Tag Archives: জীবন যুদ্ধ

… ছাড়া চলেই না!

শূন্যস্থানে হয়তো অনেক কিছুই বসানো যাবে। সত্যিকারার্থেই এমন কিছু বিষয় রয়েছে যেগুলো ছাড়া চলে না। যেমন বাঁচতে হলে খেতে হবে, ঘুমাতে হবে, পোশাক লাগবে, থাকার ব্যবস্থা লাগবে। কিন্তু দিন দিন এমন বিষয়ও অনেকের আবশ্যকীয় তালিকায় চলে এসেছে, যেটা হয়তো কিছু দিন আগেও নিত্যব্যবহার্য ছিল না। এখন সেসব ছাড়া যেন চলেই না। অনেকের ফেসবুক ছাড়া চলে না। কারও সবসময় ইন্টারনেট লাগবেই। মোবাইল ছাড়াও যে অচল। ব্রিটিশ দৈনিক গার্ডিয়ান অনলাইনের লাইফ অ্যান্ড স্টাইল বিভাগে ‘হোয়াট আই এম রিয়েলি থিংকিং’_ সতিকারার্থেই ‘আমি কী ভাবছি’ শিরোনামে অনুবিভাগটি দেখছি আর আমাদের সাধারণ কিছু না থাকার ‘অসাধারণ’ অভিব্যক্তির কথা ভাবছি।

আসলে তথ্যপ্রযুক্তিসহ কিছু বিষয়ের ওপর মানুষ এত বেশি নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে যে, এগুলো অল্পসময় হাতছাড়া হলেও যেন কী অস্বস্তি। হয়তো আপনি বাজারে এসেছেন অল্প সময়ের জন্য, মোবাইলটি আনতে ভুলে গেছেন। সারা পথ কিংবা যতক্ষণই বাজারে থাকছেন আপনার মনে হচ্ছে গুরুত্বপূর্ণ কিছু নেই বা মারাত্মক ভুল করে ফেলেছেন, ভুল করার জন্য আফসোসের শেষ নেই। আবার ধরুন, কারিগরি ত্রুটির কারণে ইন্টারনেট নেই। মনে হবে যেন ইন্টারনেট না থাকার কারণে সব কাজ আটকে আছে। ইন্টারনেট ছাড়া যেন এক মূহুর্তও চলে না। বিদ্যুতের অবস্থাও তথৈবচ। বিদ্যুৎ না থাকলে তো নগরজীবন অচল। Continue reading

নীরব ছবি, সরব উপস্থিতি

ওমরান নির্বিকার। কিন্তু তার ছবি সরব হয়ে ঘুরছে দেশে দেশে, অন্তর্জ্বালে নানা মানুষের টাইমলাইনে

ওমরান নির্বিকার। কিন্তু তার ছবি সরব হয়ে ঘুরছে দেশে দেশে, অন্তর্জ্বালে নানা মানুষের টাইমলাইনে

শান্ত জিনিসই বুঝি মানুষকে বেশি নাড়া দেয়; সমুদ্রতীরে পড়ে থাকা আইলান কুর্দির নিথর দেহ নাড়া দিয়েছিল বিশ্বকে। এখন নাড়া দিয়েছে নিস্তব্ধ ওমরান দাকনিশের ছবিটি। পাঁচ বছরের শিশু ওমরান একটি অ্যাম্বুলেন্সে বসে আছে। মাথা বেয়ে রক্ত পড়ছে। ধূলি-ধূসরিত গা। মুখের ওপর রক্ত জমাট বাঁধা। ওমরান নির্বিকার। কিন্তু তার ছবি সরব হয়ে ঘুরছে দেশে দেশে, অন্তর্জ্বালে নানা মানুষের টাইমলাইনে।
ওমরান যে যুদ্ধকবলিত সিরিয়ার শিশু, ছবিই সে প্রমাণ দিচ্ছে। সেখানকার আলেপ্পো শহরে তাদের বাস। বুধবার (১৭ আগস্ট) বিমান হামলায় তাদের বাসরত বাড়ি বিধ্বস্ত হয়। ধ্বংসস্তূপ থেকে ওমরানকে উদ্ধার করে বসানো হয় অ্যাম্বুলেন্সের চেয়ারে। সে ঘটনায় ওমরানের প্রায় পুরো পরিবার আহত হয়। এমনকি আহত হওয়া ওমরানের বড় ভাই আলির মৃত্যু হয় শনিবার। আলিও শিশু, ওমরানের চেয়ে মাত্র পাঁচ বছরের বড়। Continue reading

শিক্ষকদের সৃজনশীল হওয়ার পথ কেন রুদ্ধ

শিক্ষকদের যখন আন্দোলনে মাঠে থাকতে হয় তখন সৃজনশীল নিয়ে আলাদা সময় বের করার ফুরসত কোথায়?

শিক্ষকদের যখন আন্দোলনে মাঠে থাকতে হয় তখন সৃজনশীল নিয়ে আলাদা সময় বের করার ফুরসত কোথায়?

শিরোনামের প্রশ্নটি লেখকের মতো হয়তো অনেকেরই। বিশেষ করে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে যখন উঠে এসেছে, দেশের প্রায় ৪১ শতাংশ মাধ্যমিক বিদ্যালয় সৃজনশীল পদ্ধতির প্রশ্নপত্র তৈরি করতে পারে না, তখন স্বাভাবিকভাবেই শিক্ষকদের ব্যর্থতা সামনে আসছে। বাস্তবে শিক্ষকদের এ ব্যর্থতার পেছনে যে কিছু কারণ রয়েছে, যেগুলো সত্যিকার অর্থে শিক্ষকদের সৃজনশীল হতে বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে, তা দেখার বিষয়।
বলা প্রয়োজন, গতানুগতিক ধারা থেকে বেরিয়ে এসে শিক্ষায় নতুন পদ্ধতি চালুর দাবি ছিল অনেক দিনের। বিশেষ করে আমাদের শিক্ষাব্যবস্থার ঘাড়ে যখন কোচিং-নোট-গাইডের মতো ছায়া শিক্ষা চেপে বসছিল, তখন দেশের শিক্ষাবিদদের সহযোগিতায় সরকার চালু করে সৃজনশীল পদ্ধতি। এ পদ্ধতি চালু হওয়ার সময় প্রত্যাশা করা হয়েছিল, দেশ থেকে কোচিং-নোট-গাইড উচ্ছেদ হবে, মুখস্থবিদ্যার বাইরে শিক্ষক-শিক্ষার্থী সৃজনশীল হবে, শিক্ষাব্যবস্থার মানোন্নয়ন ঘটবে। যদিও ২০০৮ সালে চালু হওয়া সৃজনশীল পদ্ধতির আজকের বাস্তবতা সংশ্লিষ্টদের অজানা নয়। কোচিং-নোট-গাইডও সৃজনশীল (!) হয়ে দিব্যি চলছে। কাগজে-কলমে খোদ প্রশাসনের প্রতিবেদনেও তার দুরবস্থার চিত্র সংবাদমাধ্যমে এসেছে। Continue reading

পায়ে কলম, মনে জোর

writing-legবিভিন্ন পরীক্ষার মাধ্যমে প্রতিবছর বিচিত্র অদম্য শিক্ষার্থীর কথা সংবাদমাধ্যমে আসে। যারা শারীরিক নানা প্রতিবন্ধকতা জয় করে পড়াশোনা চালিয়ে যাচ্ছেন। কারও হাত নেই, পরীক্ষা দিচ্ছেন মুখ দিয়ে; কারও হাত অচল, লিখছেন পা দিয়ে। মনের জোরে তারা হাতের বাধা দূর করেছেন। যদিও মুখ দিয়ে কিংবা পা দিয়ে লেখা কঠিন কাজ। তার ওপর দীর্ঘ সময় ধরে পরীক্ষা দেওয়া আরও দুঃসাধ্য। এর জন্য নিঃসন্দেহে অনেক দিনের অনুশীলনের প্রয়োজন। অথচ শিক্ষার জন্য এ কঠিন কাজ তারা অনায়াস সাধ্য করেছেন। এমনকি স্বাভাবিক হাত দিয়ে যারা পরীক্ষা দিচ্ছেন তাদের সঙ্গে বসেই পরীক্ষা দিচ্ছেন। তাদের এ সংগ্রাম সবার জন্য অনুপ্রেরণার।
সারাদেশে অষ্টম শ্রেণীর জেএসসি ও সমমানের পরীক্ষা চলছে। একাধিক সংবাদমাধ্যম শেরপুরের সুরাইয়ার কথা বলেছে। যার দুই হাত অচল; কলম ধরার ক্ষমতা নেই। ঘাড় খানিকটা বাঁকা; সোজা করার সামর্থ্য নেই। সুরাইয়া বিশেষ টেবিলে বসে পা দিয়েই জেএসসি পরীক্ষা দিচ্ছে। এর আগে এভাবে পরীক্ষা দিয়েই সে প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে। একইভাবে মানিকগঞ্জের রুবেল ও পটুয়াখালীর বেলালের খবরও সংবাদমাধ্যমে এসেছে। তারা উভয়ে যথাক্রমে জেএসসি ও জেডিসি পরীক্ষা দিচ্ছে। তাদের কারও হাত নেই। পা দিয়ে পরীক্ষা দিচ্ছে। Continue reading

গণপরিবহন ও জনজীবন

Dhakaবাসস্ট্যান্ডে দাঁড়িয়ে আছেন। অগণিত যাত্রী। চাতক পাখির মতো একটা বাসের অপেক্ষা। বাস আসবে। সবাই উঠবে। কিন্তু কোথায় কি! বাস আসছে। দিব্যি দরজা বন্ধ করে আছে। বাইরের অপেক্ষমাণ মানুষের আকুতি শোনার সময় নেই। আসলে পর্যাপ্ত যাত্রী আগেই তোলা হয়ে গেছে। আবার অপেক্ষার পালা। বাস আসে। দাঁড়ায় না কেউই। এবার বুঝি প্রতীক্ষার প্রহর শেষ হবে। কিন্তু বাসের দরজার বাইরেও ঝুলছে যাত্রী। যাত্রী নামবে দু’জন। উঠার জন্য অন্তত ২০ জনের হুমড়ি খেয়ে পড়া। অতঃপর ধাক্কিয়ে পাঁচজনের ওঠা। আপনিও তাদের একজন। কোনোমতে ঝুলে যাচ্ছেন। সময়মতো অফিস ধরতে হবে। কিংবা অফিস শেষে সারাদিনের ক্লান্তি নিয়ে বাসায় ফিরবেন। ঝুলতে ঝুলতে একসময় জায়গা পেলেন বাসের মেঝেতে। দাঁড়িয়ে আছেন। ধীরে ধীরে মানুষ নামছে। অনেক পরে একটা সিটের দেখা পেলেন। বসে হাঁফ ছেড়ে বাঁচলেন। জীবন বুঝি এমনই। পৃথিবীতে কোথাও নিজের জায়গা করার উদাহরণটা যেন ঢাকার বাসে জায়গা পাওয়ার সঙ্গে মিলে যায়। যেখানে আপনার প্রবেশ কষ্টসাধ্য সেখানে অনেক কষ্টে আপনাকে কোনোমতে দাঁড়াতে হবে, তারপর ধীরে ধীরে সেখানে আপনার জায়গা হবে। Continue reading

বইয়ের আশ্রয়ের খোঁজে!

Bookকখনও কখনও পত্রিকার সংবাদের চেয়ে সংবাদসংশ্লিষ্ট ছবি হৃদয়গ্রাহী হয়। পড়ার চেয়ে চোখে দেখে ঘটনার বাস্তবতা বোঝা সহজ হয়। সোমবার সমকালের লোকালয়ে প্রকাশিত সংবাদসংশ্লিষ্ট এই ছবি তার প্রমাণ। ছবিটি দেখাচ্ছে, একটি শিশু বুকসমেত পানি ডিঙিয়ে যাচ্ছে, তার হাতে বই। পানি বুকের ওপর উঠলেও বই ভিজতে দেয়নি। দুই হাতে বই উঁচিয়ে ধরে আছে শিশুটি।
বগুড়ায় যমুনা নদীর পানি বাড়ায় সেখানকার সারিয়াকান্দির নতুন এলাকা প্লাবিত হয়ে গেছে। পানিবন্দি হয়ে পড়েছে সেখানকার মানুষ। পানি যেমন মানুষের বসতবাড়িতে উঠেছে, স্বাভাবিকভাবেই সেখানকার বিদ্যালয়ও রক্ষা পায়নি। ফলে প্রশাসন সেখানে শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ রেখেছে এক সপ্তাহের জন্য। কিছু বিদ্যালয়ের ক্লাস কাছাকাছি বাঁধের ধারে নিয়ে আসা হয়েছে। তবে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি কম। চারদিকে পথঘাট ডুবে যাওয়ায় তাদের পক্ষে ক্লাস করা অসম্ভব হয়ে পড়েছে। কোনো কোনো বিদ্যালয়ে অবশ্য পানি ওঠেনি, সেখানে আশ্রয় নিয়েছে পানিবন্দি অনেক পরিবার। ছবিটি সে এলাকার। ক্যাপশন বলছে, ঘরে পানি ওঠায় শিশুটির বই ভিজে গেছে। বইয়ের আর ক্ষতি যাতে না হয় তাই সেগুলো দুই হাত উঁচিয়ে ধরে কোনো নিরাপদ আশ্রয়ে যাচ্ছে। Continue reading

স্মৃতির টাইম মেশিন

Memory-মানুষের জীবনে প্রতিনিয়ত নানা ঘটনা ঘটে। কোনোটা এমনি মনে থাকার মতো। কোনোটা মনে রাখতে সবাই লিখে রাখে। কোনোটা মনে রাখার চেষ্টা করে। আবার কোনোটা হারিয়ে যায়। মানুষের স্মৃতি অনেকটা টাইম মেশিনের মতো। যত বুড়োই হোক পেছনে ফিরে তাকালে অনেক কিছুই অনায়াসে ভেসে ওঠে মনের আয়নায়। ছোটবেলায় কোন রঙের কাপড় পরতেন তা কারও মনে না-ও থাকতে পারে। কিন্তু ছোটবেলার স্কুলের কথা তার ঠিকই মনে হবে। এ রকম জীবনের প্রত্যেকটি ধাপের গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা সবারই মনে থাকবে। মনে থাকবে ছোটবেলার বন্ধু-বান্ধবের কথা। নিজ বাড়িটার কথা। কোথায় কোথায় ছিলেন ইত্যাদি। একইসঙ্গে কারও সময়কে সঙ্গে নিয়েও টাইম মেশিনের মাধ্যমে যে কেউ ফিরে যেতে পারেন অতীতে। এই সময় তিনি এখানে ছিলেন। তারপর পাঁচ বছর আরেক জায়গায়। এরপর অন্যখানে। এভাবে মনে মনে হয়তো একটা জীবনীগ্রন্থও দাঁড় করিয়ে ফেলতে পারেন। Continue reading

ঢাবির ছারপোকা

du_bedbug_campaignছারপোকা খবরের অনুষঙ্গ হিসেবে সংবাদমাধ্যমে নানা সময়ে হাজির হয়। বিভিন্ন সময়ে দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগ সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদনে ছারপোকা প্রসঙ্গ এসেছে। তবে এবারের খবরটি ব্যতিক্রমই বলতে হবে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এসএম হলের আবাসিক শিক্ষার্থী হিসেবে ছারপোকার বিরুদ্ধে অভিযানের অভিজ্ঞতা আমাদের রয়েছে। এখন খবর বলছে, হল কর্তৃপক্ষ এ অভিযানে নেমেছে। এটা বলার অপেক্ষা রাখে না, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হল ও শিক্ষার্থী নিবাসে ছারপোকার উৎপাত কতটা রয়েছে। সারাদিনের ক্লান্তি নিয়ে ঘুমুতে গিয়ে রক্তচোষা ছারপোকার তীক্ষষ্ট কামড় কতটা বেদনাদায়ক তা ভুক্তভোগী মাত্রই জানেন। সে ছারপোকার বিরুদ্ধে স্বয়ং হল কর্তৃপক্ষের উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের জন্য নিশ্চয়ই স্বস্তির খবর! Continue reading

‘ওভার স্মার্ট’ ভর্তি ব্যবস্থার সংকট

College-Admissionস্মার্ট ভর্তি পদ্ধতির কথা শুনে সবার ভালো লাগারই কথা। বাস্তবে এর নামে এবারের এইচএসসি ও সমমানের ভর্তি নিয়ে যা হয়েছে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। ভুলেরও একটা সীমা থাকে। কারিগরি জটিলতা কাটিয়ে নির্দিষ্ট সময়ের চার দিন পর (২৮ জুন) প্রকাশিত প্রথম মেধা তালিকায় দেখা গেল_ মেয়েদের কলেজে ছেলেদের নাম, মানবিকের শিক্ষার্থী বিজ্ঞানে, কম জিপিএ পেয়ে ভালো কলেজে ভর্তি আর জিপিএ ৫ পেয়েও তালিকায় নেই। এ রকম ভুলের ছড়াছড়ি। এমনকি ব্যবসার শিক্ষার্থীকে দেওয়া হয়েছে বিজ্ঞান কলেজে। পছন্দের তালিকায় ছিল না, তার পরও অন্য জেলার এমন কলেজের নাম এসেছে, যেটা শিক্ষার্থী কখনোই শোনেনি। ভুল আর তালগোল পাকানো প্রথম তালিকায় কলেজই পায়নি ৫০ হাজারের অধিক শিক্ষার্থী।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত মতে, ভর্তি কার্যক্রম শেষ করে যেখানে ১ জুলাই থেকে একাদশ শ্রেণীর নতুন ক্লাস শুরু হওয়ার কথা ছিল, সেখানে তখনও বঞ্চিত লক্ষাধিক শিক্ষার্থী। ভর্তি নিয়ে গোটা সপ্তাহ ধরে চলা নৈরাজ্যকর পরিস্থিতিতে ৫ জুলাই সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হন শিক্ষামন্ত্রী ও শিক্ষা সচিব। মন্ত্রী এর জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন। একে ‘উন্নয়নের বেদনা’ বলে আখ্যায়িত করেন। যদিও শিক্ষা সচিব বলেছেন, ‘টি২০-তে ছক্কা মারার চেষ্টা করেছি।’ কিন্তু সে ছয় বাউন্ডারি পেরোয়নি। Continue reading

‘অখণ্ড’ গল্পের দ্বিতীয় খণ্ড

Story-lifeমানুষের সম্পর্ক অনেকটা নদীর মত। নদীর যেমন ‘এপার ভাঙে ওপার গড়ে’, সম্পর্কও তথৈবচ। গতিশীল মানুষ নানা প্রয়োজনে স্থান বদলায়, সে জায়গা ঘিরে নতুন মানুষের সঙ্গে পরিচয় হয়, নতুন সম্পর্ক তৈরি হয়। পুরনো মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ কমে, কিছু সম্পর্কে জং ধরে; কিছু  হারিয়ে যায়। কিছু সম্পর্ক অবশ্য অটুট থাকে। এর মধ্যে কিছু গাঢ় হয়; গাঢ়তর হয়। এরকম সম্পর্কও নানা কারণে ভেঙে যেতে পারে। তারপরও কথা থাকে; সম্পর্ক থাকে। সেসবের ব্যাখ্যা হয় না। সংজ্ঞায় ফেলা যায় না।

ওয়াসিম ভাইকে নিয়ে দ্বিতীয় খণ্ড লিখছি। প্রথম খণ্ড লিখেছিলাম আরও তিন বছর আগে। তার সঙ্গে পরিচয়ের তিন বছরে। তখন হয়তো অনেক কিছুই লেখা গেছে। কিন্তু এখন কী লিখবো বুঝতেছি না। গল্পের যে শেষ নেই। ২০১২ হতে এ পর্যন্ত চারটি ডায়েরি যে খুঁজব সে অবকাশ আপাতত নেই। তবে শুক্রবারের Continue reading