Tag Archives: বুদ্ধিবৃত্তি

মেধাসম্পদ ও মেধার মূল্যায়ন

intellectual-property-e1266844349931মানুষের সৃষ্টির সবকিছুর মূলে রয়েছে মেধা। লেখকরা মেধা দিয়ে লেখেন। বিজ্ঞানী-গবেষকরা তা দিয়ে নতুন নতুন আবিষ্কার করেন। শিল্পীরা শিল্পকর্ম রচনা করেন এর মাধ্যমে। ব্যবসায়ী মেধা খাটিয়ে ব্যবসা করেন। কার্টুনিস্ট, ফটোগ্রাফার থেকে শুরু করে মুচি পর্যন্ত প্রত্যেক শ্রেণী-পেশার মানুষ স্ব-স্ব মেধা দিয়েই কাজ করেন। এমনকি শারীরিক শক্তি দিয়ে মানুষ যে কাজ করে, সেখানেও মেধা গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিটি কাজের আলাদা কৌশল রয়েছে। যিনি মাটি কাটেন তিনি এর কৌশল জানেন। মেধা খাটিয়েই তিনি এ কৌশল ব্যবহার করেন।
সব কাজের মধ্যেও বিশেষ কিছু বিষয় রয়েছে, যেগুলো মানুষ সরাসরি মেধার সাহায্যে করে থাকে। যার মাধ্যমে মানুষের সৃজনশীলতা ও উদ্ভাবনী শক্তির প্রমাণ পাওয়া যায়। আজকের বিশ্ব মেধাসম্পদ দিবস আসলে এই সৃজনশীলতা ও সৃষ্টিশীলতাকে উৎসাহিত করার জন্যই পালন করা হয়। Continue reading

শুভেচ্ছা কার্ড

Naboborsha-Card

প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা কার্ডে ব্যবহৃত অটিস্টিক শিশু শিল্পী রিশাত হোসেন’র আঁকা ছবি

বৈশাখ দরজায় কড়া নাড়ছে। বাংলা নববর্ষবরণ করতে চলছে জোর প্রস্তুতি। সংবাদমাধ্যমে ইতিমধ্যেই নানা আয়োজন দেখছি আমরা। এ যে বাঙালির প্রাণের উৎসব। প্রতিবছর পহেলা বৈশাখে মানুষ যেভাবে স্বতঃস্ফূর্ত আনন্দে মেতে ওঠে তা দেখার মতো।
প্রতিটি উৎসব, আনন্দের উপলক্ষ মানুষ তার প্রিয়জনের সঙ্গে ভাগাভাগি করতে চায়। একত্রে কাটাতে চায়। প্রিয় মানুষ, আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধব দূরে থাকলেও তাদের নিমন্ত্রণ করেন। নিমন্ত্রণের সাধারণ ও প্রচলিত মাধ্যমটা বলা চলে কার্ড। বিয়ের কার্ড, ঈদকার্ড, নববর্ষের কার্ডসহ নানা উৎসবে নানা রকম কার্ড উপহার দেয় একে অপরকে। এ কার্ড আগে প্রধানত হাতে হাতে পাঠানো হতো। এখনও সে প্রচলন আছে, তবে ইন্টারনেটের বদৌলতে ফেসবুক কিংবা মেইলেই অনেকে তা পাঠিয়ে থাকেন। যে যেভাবেই দিক সবাই চান তার কার্ডটা সুন্দর হোক। Continue reading

মিলনমেলা বসবে যখন

বববগত বছরের কথা মনে আছে? বাংলা একাডেমীর বইমেলায় প্রবেশ করলেই একটা গান শোনা যেত, ‘অমর একুশে গ্রন্থমেলা, লেখক-পাঠকের মিলনমেলা’। সেই মিলনমেলা ১১ মাস পর আবার দরজায় কড়া নাড়ছে। অনেকের কাছে আসি আসি করছে, অনেকের কাছে আবার এসেও গেছে; হয়তো মেলা জমার কাজটা বাকি। লেখক-প্রকাশকরা বোধ হয় জানুয়ারিকে মেলার অন্তর্ভুক্তই ধরেন। মূল মেলায় বই প্রকাশের যে তাড়া আর ব্যস্ততার মাঝে তারা থাকেন, তাতে মেলা আসা পর্যন্ত অন্য কিছুর দিকে তাকানোর ফুরসত কোথায়, মেলার প্রস্তুতি তো মেলাই বটে। কিন্তু মেলাটা যাদের জন্য জমে সেই পাঠককুলের কাছে আসেনি_ তাও তো নয়। তাদের মানসিক প্রস্তুতিটা ফেলনা নয়। Continue reading

আইকিউ

আইকিউ নিয়ে অনেকের কৌতূহল থাকা অস্বাভাবিক নয়। অলিভিয়ার খবরটা এ কৌতূহলকে আরেকটু উস্কে দেবে নিঃসন্দেহে। সম্প্রতি ডেইলি মেইল সে খবরটি দিয়েছে_ যুক্তরাজ্যের লিভারপুলের অলিভিয়া ম্যানিংয়ের আইকিউ আইনস্টাইন এবং স্টিফেন হকিংয়ের চেয়েও বেশি। তার স্কোর ১৬২। যা কি-না এদের চেয়ে দুই বেশি এবং এটি বিশ্বের ১ শতাংশ শীর্ষ বুদ্ধিমান মানুষের চেয়েও বেশি। অথচ সে ১২ বছরের ছাত্রী। অলিভিয়াকে আবিষ্কার করেছে মেনসা। মেনসা উচ্চ আইকিউধারীদের একটি ফোরাম। যেখানে গোটা পৃথিবীর একশ’রও বেশি দেশের সদস্য রয়েছেন। মেনসা দুটি উপায়ে সদস্য নিয়ে থাকে, অনলাইনে তাদের মেনসা ডট অর্গে (িি.িসবহংধ.ড়ৎম) ৩০ মিনিটের একটি পরীক্ষা দেওয়ার মাধ্যমে। অবার কয়েকটি দেশে মেনসা একটি টেস্টের আয়োজন করে, সেখানে উত্তীর্ণ হয়েও সদস্য হওয়া যায়। অলিভিয়াকে মেনসা তার সদস্য করে নিয়েছে। সে এখন সেলিব্রেটি। তার কাছে প্রতিদিন বিভিন্ন শিক্ষার্থী বাড়ির কাজের জন্য আসে। সেও সবাইকে সহযোগিতা করে। চট করে সব সমাধান করে দিতে পারে। যদিও অলিভিয়া তার স্কোর দেখে নির্বাক। মেইল অনলাইনের ছবিতে অলিভিয়াকে একগাদা বড় বড় বইসমেত দেখা যাচ্ছে।
আইকিউ নিয়ে গবেষণার অন্ত নেই। এই তো সেদিন বিবিসি ফিনল্যান্ডের হেলসিংকি বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষকের তরফে বলছে, যেসব গর্ভবতী মায়ের উচ্চ রক্তচাপ রয়েছে তাদের সন্তানদের আইকিউ কম। এ রকম আরও গবেষণা রয়েছে। যেমন, শাকসবজি খেলে শিশুর আইকিউ বাড়ে আবার ফাস্টফুড খেলে আইকিউ কমে। মজার বিষয় হলো বিজ্ঞানীরা দেখছেন পুরুষের চেয়ে নারীর আইকিউ বেশি। প্রমাণ হিসেবে যেমন এখন অলিভিয়াকে দেখা গেল কয়েক মাস আগে হেইডিকেও দেখলাম। মাত্র চার বছরের শিশু হেইডির খবর দিয়েছিল টেলিগ্রাফ। যার আইকিউ ১৫৯ অর্থাৎ আইনস্টাইন এবং স্টিফেন হকিংদের চেয়ে ১ কম। সে মাত্র এক ঘণ্টায় অক্সফোর্ড রিডিং ট্রি বুকসের ৩০ খণ্ড পড়ে ফেলে। হেইডিও এখন মেনসার সদস্য। Continue reading