Tag Archives: বারাক ওবামা

ট্রাম্পের নোবেল আবদার

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নোবেল পুরস্কার নিয়ে যা বলেছেন, তাকে কেবল আবদারই বলা যায় না বরং নোবেল না পাওয়ায় তিনি একে প্রশ্নবিদ্ধও করেছেন। ট্রাম্প বলেছেন, নোবেল পুরস্কার পক্ষপাতহীন ও সুষ্ঠু হলে অনেক কিছুতেই তিনি নোবেল পেতেন। তিনি আরও বলেছেন, প্রেসিডেন্ট ওবামাকে কেন নোবেল পুরস্কার দেওয়া হলো, তা তিনি নিজেও জানতেন না।

ট্রাম্প বিষয়টি কতটা সিরিয়াসলি বলেছেন, বোঝা মুশকিল। তবে ট্রাম্পের আচরণ আসলে এমনি। তিনি এমন কথা বলবেন, সেই কথায় লোকে হাসছে; অথচ তিনি কিন্তু হয়তো তার মনের কথাই বলে ফেলেছেন। ২০১৭ সালের শেষ দিকে একবার ট্রাম্প বলেছিলেন, তার আইকিউ রেক্স টিলারসন (তার সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী) থেকে বেশি। এমনকি মার্কিন প্রেসিডেন্ট হওয়ারও আগে ২০১৩ সালে তিনি এক টুইটে বলেছিলেন, তার আইকিউ বারাক ওবামা ও জর্জ ডব্লিউ বুশ থেকেও বেশি। আমরা জানি না, ট্রাম্পের আইকিউ বেশি কি-না। তবে কমন সেন্সের বিষয়টি বলাই বাহুল্য। অবশ্য কমন সেন্স বা কাণ্ডজ্ঞানের ব্যাপারটা ট্রাম্পের সঙ্গে কতটা যায়, সেটাই প্রশ্ন। যে বিষয়টিকে আমরা মনে করি, জনসমক্ষে বলা মানায় না, ট্রাম্প সেটা থোড়াই কেয়ার করেন। সেটাকে ট্রাম্পের স্টাইল না বলে রাজনীতি বলাই বোধহয় অধিক যুক্তিযুক্ত। Continue reading

ইউরোপীয় ইউনিয়ন ঐক্যবদ্ধ থাকুক: বারাক ওবামা

EUমার্কিন প্রেসিডেন্ট ফ্রাংকলিন ডি রুজভেল্ট ১৯৩৯ সালে কিং জর্জ সিক্সকে হোয়াইট হাউসে বলেছিলেন, ‘আমি বিশ্বাস করাতে চাই যে, কেবল আমাদের দুই দেশের অবদান সভ্যতায় ও মানবকল্যাণে বিশ্বে অবিস্মরণীয়।’ তিনি আরও বলেছিলেন, ‘আমরা একত্রে আমাদের দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কের মাত্রা দিয়ে এই দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছি।’
প্রায় ৮০ বছর, যুক্তরাজ্য এখনও যুক্তরাষ্ট্রের বন্ধু এবং উভয়ের মিত্রতা অন্য কারও তুলনীয় নয়। আমাদের বিশেষ সম্পর্কের কারণ, আমরা যুদ্ধের ময়দানে পরস্পর রক্ত ঝরিয়েছি। আমাদের সম্পর্ক কাজের মাধ্যমে সুদৃঢ় হয়, ইউরোপের উন্নতি, সমৃদ্ধি ও টেকসই এবং বিশ্বে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের ভিত আমরা তৈরি করেছি। যুদ্ধভস্ম থেকে উত্তরণ ঘটিয়ে পৃথিবীর শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য যেসব প্রতিষ্ঠান ও উদ্যোগ যথাযথ ভূমিকা রাখছে সেগুলো :জাতিসংঘ, ন্যাটো, ব্রেটন উডস, দ্য মার্শাল প্ল্যান এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন। তাদের প্রচেষ্টা গণতন্ত্র প্রাতিষ্ঠানিকীকরণ, মুক্তবাজার অর্থনীতি ও আইনের শাসনে ভূমিকা রেখেছে; সাত দশকেরও বেশি সময়ে ইউরোপের শান্তি ও সমৃদ্ধির রক্ষাকবচ হিসেবে কাজ করেছে।
‘ইউরোপের সমাধিগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের হাজারো মানুষের আত্মা সমৃদ্ধি ও নিরাপত্তার নীরব সাক্ষী।’
আজ আমরা সন্ত্রাস, আগ্রাসন, মাইগ্রেশন ও অর্থনীতির ব্যাপারে পরীক্ষার সম্মুখীন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য যখন একে অন্যের ওপর নির্ভর করতে পারবে, আমাদের বিশেষ সম্পর্ক ও অংশীদারিত্ব যখন বজায় থাকবে, তখনই এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা সম্ভব হবে। লন্ডন সফরের এই সময়ে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন ও আমি এসব চ্যালেঞ্জের ব্যাপারে যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করব। আমাদের লোকদের ওপর সন্ত্রাসী হামলার বিরুদ্ধে আমরা অটল ও অবিচল থাকব। Continue reading