Tag Archives: রাজনীতি

আসাম : ঠিকানাবিহীন ৪০ লাখ মানুষ!

৩০ জুলাই প্রকাশিত আসামে জাতীয় নাগরিকত্ব নিবন্ধন তথা এনআরসির চূড়ান্ত খসড়ায় বাদ পড়ে ৪০ লাখ মানুষ

বিশ্বের সবচেয়ে বড় গণতান্ত্রিক দেশ ভারতে যখন ৪০ লাখ মানুষের নাগরিকত্ব নিয়ে বিতর্ক চলছে, তখন আমার মনে পড়ছে রাজা উশিনারার ঘটনা। ঘটনাটি মহাভারতের, যেটি আসলে একটি চমৎকার উদাহরণ যে, আমরা কীভাবে পোস্ট অফিসহীন মানুষের সঙ্গে আচরণ করব এবং তাদের রক্ষা করব।

ঘটনা হলো, একদিন এক ঘুঘু পাখি রাজা উশিনারার আদালতে আশ্রয় প্রার্থনা করে। পাখিটিকে একটি বাজপাখি দৌড়াচ্ছিল। রাজা বাজপাখিকে বলল, ঘুঘু পাখি তার আশ্রয়ে রয়েছে। সুতরাং তার দায়িত্ব হলো পাখিটিকে রক্ষা করা। উত্তরে বাজপাখি বলল, ঘুঘু হলো তার খাদ্য, তাকে না খেলে উপোস থাকতে হবে, সেটা সম্ভব নয়। তখন রাজা বলল, ঘুঘুর বদলে যে কোনো কিছু খেতে পার। কিন্তু বাজপাখি সিদ্ধান্তে অনড়, ঘুঘুই তার চাই। অবশেষে বাজপাখি বলল, আপনি যদি ঘুঘু পাখিকে রক্ষা করতেই চান, তাহলে আপনার শরীর থেকে কিছু গোশত দিন; তা আমি খাব। রাজা উশিনারা এ শর্তে রাজি হলেন এবং তার শরীরের গোশত থেকে বাজপাখিকে খেতে বললেন।

এ ঘটনার এক গভীর তাৎপর্য আছে। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় ভারতে আমরা বাংলাদেশি শরণার্থীদের স্বাগত জানিয়েছিলাম। তারা হিন্দু-মুসলিম উভয় ধর্মের মানুষই ছিল। যদিও আমাদের কাছে তাদের বড় পরিচয় মানুষ, মানুষ হিসেবেই আমরা তাদের সংকটে আশ্রয় দিয়েছিলাম। আর আজ আসামে খাঁটি ভারতীয়দের বাস নিশ্চিত করার জন্য আমরা তাদের নিশ্চিহ্ন করার উদ্যোগ গ্রহণ করেছি; তাতে ৪০ লাখ মানুষ এখন দেশে অবৈধ নাগরিক হয়ে গেছে। Continue reading

আসামের অভিবাসন রাজনীতি

নাগরিকদের জাতীয় নিবন্ধন বা এনআরসির মাধ্যমে আসামে খাঁটি ভারতীয় খোঁজা হচ্ছে!

ভারতবর্ষের প্রথম গভর্নর জেনারেল ওয়ারেন হেস্টিংসের অভিশংসন নিয়ে কথা বলতে গিয়ে লেখক ও দার্শনিক এডমন্ড বার্ক বলেছিলেন, ‘এমন ঘটনা ঘটেছে, যা নিয়ে কথা বলা কঠিন আর চুপ থাকা অসম্ভব।’ আর আসামের ক্ষেত্রে এটা এমন নয় যে, ঘটেছে বরং অবধারিতভাবেই ঘটানো হয়েছে। কিংবা ঘটানোর প্রক্রিয়ায় ছিল। গত দশকে যেটা ঘটে গেছে, তাকে আমাদের চারদিকের অবস্থার আলোকে বোঝা দরকার। বিষয়টি বুঝতে হলে আমাদের আসামের নাগরিক নিবন্ধন বা এনআরসি ও তার রাজনীতির দিকে তাকাতে হবে।

আসামে আজ যা ঘটছে, তা বুঝতে ২০১৭ বা ২০১৮ সালের ঘটনাপ্রবাহ থেকে শুরু করলে হবে না, এ ক্ষেত্রে ১৯৮৩ সালের রক্তাক্ত সন্ত্রাসী ঘটনার কথা বলতে হবে, অথচ ওই ঘটনা কেউই স্মরণ করতে চান না।

যা হোক, ১৯৪৬ থেকে ১৯৭৭ সাল পর্যন্ত আসামের রাজনীতিতে যখন কংগ্রেস প্রভাবশালী ছিল, তখন কংগ্রেসের বাঙালি সেটলারদের মধ্যে এক বিশেষ সম্পর্ক গড়ে ওঠে, যারা সেখানে বিশ শতকের গোড়ার দিকে এসেছিল। এখন যে অভিবাসনের কথা বলা হচ্ছে, তা আসলে নতুন বিষয় নয়, সেটাও প্রায় শত বছর আগের বিষয়। সে সময় অভিবাসীদের বৈধতা দেওয়া হয়, তাদের থাকার জন্য ভূমি দেওয়া হয় এবং এর ফলে তারা কংগ্রেসকে ভোট দেয়। এর বিপরীতে জনপ্রিয় মত হলো, এগুলো রাজনৈতিক বা ক্যাডার বাহিনী দ্বারা বাস্তবায়ন হয়নি। বরং রাজস্ব কর্মকর্তারা অভিবাসীদের বাসস্থানের ব্যবস্থা করেছেন।

আমাদের সংবিধানের ২১ অনুচ্ছেদে অবশ্য জীবনধারণ ও ব্যক্তিগত স্বাধীনতার জন্য ব্যক্তিগত গোপনীয়তা রক্ষার অধিকারের সুরক্ষা দেওয়া হয়েছে। ১৯৮৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে সংঘটিত আসামের দাঙ্গায় যাদের পরিবারের সদস্যরা নিহত হয়েছেন, তারা কোনো ধরনের ক্ষতিপূরণ পাননি। তবে যারা পাঁচ হাজার করে ভারতীয় রুপি পেয়েছেন, তা ছিল সেসব মানুষের জন্য অপমানস্বরূপ, যারা তাদের সন্তান ও পরিবারের সদস্যদের হারায়। তাদের ধন-সম্পদ ধ্বংস করা হয়, এমনকি সেসব মানুষ বৃদ্ধ বয়সে এসেও আদালতে মামলা চালাচ্ছে।

Continue reading

আসামে নতুন তালিকার রাজনীতি

মূল : দেবর্ষি দাস

আসামে নাগরিক তালিকার মাঠ পর্যায়ের নিরীক্ষা

আসামে নতুন করে নাগরিকদের জাতীয় নিবন্ধন বা এনআরসির প্রথম খসড়া তালিকা ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। আসাম ও পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী যথাক্রমে সর্বানন্দ সান্যাল ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় উভয়েরই কুশপুত্তলিকা দাহ করা হয়েছে। এ সমস্যাকে অসমিয় বনাম বাঙালি কিংবা স্থানীয় বনাম অভিবাসী, এমনকি হিন্দু বনাম মুসলিম সমস্যা হিসেবে দেখা যাবে না। বরং এটি আরও জটিল সমস্যা।

আসামে বিদেশি শনাক্তকরণ প্রক্রিয়া অনেক দিন ধরেই চলছে। স্নেহলতা দত্ত নামে ৮৬ বছরের এক অর্ধ-পক্ষাঘাতগ্রস্ত বৃদ্ধকে তিন মাস ধরে অবৈধ অভিবাসী আইনে কারারুদ্ধ করা হয়। অথচ তার জামাতা মুকুল দের মতে, স্নেহলতার পরিবার দেশভাগের আগে থেকেই আসামে বাস করে আসছে। মারিজান বিবির (৪১) ঘটনা এ রকমই। সঠিক কাগজপত্র দেওয়ার পরও তাকে বিদেশি শিবিরে আটক করা হয় এবং তাকে তার দেড় বছর বয়সী সন্তান থেকে পৃথক করা হয়। আমার এক আত্মীয়কেও এভাবে আটক করে এক মাস রাখা হয়। কারণ বিয়ের আগে ও পরের নামে মিল ছিল না।

আসামে বিদেশি গ্রেফতারের নামে আসলে এ রকম চরিত্রেরই মঞ্চায়ন করা হচ্ছে। নাগরিক নিবন্ধনের নতুন তালিকা করা বিদ্যমান তালিকার চেয়েও উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনা। ১৯৮০’র দশকে বিদেশি নাগরিকদের আটক করার জন্য আন্দোলন তুঙ্গে ওঠে। এটি ১৯৮৫ সালে আসাম অ্যাকর্ড নামে পরিচিত- যেখানে বলা হয়, ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের পর যারা আসামে প্রবেশ করেছে তারাই বিদেশি। তাদের শনাক্ত করে বিতাড়িত করা হবে। কিছু মানুষ বিতাড়ন করাও হয়। ২০১২ সাল পর্যন্ত এ সংখ্যা ২৪৪২। তবে ৫৪ হাজার জনকে বিদেশি হিসেবে ঘোষণা করা হয়। তাহলে কি খুব বেশি মানুষকে বিদেশি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়নি? Continue reading

ট্রাম্পের আইকিউ

ক্ষমতা গ্রহণের আগ থেকেই যেখানে ডোনাল্ড ট্রাম্প নানাভাবে আলোচিত-সমালোচিত, সেখানে মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে তার আইকিউ বা বুদ্ধ্যঙ্ক নিয়ে অনেকের কৌতূহল থাকা অস্বাভাবিক নয়। কিন্তু এ নিয়ে অন্যের আগ্রহ যতটা না, তার চেয়ে ট্রাম্পের নিজের আগ্রহই বেশি দেখা যাচ্ছে। এখন ট্রাম্প নিজেই তার আইকিউর আলোচনা উস্কে দিয়েছেন। গত মঙ্গলবার প্রকাশিত ফোর্বস ম্যাগাজিনের এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প গর্বভরে বলেন, তার আইকিউ তার প্রশাসনেরই পররাষ্ট্রমন্ত্রী রেক্স টিলারসন থেকে বেশি। আইকিউ নিয়ে তার এ বড়ত্বের ঘোষণা অবশ্য নতুন নয়। ২০১৩ সালে ট্রাম্প এক টুইটে বলেন, তার আইকিউ বারাক ওবামা ও জর্জ ডব্লিউ বুশ থেকেও বেশি। ট্রাম্প আরও দাবি করেছেন, তার আইকিউ আমেরিকান কমেডিয়ান জন স্টুয়ার্ট ও ব্রিটিশ বিজনেস ম্যাগনেট লর্ড সুগার থেকে বেশি।
গতকাল বুধবার বিবিসি অনলাইনে ‘ক্যান উই টেল ইফ ডোনাল্ড ট্রাম্প হ্যাজ অ্য হাই আইকিউ?’ অর্থাৎ আমরা কি বলব ডোনাল্ড ট্রাম্প উচ্চ আইকিউর অধিকারী? শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ হয়। সেখানে অন্য মার্কিন প্রেসিডেন্টদের আইকিউও আলোচনায় আসে। ইউনিভার্সিটি অব ভার্জিনিয়ার প্রেসিডেন্সিয়াল স্টাডিজের পরিচালক ড. বারবারা এ পেরি, ৪৪ জন মার্কিন প্রেসিডেন্টের মধ্যে একটি বিশেষ তালিকা থেকে ১৭ জনের নাম বলেন। যাদের মধ্যে সাম্প্রতিক সময়ের বিল ক্লিনটন, জর্জ ডব্লিউ বুশ ও জিমি কার্টার রয়েছেন। ডোনাল্ড ট্রাম্পের কথা আসতেই পেরি বলেন, তিনি টিলারসনকে চ্যালেঞ্জ করছেন, আসলে তিনি যদি তার আইকিউ স্কোর জানাতেন তাহলে আমরা বুঝতাম, সত্যিকারার্থেই তার আইকিউ কত উঁচু মানের। তাকে অপছন্দ করে অনেকেই বলেন, ট্রাম্প একটা গাধা কিংবা বোকা। সেটাও মেনে নেওয়ার মতো নয়। তবে ড. পেরির ভাষায়, ট্রাম্পের আবেগীয় বুদ্ধিমত্তা, কান্ডজ্ঞান, দূরদর্শিতা ও সাংগঠনিক ক্ষমতা নিল্ফম্নমানের। কিন্তু তার গণযোগাযোগ ও রাজনৈতিক দক্ষতা অসাধারণ। পেরি অবশ্য ট্রাম্পের ব্যবসায় দক্ষতার কথাও উল্লেখ করেছেন। Continue reading

মাফলারপ্রীতি!

ঢাকায় শীত বলা চলে আসি আসি করছে। ক্যালেন্ডারের হিসাবেও হেমন্তের শেষ দিনগুলো পার করছে নগরবাসী। রাস্তাঘাটে এখনও তেমন শীতের পোশাক দেখা যায় না। যদিও অন্যান্যবার আরও আগেই পুরোদমে শীত পড়েছে। ঢাকায় শীতের অবস্থা যা-ই হোক প্রতিবেশী দিলি্লতে যে শীত পড়ে গেছে, সেখানকার মুখ্যমন্ত্রী কেজরিওয়ালই তার প্রমাণ। এ বিষয়ে শুক্রবার (৯ ডিসেম্বর) টাইমস অব ইন্ডিয়া লিখেছে, অ্যাজ উইন্টার হিটস দিলি্ল, অরবিন্দ কেজরিওয়াল আনপ্যাকস হিজ মাফলার। দিলি্লতে শীত এসেছে, অরবিন্দ কেজরিওয়াল তার মাফলার বের করেছেন। ভারতের আম আদমি পার্টির প্রধান কেজরিওয়াল কেবল নিজে মাফলার পরেছেন তা নয়, বরং অন্যদেরও শীতের আগমনে সতর্ক থাকার কথা বলেছেন। তিনি হিন্দিতে টুইট করেছেন, ‘ঠাণ্ডা পড়ে গেছে, মাফলার বের হয়ে গেছে; আপনিও নিজের খেয়াল রাখবেন।’ কেজরিওয়ালের টুইটে তার দলেরই সহকর্মী আশুতোষ মজা করে পাল্টা টুইট করেছেন, ‘যখন মুখ্যমন্ত্রী নিজেই মাফলার বের করে ফেলেছেন, তখন দিলি্লতে আনুষ্ঠানিকভাবেই শীতের ঘোষণা হয়ে গেল।’ তবে টাইমস অব ইন্ডিয়া কেজরিওয়ালের মাফলারপ্রীতির কথাও লিখেছে। ২০১৩ সালে শীতের মধ্যে দিলি্লর বিধানসভা নির্বাচনী প্রচারকালে তাকে মাফলার পরিহিত দেখা গেছে। সে নির্বাচনে তিনি জিতেছিলেন, যদিও ৪৯ দিনের মাথায় তিনি পদত্যাগ করেন। পরে আবার নির্বাচনে জিতে তিনি মুখ্যমন্ত্রী হন। তখন বলা হয়েছিল, মাফলারম্যান রিটার্নস মানে মাফলারমানব কেজরিওয়াল আবার ফিরলেন। এবারও তার মাফলার টুইটের পর সংবাদমাধ্যম শিরোনাম করছে, মাফলারম্যান রিটার্নস!
যাহোক, এটা অস্বাভাবিক নয় যে, কেজরিওয়ালের মাফলারপ্রীতি অন্যকেও প্রভাবিত করতে পারে। তবে ঢাকার চিত্র ভিন্ন। এখানে শীতের সময়ও যে খুব মাফলার দেখা যায় তা নয়। হাল ফ্যাশনে মাফলারের বদলে এসেছে শীতের টুপি। এসেছে হুডি। নানা ধরনের হুডি এখন তারুণ্যের প্রিয়, যাতে মাথা ও কান ঢাকা থাকে। তাতে শরীরও বাঁচে, মাফলারের কাজও সারে। Continue reading

খবরে ‘খবর’ হোক

Political-crisis

ছেলেহারা মায়ের বুকফাটা আর্তনাদের এরকম নিয়মিত খবরেও টনক নড়বে না! -সমকাল ২৩ জানুয়ারি ২০১৫

কোনো কিছুর অবস্থা যাচাইয়ের নানা পদ্ধতি রয়েছে। শরীরের তাপমাত্রা পরিমাপ করে ব্যক্তির জ্বর আছে কি-না বোঝা যায়। চোখের পানি ব্যক্তির অনুভূতির পরিচায়ক। এ রকম প্রত্যেকটির অবস্থা পরিমাপ করতে একেকটি যন্ত্র, স্কেল বা পরিমাপক আছে। ভূমিকম্প হলে রিখটার স্কেল বলে দেয় তার মাত্রা কেমন। পাল্লা বলে দেয় বস্তুর ওজন। ল্যাক্টোমিটারে দুধের বিশুদ্ধতা পরিমাপ হয় কিংবা পরীক্ষা প্রমাণ করে শিক্ষার্থীর মেধা। তারপরও কিছু থেকে যায়। যেগুলো মাপার সাধারণ যন্ত্র নেই। অবস্থা বোঝার বৈজ্ঞানিক সূত্র নেই। তবুও বিভিন্নভাবে আমরা অনুভব করি।
সংবাদমাধ্যমে নীতিনির্ধারণের সঙ্গে যারা জড়িত, তাদের কাজ সংবাদ নিয়ে। সংবাদকে তারাও বিভিন্নভাবে মাপেন। কোন খবর বড় করে দেবেন, কোনটা ছোট করবেন_ এটা তাদের বিবেচ্য। এ বিবেচনারও হয়তো নানা মাত্রা আছে। Continue reading

পেছনের গান

Image-burntBusবোধশক্তিসম্পন্ন প্রত্যেক মানুষই বোধহয় স্বপ্নচারী। প্রত্যেকেরই কোনো না কোনো স্বপ্ন থাকে। কারও স্বপ্ন ভালোভাবে বেঁচে থাকার, কেউ চান বাড়ি-গাড়ি, কারও দরকার ক্ষমতা। প্রধানমন্ত্রী কিংবা রাষ্ট্রপতি হওয়ার স্বপ্নও বিচিত্র নয়। প্রত্যেক স্বপ্নের পেছনে একটা গানও থাকে। যে তিনবেলা পেটপুরে খেতে পারে না তার গানটা খাবারের নিরাপত্তার; তার কাছে ঠিকমতো বেঁচে থাকাই হয়তো স্বপ্ন। যে ভালোভাবে খেতে পারছে তার গান আবার আরেকটা, সে আরও কিছু চায়। স্বপ্নের পেছনের গান তার নিজের অবস্থার ইতিবাচক পরিবর্তন। এর বাইরে কি কোনো স্বপ্ন আছে, কিংবা ভেতরকার কোনো গান? উত্তরটা খুঁজতে হয়তো রাজনীতিবিদদের দ্বারস্থ হতে হবে। Continue reading