Tag Archives: পাবলিক পরীক্ষা

পঞ্চম শ্রেণির সমাপনী পরীক্ষা স্থায়ীভাবে বন্ধ হোক- ড. কাজী খলীকুজ্জমান আহমদ

পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন ও ঢাকা স্কুল অব ইকোনমিক্সের চেয়ারম্যান ড. কাজী খলীকুজ্জমান আহমদ ২০১০ সালে প্রণীত জাতীয় শিক্ষানীতির কো-চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বাংলাদেশ উন্নয়ন পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতির সভাপতি ছাড়াও তিনি উল্লেখযোগ্য বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে ছিলেন। ষাটের দশকের গোড়ার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতির ছাত্র কাজী খলীকুজ্জমান আহমদ পিএইচডি করেছেন যুক্তরাজ্যের লন্ডন স্কুল অব ইকোনমিক্স অ্যান্ড পলিটিক্যাল সায়েন্স (এলএসই) থেকে। তিনি ২০০৯ সালে দারিদ্র্য বিমোচনে একুশে পদক লাভ করেন এবং ২০১০ সালে সর্বোচ্চ জাতীয় বেসামরিক সম্মাননা স্বাধীনতা পুরস্কারে ভূষিত হন

সমকাল : আপনি ২০১০ সালে প্রণীত জাতীয় শিক্ষানীতির কো-চেয়ারম্যান ছিলেন। পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে সরকার শিক্ষানীতি সংশোধন, পরিমার্জন ও সংযোজনের উদ্যোগ নিয়েছে বলে সম্প্রতি শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন। আপনি বিষয়টি কীভাবে দেখছেন?
কাজী খলীকুজ্জমান আহমদ :সময়ের প্রয়োজনে সবকিছুর পরিবর্তন হতে পারে। শিক্ষানীতির ভূমিকায় আধুনিক মানসম্মত শিক্ষার কথা বলা হয়েছে। যেটি সময়ের দাবি অনুযায়ী, বাস্তবতার নিরিখে পরিমার্জন করা যেতেই পারে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। ২০১০ সালের জাতীয় শিক্ষানীতি প্রণয়নের আগে আমরা যথেষ্ট হোমওয়ার্ক করেছি। আগের সব শিক্ষা কমিশন ও কমিটির প্রতিবেদনগুলো পর্যালোচনা ছাড়াও শিক্ষানীতির সঙ্গে সংশ্নিষ্ট সব অংশীজন যথা শিক্ষক, শিক্ষা ব্যবস্থাপক, প্রশাসক, সংশ্নিষ্ট সংগঠনসহ যতদূর সম্ভব সাধারণ মানুষের সঙ্গেও কথা বলা হয় এবং ওই সময়ের বাস্তবতায় অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং দক্ষ মানবিক ও সামাজিক মূল্যবোধসম্পন্ন জাতি গড়ার লক্ষ্যে শিক্ষানীতি-২০১০ প্রণয়ন করা হয়। এখন যারা শিক্ষা বিষয়ে সরকারে দায়িত্বে আছেন, তারা হয়তো ভাবছেন শিক্ষানীতিটি সংশোধন করা দরকার। তবে মনে রাখা জরুরি, শিক্ষা এমন একটি বিষয়, এ নিয়ে খুব বেশি পরীক্ষা-নিরীক্ষার সুযোগ নেই। কারণ সে ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের মধ্যে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি হয়। ধারাবাহিকতা বজায় রেখে কার্যকর ব্যবস্থার মাধ্যমে মানসম্পন্ন শিক্ষা নিশ্চিত করা জরুরি। Continue reading

প্রশ্ন ফাঁস: গোড়ার বদলে আগায় পানি ঢালা?

Question-outবিভিন্ন পরীক্ষায় প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনা নতুন নয়। তবে এবারের এইচএসসি পরীক্ষায় প্রশ্ন ফাঁসের ধারা নতুনই বলতে হবে। আগের সব রেকর্ড ছাপিয়ে প্রায় প্রতিটি পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগ উঠেছে। কর্তৃপক্ষ সব অভিযোগ নাকচ করলেও ইংরেজি দ্বিতীয়পত্রে ব্যবস্থা না নিয়ে পারেনি। পরীক্ষাটি ১০ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও তা স্থগিত করতে বাধ্য হয়। কর্তৃপক্ষ অন্যান্য পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসের বিষয় উড়িয়ে দিয়ে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ না করলেও অভিযোগ যে সত্য তা সংশ্লিষ্টদের জানার বাকি নেই। শ্রদ্ধেয় জাফর ইকবাল স্যার কয়েক বিষয়ে তা প্রমাণসহ সংবাদমাধ্যমে পাঠিয়েছেন এবং সেটা প্রকাশও হয়েছে। সর্বশেষ ২৫ মে অনুষ্ঠিত গণিত (তত্ত্বীয়) পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগ ওঠে আগের দিনই। এ নিয়ে আগের দিন বুয়েটে প্রতিবাদও হয়। সংবাদমাধ্যম বিষয়টি ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের নজরে আনলেও এ ধরনের কোনো অভিযোগ পাননি বলে উড়িয়ে দেন। অথচ বাস্তবে সেসব প্রশ্ন মিলে গেছে।

প্রশ্ন ফঁাসের বিষয়ে শুরু থেকেই কর্তৃপক্ষের এ ধরনের চোখ বন্ধ করা ভাব যতটা বিস্ময়কর তার চেয়েও অদ্ভুত এ প্রশ্ন ফাঁস ঠেকানোর সুপারিশ। Continue reading