Tag Archives: শিক্ষার্থী

শতাব্দীর প্রশ্ন ও মন্ত্রীর জবাব

Shatabdi-Bus-Obaidul-qader

স্কুলে যাওয়ার বাস পেলেন শতাব্দী

শতাব্দী জায়গামতোই প্রশ্নটি করেছিল। শনিবার শতাব্দীর সে প্রশ্ন সংবাদমাধ্যম ছাপিয়ে ছড়িয়ে পড়েছিল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। রোববার সমকালসহ অন্যান্য সংবাদপত্রের মাধ্যমে তা অন্যদের কাছেও পেঁৗছে যাওয়ার কথা। ‘মিনিস্টার, আই হ্যাভ এ কোয়েশ্চেন’-এর মাধ্যমে শতাব্দী কেবল তার প্রশ্নটিই তুলে ধরেনি বরং ভোগান্তির শিকার আরও অনেকের কথাই সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের কাছে তুলে ধরেছে।
ঢাকা সেনানিবাসে অবস্থিত শহীদ রমিজ উদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট স্কুলের দশম শ্রেণীর শিক্ষার্থী শামসুন নাহার শতাব্দীর ক্ষোভ হয়তো অনেক দিনের; হয়তো এ দিনটির জন্যই সে অপেক্ষা করেছিল। শনিবার দুপুরে স্কুল শেষে শতাব্দী যখন বাস না পেয়ে হাঁটছিল তখনি মন্ত্রীর সঙ্গে তার আচমকা সাক্ষাৎ। মন্ত্রী তখন মিটার ছাড়া সিএনজি অটোরিকশা ও ফিটনেসবিহীন গাড়ির বিরুদ্ধে অভিযান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তর দিচ্ছিলেন। শতাব্দী হয়তো ভেবেছিল এটাই মোক্ষম সুযোগ। সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই তাই মন্ত্রীকে ইংরেজিতে জানাল, তারও একটা প্রশ্ন আছে। Continue reading

শিক্ষকদের সৃজনশীল হওয়ার পথ কেন রুদ্ধ

শিক্ষকদের যখন আন্দোলনে মাঠে থাকতে হয় তখন সৃজনশীল নিয়ে আলাদা সময় বের করার ফুরসত কোথায়?

শিক্ষকদের যখন আন্দোলনে মাঠে থাকতে হয় তখন সৃজনশীল নিয়ে আলাদা সময় বের করার ফুরসত কোথায়?

শিরোনামের প্রশ্নটি লেখকের মতো হয়তো অনেকেরই। বিশেষ করে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে যখন উঠে এসেছে, দেশের প্রায় ৪১ শতাংশ মাধ্যমিক বিদ্যালয় সৃজনশীল পদ্ধতির প্রশ্নপত্র তৈরি করতে পারে না, তখন স্বাভাবিকভাবেই শিক্ষকদের ব্যর্থতা সামনে আসছে। বাস্তবে শিক্ষকদের এ ব্যর্থতার পেছনে যে কিছু কারণ রয়েছে, যেগুলো সত্যিকার অর্থে শিক্ষকদের সৃজনশীল হতে বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে, তা দেখার বিষয়।
বলা প্রয়োজন, গতানুগতিক ধারা থেকে বেরিয়ে এসে শিক্ষায় নতুন পদ্ধতি চালুর দাবি ছিল অনেক দিনের। বিশেষ করে আমাদের শিক্ষাব্যবস্থার ঘাড়ে যখন কোচিং-নোট-গাইডের মতো ছায়া শিক্ষা চেপে বসছিল, তখন দেশের শিক্ষাবিদদের সহযোগিতায় সরকার চালু করে সৃজনশীল পদ্ধতি। এ পদ্ধতি চালু হওয়ার সময় প্রত্যাশা করা হয়েছিল, দেশ থেকে কোচিং-নোট-গাইড উচ্ছেদ হবে, মুখস্থবিদ্যার বাইরে শিক্ষক-শিক্ষার্থী সৃজনশীল হবে, শিক্ষাব্যবস্থার মানোন্নয়ন ঘটবে। যদিও ২০০৮ সালে চালু হওয়া সৃজনশীল পদ্ধতির আজকের বাস্তবতা সংশ্লিষ্টদের অজানা নয়। কোচিং-নোট-গাইডও সৃজনশীল (!) হয়ে দিব্যি চলছে। কাগজে-কলমে খোদ প্রশাসনের প্রতিবেদনেও তার দুরবস্থার চিত্র সংবাদমাধ্যমে এসেছে। Continue reading

জন্মদিনের শুভেচ্ছা!

flower-birthdayখ্যাতিমান কিংবা নিকটজন ছাড়া অন্যদের জন্মদিনের খবর মানুষ সাধারণত রাখে না। সংবাদমাধ্যমসহ নানাভাবে তাদের জন্মতারিখ জানা সম্ভব। এর বাইরে অন্যদের জন্মদিনের বিষয়টি জানা ততটা সহজ নয়। অবশ্য এখনকার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম সেটা সহজ করেছে। বিশেষত ফেসবুকের কল্যাণে এখন সহজেই একজন আরেকজনের জন্মতারিখ জেনে নিতে পারছেন। সে সূত্র ধরেই লেখাটির অবতারণা। নতুন বছরের ১১তম দিন চলছে। এ বছরের শুরুর দিন এবং গত বছরের শেষ দিনে যারা ফেসবুকে সক্রিয় ছিলেন তাদের হয়তো অনেকেরই অভিজ্ঞতা হয়েছে, আপনার উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বন্ধুর জন্মদিন ছিল এ দুটি দিনে। হয়তো ফেসবুকে লেখা আপনার জন্মদিনটিও এ দু’দিনের একদিনেই পড়েছে। দেখা গেছে, এ দু’দিনের মধ্যে বছরের প্রথম দিনেই বেশিসংখ্যক মানুষের জন্মদিন। বছরের অন্যান্য দিনের চেয়ে প্রথম দিনে অস্বাভাবিক সংখ্যক মানুষের জন্মদিন হওয়ায় স্বভাবতই প্রশ্ন জাগে_ জন্মদিন কতটা সঠিক। এ প্রশ্নের ভিত্তিও আছে। কারণ আমাদের অনেকেরই জন্মতারিখ একাধিক। যদিও ধরাধামে প্রত্যেকের একটি নির্দিষ্ট দিনেই জন্ম হয়েছে। তারপরও নানাভাবে একাধিক জন্মতারিখ হয়ে যায়। এর অন্যতম প্রধান কারণ শিক্ষা। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অনেক সময় ভর্তি হতে প্রয়োজন অনুসারে প্রতিষ্ঠান শিক্ষার্থীর বয়স কমায়-বাড়ায়। Continue reading

পায়ে কলম, মনে জোর

writing-legবিভিন্ন পরীক্ষার মাধ্যমে প্রতিবছর বিচিত্র অদম্য শিক্ষার্থীর কথা সংবাদমাধ্যমে আসে। যারা শারীরিক নানা প্রতিবন্ধকতা জয় করে পড়াশোনা চালিয়ে যাচ্ছেন। কারও হাত নেই, পরীক্ষা দিচ্ছেন মুখ দিয়ে; কারও হাত অচল, লিখছেন পা দিয়ে। মনের জোরে তারা হাতের বাধা দূর করেছেন। যদিও মুখ দিয়ে কিংবা পা দিয়ে লেখা কঠিন কাজ। তার ওপর দীর্ঘ সময় ধরে পরীক্ষা দেওয়া আরও দুঃসাধ্য। এর জন্য নিঃসন্দেহে অনেক দিনের অনুশীলনের প্রয়োজন। অথচ শিক্ষার জন্য এ কঠিন কাজ তারা অনায়াস সাধ্য করেছেন। এমনকি স্বাভাবিক হাত দিয়ে যারা পরীক্ষা দিচ্ছেন তাদের সঙ্গে বসেই পরীক্ষা দিচ্ছেন। তাদের এ সংগ্রাম সবার জন্য অনুপ্রেরণার।
সারাদেশে অষ্টম শ্রেণীর জেএসসি ও সমমানের পরীক্ষা চলছে। একাধিক সংবাদমাধ্যম শেরপুরের সুরাইয়ার কথা বলেছে। যার দুই হাত অচল; কলম ধরার ক্ষমতা নেই। ঘাড় খানিকটা বাঁকা; সোজা করার সামর্থ্য নেই। সুরাইয়া বিশেষ টেবিলে বসে পা দিয়েই জেএসসি পরীক্ষা দিচ্ছে। এর আগে এভাবে পরীক্ষা দিয়েই সে প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে। একইভাবে মানিকগঞ্জের রুবেল ও পটুয়াখালীর বেলালের খবরও সংবাদমাধ্যমে এসেছে। তারা উভয়ে যথাক্রমে জেএসসি ও জেডিসি পরীক্ষা দিচ্ছে। তাদের কারও হাত নেই। পা দিয়ে পরীক্ষা দিচ্ছে। Continue reading

বইয়ের আশ্রয়ের খোঁজে!

Bookকখনও কখনও পত্রিকার সংবাদের চেয়ে সংবাদসংশ্লিষ্ট ছবি হৃদয়গ্রাহী হয়। পড়ার চেয়ে চোখে দেখে ঘটনার বাস্তবতা বোঝা সহজ হয়। সোমবার সমকালের লোকালয়ে প্রকাশিত সংবাদসংশ্লিষ্ট এই ছবি তার প্রমাণ। ছবিটি দেখাচ্ছে, একটি শিশু বুকসমেত পানি ডিঙিয়ে যাচ্ছে, তার হাতে বই। পানি বুকের ওপর উঠলেও বই ভিজতে দেয়নি। দুই হাতে বই উঁচিয়ে ধরে আছে শিশুটি।
বগুড়ায় যমুনা নদীর পানি বাড়ায় সেখানকার সারিয়াকান্দির নতুন এলাকা প্লাবিত হয়ে গেছে। পানিবন্দি হয়ে পড়েছে সেখানকার মানুষ। পানি যেমন মানুষের বসতবাড়িতে উঠেছে, স্বাভাবিকভাবেই সেখানকার বিদ্যালয়ও রক্ষা পায়নি। ফলে প্রশাসন সেখানে শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ রেখেছে এক সপ্তাহের জন্য। কিছু বিদ্যালয়ের ক্লাস কাছাকাছি বাঁধের ধারে নিয়ে আসা হয়েছে। তবে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি কম। চারদিকে পথঘাট ডুবে যাওয়ায় তাদের পক্ষে ক্লাস করা অসম্ভব হয়ে পড়েছে। কোনো কোনো বিদ্যালয়ে অবশ্য পানি ওঠেনি, সেখানে আশ্রয় নিয়েছে পানিবন্দি অনেক পরিবার। ছবিটি সে এলাকার। ক্যাপশন বলছে, ঘরে পানি ওঠায় শিশুটির বই ভিজে গেছে। বইয়ের আর ক্ষতি যাতে না হয় তাই সেগুলো দুই হাত উঁচিয়ে ধরে কোনো নিরাপদ আশ্রয়ে যাচ্ছে। Continue reading

ডিগ্রি কি জব টিকিট?

graduation_0বুধবার ইংল্যান্ডের উচ্চশিক্ষা নিয়ে এক গবেষণার খবর দিয়েছে বিবিসি। সিআইপিডি নামক গবেষণা প্রতিষ্ঠানটি বলছে, ইংল্যান্ডের বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাস করা অধিকাংশ গ্র্যাজুয়েটই ‘ননগ্র্যাজুয়েট’ চাকরি করছে। অর্থাৎ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সর্বোচ্চ ডিগ্রি নিয়ে একজন শিক্ষার্থীর যে ধরনের কাজ করার কথা, তার চেয়ে নিম্ন পর্যায়ের কাজ করছে ৫৮ দশমিক ৮ ভাগ গ্র্যাজুয়েট। এর প্রতিক্রিয়ায় সেখানকার গার্ডিয়ান পত্রিকায় কাহিন্দে এন্ড্রুজ লিখেছেন, ‘ইট ইজ অ্যা ডিগ্রি, নট অ্যা টিকিট টু অ্যা জব’_ এটা একটা ডিগ্রি মাত্র, চাকরিতে প্রবেশের টিকিট নয়। এ গবেষণা নিয়ে সেখানে আলোচনা-সমালোচনা হতেই পারে। বিষয়টা যে আমাদের জন্য সম্পূর্ণভাবে প্রাসঙ্গিক, তা দেখার মতো। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্র্যাজুয়েটদের কতভাগ ননগ্র্যাজুয়েট চাকরি করছেন, তা নিয়ে দেশেও ভালো গবেষণা হতে পারে।
এটা সবাই জানেন, দেশে অনেক চাকরিতে, বিশেষ করে সরকারি চাকরিতে যেখানে যোগ্যতা হিসেবে এইচএসসি চাওয়া হয়, সেখানে ডিগ্রি-অনার্স পাসকৃতরাও হুমড়ি খেয়ে পড়েন। আর এখানকার বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্টার্স পাস করা বিপুল অধিকাংশই অনার্স সমমানের যোগ্যতার চাকরি করছেন। এমনকি অনেকে তা চেয়েও পাচ্ছেন না। Continue reading

ঢাবির ছারপোকা

du_bedbug_campaignছারপোকা খবরের অনুষঙ্গ হিসেবে সংবাদমাধ্যমে নানা সময়ে হাজির হয়। বিভিন্ন সময়ে দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগ সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদনে ছারপোকা প্রসঙ্গ এসেছে। তবে এবারের খবরটি ব্যতিক্রমই বলতে হবে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এসএম হলের আবাসিক শিক্ষার্থী হিসেবে ছারপোকার বিরুদ্ধে অভিযানের অভিজ্ঞতা আমাদের রয়েছে। এখন খবর বলছে, হল কর্তৃপক্ষ এ অভিযানে নেমেছে। এটা বলার অপেক্ষা রাখে না, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হল ও শিক্ষার্থী নিবাসে ছারপোকার উৎপাত কতটা রয়েছে। সারাদিনের ক্লান্তি নিয়ে ঘুমুতে গিয়ে রক্তচোষা ছারপোকার তীক্ষষ্ট কামড় কতটা বেদনাদায়ক তা ভুক্তভোগী মাত্রই জানেন। সে ছারপোকার বিরুদ্ধে স্বয়ং হল কর্তৃপক্ষের উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের জন্য নিশ্চয়ই স্বস্তির খবর! Continue reading

‘ওভার স্মার্ট’ ভর্তি ব্যবস্থার সংকট

College-Admissionস্মার্ট ভর্তি পদ্ধতির কথা শুনে সবার ভালো লাগারই কথা। বাস্তবে এর নামে এবারের এইচএসসি ও সমমানের ভর্তি নিয়ে যা হয়েছে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। ভুলেরও একটা সীমা থাকে। কারিগরি জটিলতা কাটিয়ে নির্দিষ্ট সময়ের চার দিন পর (২৮ জুন) প্রকাশিত প্রথম মেধা তালিকায় দেখা গেল_ মেয়েদের কলেজে ছেলেদের নাম, মানবিকের শিক্ষার্থী বিজ্ঞানে, কম জিপিএ পেয়ে ভালো কলেজে ভর্তি আর জিপিএ ৫ পেয়েও তালিকায় নেই। এ রকম ভুলের ছড়াছড়ি। এমনকি ব্যবসার শিক্ষার্থীকে দেওয়া হয়েছে বিজ্ঞান কলেজে। পছন্দের তালিকায় ছিল না, তার পরও অন্য জেলার এমন কলেজের নাম এসেছে, যেটা শিক্ষার্থী কখনোই শোনেনি। ভুল আর তালগোল পাকানো প্রথম তালিকায় কলেজই পায়নি ৫০ হাজারের অধিক শিক্ষার্থী।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত মতে, ভর্তি কার্যক্রম শেষ করে যেখানে ১ জুলাই থেকে একাদশ শ্রেণীর নতুন ক্লাস শুরু হওয়ার কথা ছিল, সেখানে তখনও বঞ্চিত লক্ষাধিক শিক্ষার্থী। ভর্তি নিয়ে গোটা সপ্তাহ ধরে চলা নৈরাজ্যকর পরিস্থিতিতে ৫ জুলাই সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হন শিক্ষামন্ত্রী ও শিক্ষা সচিব। মন্ত্রী এর জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন। একে ‘উন্নয়নের বেদনা’ বলে আখ্যায়িত করেন। যদিও শিক্ষা সচিব বলেছেন, ‘টি২০-তে ছক্কা মারার চেষ্টা করেছি।’ কিন্তু সে ছয় বাউন্ডারি পেরোয়নি। Continue reading

ছিটমহল: শিক্ষা থাকুক অগ্রাধিকারে

Chitmahal-edn

দাসিয়ারছড়া ছিটমহলের একটি প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষাকেন্দ্র। ছবি: সমকাল

ছিটমহলের অন্ধকার যখন কাটতে শুরু করেছে তখন আলোই সেখানকার গন্তব্য। দুই দেশের তরফ থেকে আইনগত বাধা দূর হওয়ার কথা জেনে শুরুতেই ছিটমহলবাসী সে আলোর সন্ধান করেছেন। ৭ মে সর্বশেষ ভারতের লোকসভায় এ সংক্রান্ত বিল পাসের পর থেকেই তাই সংবাদমাধ্যমের কল্যাণে আমরা জানতে পারছি, সেখানে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপনের জন্য ‘সাইনবোর্ড তোলার হিড়িক’। যদিও সেগুলো প্রস্তাবিত এবং প্রাথমিক পর্যায়ে কেবলই সাইনবোর্ড, তারপরও এর মাধ্যমে কেবল একটা বার্তাই ছিটমহলবাসী দিচ্ছেন যে, তারা দ্রুতই শিক্ষার আলোয় আলোকিত হতে চান। আর সর্বশেষ মঙ্গলবার (২৩ জুন) প্রকাশিত ‘খুলেছে শিক্ষার বন্ধ দরজা’ শিরোনামে সমকালের প্রতিবেদনটি যে তারই ধারাবাহিকতা। যেটি বলছে, ছিটমহলগুলোতে প্রাথমিকভাবে ইসলামিক ফাউন্ডেশন শিক্ষার কাজ হাতে নিয়েছে। তারা মসজিদভিত্তিক শিশু শিক্ষা ও গণশিক্ষা কার্যক্রম প্রকল্পের আওতায় প্রথম রমজান থেকেই ১০০টি প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা কেন্দ্র চালু করেছে। এটা অবশ্যই আশাজাগানিয়া খবর। যদিও তারা কেবল প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষার ব্যবস্থা করছে এবং সেটা প্রয়োজনের তুলনায় হয়তো নগণ্য। Continue reading

‘গ্রেড’ নয়, আপনিই বড়

Life-Valuable‘ইউ আর নট ইউর মার্কস!’ শিরোনামে বিবিসি ট্রেন্ডিংয়ে ৩০ মের প্রতিবেদনটি ভারতের কৌতুক অভিনেতা বীর দাসের একটি ভিডিওকে কেন্দ্র করে প্রকাশিত। ইউটিউবে তার ‘অন ইউর মার্কস’ নামের ভিডিওটি ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়। আসলে ভিডিওটি তিনি এমন সময়ে প্রকাশ করেন যখন ভারতে একটি পাবলিক পরীক্ষার ফল প্রকাশ হয়। যেখানে দেখানো হয়েছে, পরীক্ষার ফল তেমন কিছু নয়। বীর দাস বরং তিন মিনিটের ভিডিওতে জীবনের অনেক কিছু দেখিয়েছেন। স্বপ্ন, মা-বাবা, মানুষ, যুদ্ধ, ভালোবাসা ইত্যাদি। অনেক ক্ষেত্রে ভিডিওটি আমাদের জন্যও প্রযোজ্য। সম্প্রতি আমাদের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ হয়েছে। এ পরীক্ষায় অনেকে জিপিএ ৫ পায়নি বলে কষ্ট পেয়েছে। আবার ১৩ ভাগ শিক্ষার্থী যাদের বলা হচ্ছে ‘অকৃতকার্য’, তাদের মনও ভালো থাকার কথা নয়। আর ফল নিয়ে সবচেয়ে ভয়ঙ্কর যে খবর সবার মন খারাপ করে দেয় তা হলো Continue reading