Tag Archives: শিক্ষার্থীর শিখন ঘাটতি

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলাই শেষ কথা নয়

আমরা মুখে যদিও বলছি, শিক্ষা ক্ষেত্রে করোনার প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়েছে, বাস্তবে সেটা নিরূপণে দেরি কেন?

দীর্ঘ দুই বছর পর ১৫ মার্চ থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে স্বাভাবিক শ্রেণি কার্যক্রম শুরু হয়েছে। করোনার ক্ষত কাটিয়ে শিক্ষা কতটা স্বাভাবিক পরিবেশে ফিরেছে, কিংবা স্বাভাবিক কার্যক্রমে ফিরলেও দীর্ঘদিন বন্ধ থাকায় কী প্রভাব পড়েছে, এ সময়ে আমরা কী হারিয়েছি বা অর্জন করেছি তা পর্যালোচনার বিষয়। এ নিয়ে যে গবেষণাও প্রয়োজন তা ইতোমধ্যে অনেকে বলেছেন।

মহামারির দুই বছরের ঘটনাপ্রবাহ অনেকেরই মনে থাকার কথা। এ সময়ের মধ্যে দুই ধাপে বন্ধ ছিল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। ২০২০ সালের ১৮ মার্চ থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর ধাপে ধাপে ছুটি বাড়িয়ে প্রায় দেড় বছর পর ২০২১ সালের ১২ সেপ্টেম্বর সীমিত পর্যায়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা হয়। দ্বিতীয় পর্যায়ে এ বছরের ২১ জানুয়ারি থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ হওয়ার পর সীমিত পর্যায়ে মাধ্যমিক বিদ্যালয় খোলে ২২ ফেব্রুয়ারি আর প্রাথমিক বিদ্যালয় খোলে ২ মার্চ থেকে। ১৫ মার্চ থেকে দুই বছর পর প্রাক-প্রাথমিকের শ্রেণি কার্যক্রম শুরু হওয়াসহ শিক্ষার সব পর্যায়ে ওইদিন থেকে পুরোপুরি পাঠদান কার্যক্রম শুরু হয়।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলেছে এবং পুরোদমে চলছে, এটা নিঃসন্দেহে ইতিবাচক। কিন্তু এটাই শেষ কথা হওয়া উচিত নয়। এখানে দুটি বিষয় গুরুত্বপূর্ণ। একটি হলো, করোনার কারণে বন্ধের সময়ে শিক্ষার কেমন ক্ষতি হয়েছে তা নির্ণয়। আরেকটি, ওই ক্ষতি কীভাবে কাটিয়ে ওঠা যায়, সেজন্য পদক্ষেপ গ্রহণ করা। মনে রাখতে হবে, শিক্ষার ক্ষতি আর অর্থনীতির ক্ষতি এক বিষয় নয়। অর্থনীতি বা অন্যান্য ক্ষতি টাকার অঙ্কে নিরূপণ করা গেলেও শিক্ষার বিষয়টি সেভাবে পরিমাপ করা কঠিন। শিক্ষার ক্ষতি পরিমাপের জন্য প্রথমেই দেখতে হয় ঝরে পড়া বা ড্রপ আউটের হার। এরপর শিখনশূন্যতা কতটা হলো তা দেখতে হবে। মূলত এই দুটিই বড় বিষয়। Continue reading