Tag Archives: শিক্ষামন্ত্রী

মাওলানা আজাদ : শিক্ষা আন্দোলনের অগ্রপথিক

শিক্ষা বিস্তারে উজ্জ্বল ভূমিকার কথা স্মরণে রেখে প্রতি বছর মাওলানা আবুল কালাম আজাদের জন্মদিন (১১ নভেম্বর) সমগ্র ভারতে ‘জাতীয় শিক্ষা দিবস’ হিসেবে পালন করা হয়। যদিও মাওলানা আজাদের খ্যাতি শিক্ষার চেয়েও রাজনীতিতে বিস্তৃত হয়েছে বেশি। তিনি আত্মজীবনী গ্রন্থ ‘ইন্ডিয়া উইনস ফ্রিডম’-এর উৎসর্গে লিখেছেন ‘ফর জওহরলাল নেহরু ফ্রেন্ড অ্যান্ড কমরেড’। বলাবাহুল্য, ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম প্রধান নেতা ও স্বাধীন ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী নেহরুর সঙ্গে কেবল তার বন্ধুত্বের সম্পর্কই ছিল না, একই সঙ্গে উভয়ই ছিলেন একই আন্দোলনের সহযোদ্ধা। এমনকি নেহরুর মন্ত্রিসভার মন্ত্রীও ছিলেন তিনি। স্বাধীন ভারতের প্রথম শিক্ষামন্ত্রী মাওলানা আবুল কালাম আজাদ।

আনন্দবাজার পত্রিকা তার অবয়ব এভাবে বর্ণনা করেছে, ‘ছিপছিপে চেহারায় রোদচশমা চোখে, কালো টুপি আর ধোপদুরস্ত পোশাক’। আমরা তাকে দেখি মহাত্মা গান্ধীর সঙ্গে। তিনি ১৯১৯ সালে রাওলাট আইনের বিরুদ্ধে মাহাত্মা গান্ধীর অহিংস মতবাদে অনুপ্রাণিত হয়ে অসহযোগ আন্দোলন সংঘটনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। ১৯২৩ সালে মাত্র ৩৫ বছর বয়সে মাওলানা আজাদ ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের সর্বকনিষ্ঠ সদস্য হিসেবে সভাপতি নির্বাচিত হন।

মাওলানা আজাদের সাংবাদিকতা, লেখালেখি ও রাজনীতি সমানতালে চলেছে। এর মধ্যেও তিনি শিক্ষাচিন্তা সযতনে লালন করেছেন। ২০১৫ সালে প্রকাশিত ভারতের দ্য হিন্দু পত্রিকার ফ্রাইডে রিভিউতে ‘মাওলানা অ্যান্ড মাও’ শিরোনামের একটি প্রবন্ধে বলা হয় মহাত্মা গান্ধী মাওলানা আজাদকে ‘দ্য এম্পেরোর অব লানির্ং’ বলে জ্ঞানের দিক থেকে প্লেটো, অ্যারিস্টটল ও পিথাগোরাসের সমমর্যাদার ব্যক্তি হিসেবে উল্লেখ করেছেন। Continue reading

প্রশ্ন ফাঁস: গোড়ার বদলে আগায় পানি ঢালা?

Question-outবিভিন্ন পরীক্ষায় প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনা নতুন নয়। তবে এবারের এইচএসসি পরীক্ষায় প্রশ্ন ফাঁসের ধারা নতুনই বলতে হবে। আগের সব রেকর্ড ছাপিয়ে প্রায় প্রতিটি পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগ উঠেছে। কর্তৃপক্ষ সব অভিযোগ নাকচ করলেও ইংরেজি দ্বিতীয়পত্রে ব্যবস্থা না নিয়ে পারেনি। পরীক্ষাটি ১০ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও তা স্থগিত করতে বাধ্য হয়। কর্তৃপক্ষ অন্যান্য পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসের বিষয় উড়িয়ে দিয়ে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ না করলেও অভিযোগ যে সত্য তা সংশ্লিষ্টদের জানার বাকি নেই। শ্রদ্ধেয় জাফর ইকবাল স্যার কয়েক বিষয়ে তা প্রমাণসহ সংবাদমাধ্যমে পাঠিয়েছেন এবং সেটা প্রকাশও হয়েছে। সর্বশেষ ২৫ মে অনুষ্ঠিত গণিত (তত্ত্বীয়) পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগ ওঠে আগের দিনই। এ নিয়ে আগের দিন বুয়েটে প্রতিবাদও হয়। সংবাদমাধ্যম বিষয়টি ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের নজরে আনলেও এ ধরনের কোনো অভিযোগ পাননি বলে উড়িয়ে দেন। অথচ বাস্তবে সেসব প্রশ্ন মিলে গেছে।

প্রশ্ন ফঁাসের বিষয়ে শুরু থেকেই কর্তৃপক্ষের এ ধরনের চোখ বন্ধ করা ভাব যতটা বিস্ময়কর তার চেয়েও অদ্ভুত এ প্রশ্ন ফাঁস ঠেকানোর সুপারিশ। Continue reading