর নট ইউর মার্কস!’ শিরোনামে বিবিসি ট্রেন্ডিংয়ে ৩০ মের প্রতিবেদনটি ভারতের কৌতুক অভিনেতা বীর দাসের একটি ভিডিওকে কেন্দ্র করে প্রকাশিত। ইউটিউবে তার ‘অন ইউর মার্কস’ নামের ভিডিওটি ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়। আসলে ভিডিওটি তিনি এমন সময়ে প্রকাশ করেন যখন ভারতে একটি পাবলিক পরীক্ষার ফল প্রকাশ হয়। যেখানে দেখানো হয়েছে, পরীক্ষার ফল তেমন কিছু নয়। বীর দাস বরং তিন মিনিটের ভিডিওতে জীবনের অনেক কিছু দেখিয়েছেন। স্বপ্ন, মা-বাবা, মানুষ, যুদ্ধ, ভালোবাসা ইত্যাদি। অনেক ক্ষেত্রে ভিডিওটি আমাদের জন্যও প্রযোজ্য। সম্প্রতি আমাদের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ হয়েছে। এ পরীক্ষায় অনেকে জিপিএ ৫ পায়নি বলে কষ্ট পেয়েছে। আবার ১৩ ভাগ শিক্ষার্থী যাদের বলা হচ্ছে ‘অকৃতকার্য’, তাদের মনও ভালো থাকার কথা নয়। আর ফল নিয়ে সবচেয়ে ভয়ঙ্কর যে খবর সবার মন খারাপ করে দেয় তা হলো Continue reading

চলমান জীবনের ভাসমান গল্প

Life-roleটাইমস অব ইন্ডিয়ার ব্লগে সম্প্রতি নিনা সুদ লিখেছেন, লাইফ মাস্ট গো অন। অবশ্য কেউ লিখুক আর না-ই লিখুক, এটাই বোধহয় নিয়ম_ জীবন চলমান। কারও কিংবা কোনো কিছুর জন্য জীবন থেমে থাকে না। হয়তো নানা সময়ে জীবনের নানা গতিপথ তৈরি হয়; হয়তো নানা ঘটনা জীবনে দাগ কেটে যায়; হয়তো কিছু বিষয়ে জীবনের অপ্রাপ্তি থাকে; হয়তো চাওয়া-পাওয়ার মাঝে ব্যাপক ফারাক সৃষ্টি হয়; তারপরও জীবন চলে যায় জীবনের পথে। এ পথে ছিটকে পড়ার দৃশ্য কিংবা উদাহরণ ব্যতিক্রম।
কাউকে কেমন আছেন জিজ্ঞেস করলে খারাপের চেয়েও বেশি উত্তর আসবে, ভালোই আছি। কোনো কারণে দীর্ঘশ্বাস থাকলেও ভালোর কথাই বলবেন সবাই। তার চেয়েও বড় কথা হলো, মানুষের স্বপ্ন। এ স্বপ্নই বোধহয় বেঁচে থাকার সবচেয়ে বড় প্রেরণা। মানুষ যত কষ্টেই থাকুক, ভাবে একদিন তার অবস্থার পরিবর্তন হবে। বাঁধা অবস্থায় সবচেয়ে অসহায় মানুষটিও বলবে, ‘ছাড়া পেয়ে নিই, তখন দেখাব মজা।’ Continue reading

চুইংগাম এবং ঢাকা

Dhaka-skyscrapersসমস্যাসংকুল ঢাকার মডেল শহর কোনটি? এবারের সিটি নির্বাচনে প্রত্যাশিত শহর হিসেবে কোনো কোনো প্রার্থী সিঙ্গাপুরের কথা বলেছেন। যদিও আমাদের বাস্তবতায় সিঙ্গাপুর হওয়া কতটা সম্ভব, সে প্রশ্ন থাকাই স্বাভাবিক। কথা হলো, বিশ্বের এত এত উন্নত শহর থাকতে সিঙ্গাপুর কেন? সত্যিকার অর্থে, কিছু বৈশিষ্ট্য বিশ্বের অন্য অনেক শহরের তুলনায় সিঙ্গাপুরকে বিশেষ স্থান দিয়েছে। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন, সৌন্দর্য, নাগরিক সুবিধা হয়তো অনেক শহরেই রয়েছে। সিঙ্গাপুরে এর চেয়ে বেশি কিছু রয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম বিষয়, সেখানে চুইংগাম নিষিদ্ধ। গত ২৩ মার্চ আধুনিক সিঙ্গাপুরের রূপকার লি কুয়ান ইউর মৃত্যুর পর ২৮ মার্চ বিবিসি ম্যাগাজিনে হোয়াই সিঙ্গাপুর ব্যানড চুইংগাম শিরোনামের প্রতিবেদনে বিষয়টি উঠে আসে। আমাদের কাছে চুইংগাম খুবই সাধারণ বিষয় হলেও এটি নিষিদ্ধ হওয়ার নিগূঢ় কারণটা লি কুয়ানের তরফে এনেছে বিবিসি। Continue reading