Tag Archives: এনআইডি জালিয়াতি

ইসির কর্মকর্তাদের যোগসাজশ ছাড়া এনআইডি জালিয়াতি সম্ভব নয়- এম সাখাওয়াত হোসেন

নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির সিনিয়র রিসার্চ ফেলো এম সাখাওয়াত হোসেন ২০০৭ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের অন্যতম নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯৪ সালে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী থেকে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হিসেবে অবসর গ্রহণের পর তিনি লেখালেখি ও গবেষণায় মনোনিবেশ করেন। এম সাখাওয়াত হোসেন ২০১৮ সালে নির্বাচনী ব্যবস্থায় সুশাসনের ওপর পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। তার জন্ম ১৯৪৮ সালে বরিশালে
সমকাল: জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ পুরোনো। আমরা দেখেছি, রোহিঙ্গারা বাংলাদেশের এনআইডির মাধ্যমে পাসপোর্ট করে বিদেশেও গেছে। রোহিঙ্গারা কীভাবে এনআইডি পেল?
এম সাখাওয়াত হোসেন: জাতীয় পরিচয়পত্র বা এনআইডি একটি দেশের নাগরিক পরিচয়পত্র। রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশের এনআইডি পাওয়ার কথা নয়। তারপরও তারা এনআইডি পেয়েছে; তা দিয়ে পাসপোর্ট করে বিদেশেও গেছে। কারও জাতীয়তা প্রমাণের জন্য কিংবা ভোটার হিসেবে নিবন্ধনের জন্য নির্বাচন কমিশনকে স্থানীয় তথ্যের ওপরেই নিবন্ধন করতে হয়। এ ক্ষেত্রে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রদত্ত সার্টিফিকেট কিংবা জন্মনিবন্ধনই প্রাথমিক ভরসা। এগুলো ইউনিয়ন পরিষদে গেলেই সহজে পাওয়া যায়; এখানে তেমন যাচাই-বাছাই করা হয় না বিধায় ভুয়া সনদ পাওয়া যায়। ২০০৯ সালে যখন জাতীয় পরিচয়পত্র করা হয়, তখন আমরা খবর পেলাম রোহিঙ্গারা এনআইডি নিচ্ছে বা ভোটার হচ্ছে।
সমকাল: রোহিঙ্গারা যাতে এনআইডি না পায়, তখন আপনারা কী পদক্ষেপ নেন?
এম সাখাওয়াত হোসেন: আমরা যখন খবর পাই রোহিঙ্গারা ভোটার হচ্ছে, তখন ইসি তদন্ত করে ২০-২৫ হাজার রোহিঙ্গার নিবন্ধন বাতিল করে। ২০০৯ সালে তখন আমরা নির্বাচন কমিশন (ইসি) থেকে সিদ্ধান্ত নিই, রোহিঙ্গা বসবাসকারী এলাকাগুলো বিশেষভাবে চিহ্নিত করতে হবে। এর পর বিশেষ ফরম ও কমিটির মাধ্যমে সেখানে ভোটার করে ইসি। সাধারণত বিশেষ কমিটি অনুমোদন না করলে ওইসব এলাকায় কাউকে ভোটার করা হয় না। Continue reading