Tag Archives: ঢাকা শহর

বায়ুদূষণ রোধে স্কুলে ফেস মাস্ক

শিশুর ফুসফুসের ‘কার্যকারিতা কমাচ্ছে’ ঢাকার বায়ুদূষণ

ঢাকার মতো শহরে যাদের বাস তারা কি প্রাণভরে শ্বাস নিতে পারেন? বায়ুদূষণে যে শহরের মানুষ বিপর্যস্ত। শিশুরা বিপর্যস্ত। প্রতিবেদন বলছে, বায়ুদূষণের দিক থেকে এশিয়ার দ্বিতীয় শহর ঢাকা। সেখানে আমরা কীভাবে শ্বাস নেব? অথচ এ দূষণ থেকে বাঁচতে পদক্ষেপ যৎসামান্য। শিশুদের বাঁচাতেও আমরা নির্বিকার। এ ব্যাপারে অন্তত খোঁজ নেওয়া যায় অন্যরা কী করছে। উন্নত বিশ্বে যেখানে বায়ুদূষণ বেশি, সেখানে তারা কী ধরনের ব্যবস্থা নিচ্ছে। এ ক্ষেত্রে ইংল্যান্ডের স্কুলের একটি পদক্ষেপ আমাদের জন্য প্রাসঙ্গিক। ৩১ মার্চ বিবিসির একটি প্রতিবেদন দেখাচ্ছে, বায়ুদূষণ থেকে বাঁচতে লন্ডনের একটি প্রাইমারি স্কুল অভিভাবকদের তাদের সন্তানের জন্য ফেস মাস্ক কিনতে বলেছে। সেখানকার হিসাব বলছে, লন্ডনের প্রায় ৪৫০টি স্কুল বায়ুদূষণ অনিরাপদ অবস্থায় পেঁৗছেছে। শিক্ষার্থীদের বায়ুদূষণ থেকে নিরাপদ করতে পাইলট প্রকল্প হিসেবে স্কুল কর্তৃপক্ষ শিক্ষার্থীদের ফেস মাস্ক ব্যবহার করার নির্দেশনা দেয়। এ নির্দেশনা বাস্তবায়নে স্কুলগুলো অভিভাবকদের ডেকে বিশেষজ্ঞদের মাধ্যমে বায়ুদূষণের ক্ষতিকর প্রভাব ও ফেস মাস্ক ব্যবহারের গুরুত্ব নিয়ে বিশেষ বক্তৃতা প্রদান করবে। এমনকি স্কুলগুলো বায়ুদূষণের ব্যাপারে মেয়র অফিসের সঙ্গে কাজ করবে বলেও বলছে প্রতিবেদনটি। Continue reading

শতাব্দীর প্রশ্ন ও মন্ত্রীর জবাব

Shatabdi-Bus-Obaidul-qader

স্কুলে যাওয়ার বাস পেলেন শতাব্দী

শতাব্দী জায়গামতোই প্রশ্নটি করেছিল। শনিবার শতাব্দীর সে প্রশ্ন সংবাদমাধ্যম ছাপিয়ে ছড়িয়ে পড়েছিল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। রোববার সমকালসহ অন্যান্য সংবাদপত্রের মাধ্যমে তা অন্যদের কাছেও পেঁৗছে যাওয়ার কথা। ‘মিনিস্টার, আই হ্যাভ এ কোয়েশ্চেন’-এর মাধ্যমে শতাব্দী কেবল তার প্রশ্নটিই তুলে ধরেনি বরং ভোগান্তির শিকার আরও অনেকের কথাই সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের কাছে তুলে ধরেছে।
ঢাকা সেনানিবাসে অবস্থিত শহীদ রমিজ উদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট স্কুলের দশম শ্রেণীর শিক্ষার্থী শামসুন নাহার শতাব্দীর ক্ষোভ হয়তো অনেক দিনের; হয়তো এ দিনটির জন্যই সে অপেক্ষা করেছিল। শনিবার দুপুরে স্কুল শেষে শতাব্দী যখন বাস না পেয়ে হাঁটছিল তখনি মন্ত্রীর সঙ্গে তার আচমকা সাক্ষাৎ। মন্ত্রী তখন মিটার ছাড়া সিএনজি অটোরিকশা ও ফিটনেসবিহীন গাড়ির বিরুদ্ধে অভিযান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তর দিচ্ছিলেন। শতাব্দী হয়তো ভেবেছিল এটাই মোক্ষম সুযোগ। সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই তাই মন্ত্রীকে ইংরেজিতে জানাল, তারও একটা প্রশ্ন আছে। Continue reading

মামা সংস্কৃতি!

চলতে-ফিরতে বিশেষ করে বর্তমান প্রজন্মের মুখে সম্বোধনে বহুল ব্যবহৃত যে শব্দটি শোনা যায়, তা মামা। রিকশা-গাড়িচালক, দোকানদার, হোটেল বয় থেকে শুরু করে বন্ধু-বান্ধবও একে অপরকে মামা ডাকছে অবলীলায়। বয়সের ভেদ নেই, পেশার বালাই নেই, রক্তের সম্পর্ক নেই, পরিচিত হওয়ার ব্যাপার নেই_ যেন গণ-মামা। যাদের ডাকছে তারাও সাড়া দিয়ে যাচ্ছেন। কোনো বিকার নেই। অনেকে সম্বোধনকারীকেও মামাই বলছেন। সম্প্রতি এক ভিক্ষুকের কাছ থেকেও শোনা গেল_ ‘দিয়া যান মামা।’ এ এক অদ্ভুত ব্যাপার! সহপাঠীর সঙ্গে আড্ডা-আলোচনায়ও মামার প্রাধান্য। আজকাল টিভি নাটক, বিজ্ঞাপন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও দেখা যায় বন্ধু তার বন্ধুকে বলছে, জোস হইছে মামা। দেখাদেখি অন্যরাও শিখছেন। রিকশাওয়ালা সে রকম যাত্রী পেলে বলছেন, ‘যাবেন নাকি মামা?’ মামা যেন একটা সংস্কৃতিতে পরিণত হয়েছে। কীভাবে এ মামা আমাদের প্রাত্যহিক জীবনের অংশ হয়ে উঠল তা এক গবেষণার বিষয়।
মায়ের ভাই হন মামা। মামা-ভাগ্নের সম্পর্ক হয়তো বন্ধুত্বপূর্ণ। মামার সঙ্গে সময়ে সময়ে ঠাট্টা-মশকরাও করা যায়। মামারা ভাগ্নেদের অনেক ‘গোপন’ ব্যাপারে নাকি সাহায্যও করেন। তাই বলে বন্ধুকেও মামা বলতে হবে! গণভাবে যাকে-তাকে মামা বলারই-বা হেতু কী! Continue reading

গণপরিবহন ও জনজীবন

Dhakaবাসস্ট্যান্ডে দাঁড়িয়ে আছেন। অগণিত যাত্রী। চাতক পাখির মতো একটা বাসের অপেক্ষা। বাস আসবে। সবাই উঠবে। কিন্তু কোথায় কি! বাস আসছে। দিব্যি দরজা বন্ধ করে আছে। বাইরের অপেক্ষমাণ মানুষের আকুতি শোনার সময় নেই। আসলে পর্যাপ্ত যাত্রী আগেই তোলা হয়ে গেছে। আবার অপেক্ষার পালা। বাস আসে। দাঁড়ায় না কেউই। এবার বুঝি প্রতীক্ষার প্রহর শেষ হবে। কিন্তু বাসের দরজার বাইরেও ঝুলছে যাত্রী। যাত্রী নামবে দু’জন। উঠার জন্য অন্তত ২০ জনের হুমড়ি খেয়ে পড়া। অতঃপর ধাক্কিয়ে পাঁচজনের ওঠা। আপনিও তাদের একজন। কোনোমতে ঝুলে যাচ্ছেন। সময়মতো অফিস ধরতে হবে। কিংবা অফিস শেষে সারাদিনের ক্লান্তি নিয়ে বাসায় ফিরবেন। ঝুলতে ঝুলতে একসময় জায়গা পেলেন বাসের মেঝেতে। দাঁড়িয়ে আছেন। ধীরে ধীরে মানুষ নামছে। অনেক পরে একটা সিটের দেখা পেলেন। বসে হাঁফ ছেড়ে বাঁচলেন। জীবন বুঝি এমনই। পৃথিবীতে কোথাও নিজের জায়গা করার উদাহরণটা যেন ঢাকার বাসে জায়গা পাওয়ার সঙ্গে মিলে যায়। যেখানে আপনার প্রবেশ কষ্টসাধ্য সেখানে অনেক কষ্টে আপনাকে কোনোমতে দাঁড়াতে হবে, তারপর ধীরে ধীরে সেখানে আপনার জায়গা হবে। Continue reading

উৎসবের ‘রেস’ ও রেশ

eid-dhaka-2উৎসব অল্প সময়ের। আয়োজন অনেক দিনের। আর অপেক্ষার দৈর্ঘ্য আরও বেশি। এক উৎসব গেলে তার রেশ থাকে কিছুদিন। এরপর সবাই অপেক্ষা করে আরেকটার জন্য। কাছাকাছি এলে চলে তার প্রস্তুতি। উৎসব আয়োজনে সবাই পছন্দের পোশাক ক্রয় করে। ব্যবসায়ীরা প্রস্তুত থাকেন গ্রাহকের চাহিদামতো জিনিসের জোগান দিতে। মানুষ নাড়ির টানে ঘরে ফেরে। এ সময় সবার মাঝে যেমন একটা উৎসব উৎসব ভাব থাকে, তেমনি থাকে প্রতিযোগিতাও। কে কত বেশি কিনবে; কে কত আগে বাড়ি যাবে; কার পোশাক কত দামি হবে ইত্যাদি নিয়ে প্রকাশ্যে-অপ্রকাশ্যে চলে প্রতিযোগিতা। অনেকে আবার নিজের পোশাকটি আগে থেকে অন্যদের দেখাতে চায় না। ঈদের দিন হয়তো চমকে দেবে এ আশায়।
আমাদের অন্যতম উৎসব ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহায় ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সবাই ছুটি পান। এ সময় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বেশি ছুটি থাকলেও সরকারিভাবে তিন দিনের ছুটি থাকে। নগরের অনেক মানুষ ছুটি কাটা Continue reading

চুইংগাম এবং ঢাকা

Dhaka-skyscrapersসমস্যাসংকুল ঢাকার মডেল শহর কোনটি? এবারের সিটি নির্বাচনে প্রত্যাশিত শহর হিসেবে কোনো কোনো প্রার্থী সিঙ্গাপুরের কথা বলেছেন। যদিও আমাদের বাস্তবতায় সিঙ্গাপুর হওয়া কতটা সম্ভব, সে প্রশ্ন থাকাই স্বাভাবিক। কথা হলো, বিশ্বের এত এত উন্নত শহর থাকতে সিঙ্গাপুর কেন? সত্যিকার অর্থে, কিছু বৈশিষ্ট্য বিশ্বের অন্য অনেক শহরের তুলনায় সিঙ্গাপুরকে বিশেষ স্থান দিয়েছে। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন, সৌন্দর্য, নাগরিক সুবিধা হয়তো অনেক শহরেই রয়েছে। সিঙ্গাপুরে এর চেয়ে বেশি কিছু রয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম বিষয়, সেখানে চুইংগাম নিষিদ্ধ। গত ২৩ মার্চ আধুনিক সিঙ্গাপুরের রূপকার লি কুয়ান ইউর মৃত্যুর পর ২৮ মার্চ বিবিসি ম্যাগাজিনে হোয়াই সিঙ্গাপুর ব্যানড চুইংগাম শিরোনামের প্রতিবেদনে বিষয়টি উঠে আসে। আমাদের কাছে চুইংগাম খুবই সাধারণ বিষয় হলেও এটি নিষিদ্ধ হওয়ার নিগূঢ় কারণটা লি কুয়ানের তরফে এনেছে বিবিসি। Continue reading

ট্রেনযাত্রায় প্রকৃতির কাছে

Riverএবারের ১৪ এপ্রিল, পহেলা বৈশাখে কর্মব্যস্ত নগরজীবনের বাইরে প্রাকৃতিক পরিবেশে কাটানোর অসাধারণ অভিজ্ঞতা স্মৃতিতে রাখতেই এ ক্ষুদ্র প্রয়াস। যদিও একদিনের তারপরও এটি সার্বজনীন ছুটি। মানে ১৬ ডিসেম্বর কিংবা ২৬ মার্চের মত দিনে সংবাদপত্র খোলা থাকলেও এদিন বন্ধ। পহেলা বৈশাখের ৪/৫ দিন আগ থেকেই চিন্তা করছিলাম, একদিনের জন্য বাইরে কোথায় যাওয়া যায়। ঢাকার আশেপাশে কয়েকটা জায়গার কথা মাথায় আসলো- নারায়নগঞ্জের সোনারগাঁও, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ও মাওয়া ঘাট তার অন্যতম। এই চিন্তার সঙ্গে মনে মনে বুয়েটের বন্ধু জাহের ওয়াসিম ভাইকে যোগ করে নিলাম। ওয়াসিম ভাই আমার একটু-আধটু ঘুরাঘুরির অধিকাংশ সময়ের সঙ্গী হিসেবে। কিন্তু চারদিন আগে যখন তিনি গ্রামের বাড়ি গেলেন অনিচ্ছা সত্ত্বেও তাকে বাদ দিতে হল। তবে ঘুরাঘুরি আসলে একাকী হয় না সেভাবে। পরে লেখক বড়ভাই বন্ধু সোহেল নওরোজকে বললাম ঢাকার বাইরে যাইতে মন চায়। উনি খুলনা থাকেন। স্বাভাবিকভাবেই বললেন, খুলনা চলে আসো। বললাম, ইচ্ছা থাকলেও একদিনের ছুটি বলে খুলনা যাওয়া যাচ্ছে না। Continue reading

ইন্টারনেটে নির্বাচনী প্রচারণা

election-online-campaignইন্টারনেট ব্যক্তিগত প্রচার-প্রচারণাকে ছাড়িয়ে দুনিয়াজুড়ে নানা নির্বাচনেও প্রচারণার অন্যতম মাধ্যম হয়ে উঠেছে। মানুষের কাছে পেঁৗছানোর জন্য এর চেয়ে সহজ ও সাশ্রয়ী উপায় আর কোনটি? মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ উন্নত বিশ্বের সাম্প্রতিক নির্বাচনগুলোতে ইন্টারনেটে ব্যাপক প্রচারণা দেখা গেছে। সেখানে ইন্টারনেট ব্যবহারকারী বেশি হওয়ায় এটাই স্বাভাবিক। আমাদের দেশেও বিভিন্ন নির্বাচনে সে ধারা চালু হয়েছে। এখানে দিন দিন বাড়ছে ইন্টারনেট ব্যবহারকারী। Continue reading

রঙিন রিকশা

Rickshaw-1রঙিন বিশেষণযোগে ‘রঙিন স্বপ্ন’ স্বপ্নের চেয়ে বিশেষ কিছু কিনা জানা নেই। তবে রঙিনে রাঙায়িত যে কোনো জিনিস যে তার চেয়েও বেশি কিছু তা বলার অপেক্ষা রাখে না। রঙিন ঘুড়ি বললে হয়তো একটা চকচকে ঘুড়ির কথা চিন্তা করা যায়, যেটি তৈরি করতে কয়েকটি রঙ ব্যবহার করা হয়েছে। তবে রঙিন সময় বললে সেখানে সত্যিকার রঙ পাওয়া যাবে না সত্য, কিন্তু এটা যে সময়ের চেয়ে মধুর কিছু তাও ব্যাখ্যার প্রয়োজন পড়ে না। ১৯ জানুয়ারি বিবিসিতে প্রকাশিত ‘পেইন্টিং বালাদেশ’জ কালারফুল রিকশজ’ নামক প্রতিবেদনটিতে যে রঙিন রিকশার কথা বলা হয়েছে তা আমাদেরই তিন চাকার প্রিয় বাহন। যেখানে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে লাখ লাখ মানুষ প্রতিদিন চলতে-ফিরতে রিকশা ব্যবহার করে। আর ঢাকা হলো বিশ্বের রিকশার রাজধানী শহর। Continue reading

পাঠ্যসূচিতে সাঁতার

Children_swimming_in_Bangladeshসাঁতার কাটা কেবল ভালো ব্যায়ামই নয় নিরাপত্তার জন্যও এটি আবশ্যক। সাঁতারের জন্য প্রয়োজন পানির আঁধার, বিশেষ করে নদী-নালা, খাল-বিল, পুকুর-দীঘি কিংবা সুইমিংপুলের। গ্রামের মানুষের জন্য এদের অধিকাংশই পাওয়া সহজ। গ্রামের প্রতিটি বাড়িতেই পুকুর থাকে। কোথাও কোথাও থাকে দীঘি। অনেক গ্রামের পাশে আবার নদীও রয়েছে। যেখানে সবাই গোসলসহ গৃহস্থালির সব কাজকর্ম সম্পাদন করেন। ফলে গ্রামে বেড়ে ওঠা প্রায় প্রতিটি শিশুর ছোটবেলা থেকেই পানির সঙ্গে সখ্য গড়ে ওঠে এবং অনেকে দ্রুত সাঁতারও শেখে। শহরের চিত্র অবশ্য ভিন্ন। সেখানে সাঁতার কাটার মতো অবস্থা নেই। শহরের মানুষের সামর্থ্য অনুযায়ী সুইমিংপুলও পর্যাপ্ত নয়। স্কুলগুলোতে তো সুইমিংপুলের কথা চিন্তাও করা যায় না। সেখানে শিশুরা সাঁতার শিখবে কীভাবে! এ বিষয়ে আমাদের কারিকুলামে যে জোর দেওয়া প্রয়োজন তা-ও নেই। বিশেষ গবেষণা তো দূরের কথা। ইংল্যান্ডে এ রকম এক গবেষণার কথাই বলছে সে দেশের সংবাদপত্র গার্ডিয়ান। Continue reading