Tag Archives: অন্তর্জাল

নীরব ছবি, সরব উপস্থিতি

ওমরান নির্বিকার। কিন্তু তার ছবি সরব হয়ে ঘুরছে দেশে দেশে, অন্তর্জ্বালে নানা মানুষের টাইমলাইনে

ওমরান নির্বিকার। কিন্তু তার ছবি সরব হয়ে ঘুরছে দেশে দেশে, অন্তর্জ্বালে নানা মানুষের টাইমলাইনে

শান্ত জিনিসই বুঝি মানুষকে বেশি নাড়া দেয়; সমুদ্রতীরে পড়ে থাকা আইলান কুর্দির নিথর দেহ নাড়া দিয়েছিল বিশ্বকে। এখন নাড়া দিয়েছে নিস্তব্ধ ওমরান দাকনিশের ছবিটি। পাঁচ বছরের শিশু ওমরান একটি অ্যাম্বুলেন্সে বসে আছে। মাথা বেয়ে রক্ত পড়ছে। ধূলি-ধূসরিত গা। মুখের ওপর রক্ত জমাট বাঁধা। ওমরান নির্বিকার। কিন্তু তার ছবি সরব হয়ে ঘুরছে দেশে দেশে, অন্তর্জ্বালে নানা মানুষের টাইমলাইনে।
ওমরান যে যুদ্ধকবলিত সিরিয়ার শিশু, ছবিই সে প্রমাণ দিচ্ছে। সেখানকার আলেপ্পো শহরে তাদের বাস। বুধবার (১৭ আগস্ট) বিমান হামলায় তাদের বাসরত বাড়ি বিধ্বস্ত হয়। ধ্বংসস্তূপ থেকে ওমরানকে উদ্ধার করে বসানো হয় অ্যাম্বুলেন্সের চেয়ারে। সে ঘটনায় ওমরানের প্রায় পুরো পরিবার আহত হয়। এমনকি আহত হওয়া ওমরানের বড় ভাই আলির মৃত্যু হয় শনিবার। আলিও শিশু, ওমরানের চেয়ে মাত্র পাঁচ বছরের বড়। Continue reading

স্মৃতিচিহ্নে ফেসবুক

remembranceজীবনের সব অনিশ্চয়তার মধ্যে সবচেয়ে নিশ্চিত বিষয় মৃত্যু। মৃত্যু ছাড়াও মানুষ নানাভাবে হারিয়ে যেতে পারে। কেউ হারিয়ে গেলেও কিছু স্মৃতিচিহ্ন রেখে যায়। যেটা তার প্রমাণ বহন করে যে তিনি একদিন ছিলেন। সন্তান-সন্ততি রেখে কেউ মারা গেলে তারাই বড় স্মৃতিচিহ্ন। আরও নানা বিষয়ও তার স্মৃতিচিহ্ন হতে পারে। বড় কেউ মারা গেলে তার বাসভবন, থাকার জায়গা অন্যদের কাছে স্মারক হয়ে ওঠে। যেমন কুমিল্লায় নজরুলের স্মৃতিচিহ্ন কিংবা কুষ্টিয়ায় রবীন্দ্রনাথের স্মৃতিচিহ্ন ইত্যাদি। সাধারণ কিছু কারও কাছে স্মৃতির বিষয় হয়ে থাকতে পারে। কারও রেখে যাওয়া ডায়েরি, লেখা, ছবি, বক্তৃতা কিংবা ব্যবহার্য জিনিসপত্র ইত্যাদিও ব্যক্তির স্মৃতি বহন করে। এর সঙ্গে নতুন যোগ হয়েছে ফেসবুক।
সাম্প্রতিক সময়ে কেউ মারা গেলে সংবাদমাধ্যমে খবরের সঙ্গে তার শেষ ফেসবুক স্ট্যাটাসও জানানো হয়। Continue reading

ইন্টারনেটে নির্বাচনী প্রচারণা

election-online-campaignইন্টারনেট ব্যক্তিগত প্রচার-প্রচারণাকে ছাড়িয়ে দুনিয়াজুড়ে নানা নির্বাচনেও প্রচারণার অন্যতম মাধ্যম হয়ে উঠেছে। মানুষের কাছে পেঁৗছানোর জন্য এর চেয়ে সহজ ও সাশ্রয়ী উপায় আর কোনটি? মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ উন্নত বিশ্বের সাম্প্রতিক নির্বাচনগুলোতে ইন্টারনেটে ব্যাপক প্রচারণা দেখা গেছে। সেখানে ইন্টারনেট ব্যবহারকারী বেশি হওয়ায় এটাই স্বাভাবিক। আমাদের দেশেও বিভিন্ন নির্বাচনে সে ধারা চালু হয়েছে। এখানে দিন দিন বাড়ছে ইন্টারনেট ব্যবহারকারী। Continue reading

পুতিনের ফিরে অাসা

Putin-bbc

সম্প্রতি কাঠঠোকরার পিঠে একজন বেজির উড়ে চলার ছবি খুবই জনপ্রিয় হয়েছিল। ছবি- বিবিসি বাংলা

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন কতদিন লোকচক্ষুর আড়ালে ছিলেন? অস্ট্রেলিয়ার বিজনেস ইনসাইডার একেবারে সেকেন্ড ধরে তার হিসাব দিচ্ছে_ ১০ দিন ২১ ঘণ্টা ৪ মিনিট ২০ সেকেন্ড। পুতিনের উধাও হয়ে যাওয়ার পর থেকেই নানা গুজব ছড়িয়ে পড়ে ইন্টারনেটে। পুতিন আকস্মিকভাবে তার কাজাখস্তান সফর বাতিল করেন। এরপর দক্ষিণ ওসেটার সঙ্গে একটি চুক্তি হওয়ার কথা থাকলেও সে দেশের প্রতিনিধিদের মস্কো আসতে নিষেধ করা হয়। দেশটির অভ্যন্তরীণ গোয়েন্দা সংস্থা এফএসবির বার্ষিক বৈঠকে উপস্থিত থাকার কথা থাকলেও তিনি ছিলেন না।
বিশ্বের অন্যতম প্রভাবশালী দেশের প্রভাবশালী প্রেসিডেন্টের দিকে সবার নজর থাকাই স্বাভাবিক। পূর্ব ঘোষণা ও স্পষ্ট কারণ ছাড়া লোকচক্ষুর অন্তরাল হওয়ায় বিশ্বব্যাপী আলোচনা ও গুজবের ঝড় উঠে। Continue reading

পাসওয়ার্ড-সুরক্ষিত জগৎ

Passwordইন্টারনেটের কল্যাণে মানুষের এখন বাস্তব ও ভার্চুয়াল দুটি জগৎ। বাস্তবে মানুষ সুরক্ষার জন্য ঘর বানায়, তালা লাগায়; নাগরিকদের নিরাপত্তার জন্য রাষ্ট্র নিরাপত্তা বাহিনী নিয়োগ করে। আর ভার্চুয়াল জগৎ বা অনলাইনে নিরাপত্তার মাধ্যম পাসওয়ার্ড। এখানে ফেসবুক-মেইল, অন্য কোনো সামাজিক যোগাযোগ সাইট বা গুরুত্বপূর্ণ কোনো ওয়েবসাইটে নিজস্ব ভুবনে প্রবেশ করতে গেলেই এই পাসওয়ার্ডের প্রয়োজন। একই সঙ্গে প্রয়োজন হয় ইউজারনেমের। অবশ্য ইউজারনেম যে কেউ জানতে পারে; তবে কয়েকটি অক্ষর বা শব্দের সমষ্টি পাসওয়ার্ড কিন্তু ব্যক্তি ছাড়া আর কারও জানার সুযোগ নেই। এগুলোই আপনাকে নিরাপত্তা দিচ্ছে, এর সুরক্ষার দায়িত্বও আপনার। ৫ নভেম্বর নিউইয়র্ক টাইমসের টেকনোলজিতে প্রকাশিত ‘অগমেন্টিং ইউর পাসওয়ার্ড-প্রটেক্টেড ওয়ার্ল্ড’ শিরোনামের প্রতিবেদনটি এই পাসওয়ার্ড সুরক্ষার কথাই বলছে। Continue reading

ইন্টারনেটের বাতায়ন

internetবর্তমান দুনিয়ার অন্যতম তথ্যভাণ্ডার ইন্টারনেট। ইন্টারনেট মূলত ওয়েবসাইটের ভাণ্ডার। স্যার টিম বার্নারস লি যেটি আবিষ্কার করেছেন ২৫ বছর আগে। ডবি্লউডবি্লউডবি্লউ ডটের এই ওয়েবসাইট সংখ্যা পাওয়া গেল নিউজউইকের চলতি সংখ্যার এক প্রতিবেদনে। ইনসাইড দ্য স্ট্রাগল টু প্রিজার্ভ দ্য ওয়ার্ল্ডস ডাটা শিরোনামের প্রতিবেদনে ফিলিপ জ্যাকবসন ওয়েবসাইটের সংখ্যা বলছেন ৬০০ মিলিয়ন মানে ষাট কোটিরও বেশি। যেখানে প্রতিঘণ্টায় ৪ হাজার ডোমেইন রেজিস্ট্রেশন হয়। বোঝাই যাচ্ছে, প্রতিনিয়ত এই সংখ্যা বেড়েই চলেছে। প্রতিটি ওয়েবসাইট যে কোনো বিষয়ই হোক না কেন প্রারম্ভিকভাবে বলা যায়, এটি তথ্যই দিচ্ছে। Continue reading

বইয়ের অনিঃশেষ আবেদন

Book-tableইন্টারনেট আর প্রযুক্তিনির্ভর এই সময়ে বিশ্বগ্রন্থ ও গ্রন্থস্বত্ব দিবস বিশেষ গুরুত্বের দাবিদার। আজকের দিনে প্রযুক্তির কল্যাণে অন্যান্য জিনিসের মতো বইও সহজলভ্য হয়েছে; গুরুত্বপূর্ণ বই বিনামূল্যে না পেলেও ইন্টারনেটে টাকা দিয়ে সহজেই পাওয়া যাচ্ছে; মানুষের নিত্যসঙ্গী মোবাইলেও বই পড়া যাচ্ছে কিন্তু তার পরও পড়ার অবস্থা কেমন, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। আমাদের পাঠাভ্যাস কমার জন্য হয়তো ইন্টারনেট ও প্রযুক্তি এককভাবে দায়ী নয়, তার পরও এগুলো যে অন্যতম কারণ সেটা সবাই বলবেন। পাঁচ-ছয় বছর আগেও অনেকেই হয়তো বিনোদনের উপায় হিসেবে বই পড়েছেন। এখন সে জায়গাটা অনেক ক্ষেত্রেই হয়তো ফেসবুক কিংবা ইন্টারনেট দখল করেছে। এ ছাড়া টিভি চ্যানেলসহ বিনোদনের আরও নানা উপকরণ মানুষের হাতের মুঠোয় এসেছে। Continue reading

ফেসবুকময় ইন্টারনেট

facebook-ব্যবহারফেসবুক আর ইন্টারনেটের মধ্যে সম্পর্ক কী? সাধারণভাবে দেখলে ফেসবুক ইন্টারনেটের ওপর নির্ভরশীল। ইন্টারনেট ছাড়া ফেসবুক অচল। ফলে কম্পিউটার, ল্যাপটপ, মোবাইল ইত্যাদি ডিভাইসে ইন্টারনেট সংযোগ থাকলেই কেবল ফেসবুক ব্যবহার করা সম্ভব। অর্থাৎ কেউ ফেসবুক ব্যবহার করতে চাইলে প্রথমেই তাকে ইন্টারনেটের কথা চিন্তা করতে হবে।
তবে এটা বলাও হয়তো ভুল হবে না, ফেসবুক সবসময় ইন্টারনেটের ওপর নির্ভরশীল নয়। মোবাইল অপারেটরগুলোর নানা অফারের খবর রাখেন এমন সবাই জানেন, এখন মোবাইলে ইন্টারনেট ছাড়াই ফেসবুক ব্যবহার করা যায়। মেসেজের মাধ্যমেই বিভিন্ন অপারেটর তার গ্রাহকদের ফেসবুক ব্যবহারের সুবিধা দিচ্ছে। Continue reading

ইন্টারনেট ও তথ্য অধিকার

‘ক্ষমতায়ন’-এর কথা অহরহই শোনা যায়। জনগণের ক্ষমতায়ন, নারীর ক্ষমতায়ন, প্রান্তিক মানুষের ক্ষমতায়ন ইত্যাদি। এসব ক্ষমতায়ন বাস্তবে না ঘটলেও বুলি হিসেবে যে খুবই জনপ্রিয়_ সংবাদমাধ্যমের কল্যাণে তা বোঝা কষ্টের নয়। এই ক্ষমতায়নের মাপকাঠি কী এবং কীভাবে ক্ষমতায়ন করা যায়, তারও কিছু মানদণ্ড রয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে তথ্যপ্রযুক্তিকে অন্যতম মানদণ্ড হিসেবে দেখা হয়। জনগণের জন্য তথ্যপ্রবাহকে অবাধ করার মাধ্যমে এই ক্ষমতায়ন হবে বলা হচ্ছে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই ইন্টারনেট আসবে, যেহেতু এর মাধ্যমে সহজেই সব তথ্য পেতে পারেন। এমনকি এই তথ্য জানাটা নাগরিকের অধিকার। এ অধিকার নিশ্চিত করার জন্যই ২৮ সেপ্টেম্বরকে বিশ্বব্যাপী তথ্য অধিকার দিবস হিসেবে পালন করা হয়। দাতারা তো মনে করেন, এ জন্যই সবার কাছে ইন্টারনেট সেবা পেঁৗছাতে হবে। তাই মিলেনিয়াম ডেভেলপমেন্ট গোলে এটাও অন্যতম লক্ষ্য। সে বিচারে বাংলাদেশের অবস্থান কেমন।
বাংলাদেশ টেলিকম রেগুলেরিটি কমিশন বলছে, দেশে ইন্টারনেট সংযোগের আওতায় রয়েছে দুই কোটি মানুষ। যার মধ্যে প্রচলিত আইএসপির ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৬০ লাখ। এটাকে সরকারের হিসাব বলা যায়। কিন্তু যারা বিশ্বব্যাপী এ হিসাবটা করে, তারা কী বলছে। ২৪ সেপ্টেম্বর আলজাজিরা একটা খবর দিয়েছে_ পৃথিবীর এক-তৃতীয়াংশ মানুষ এখন অনলাইনে। আলজাজিরা জাতিসংঘের টেলিকমিউনিকেশন এজেন্সির তরফে তা প্রকাশ করে। সংস্থার আন্তর্জাতিক টেলিকমিউনিকেশন ইউনিয়নের (আইটিইউ) অধীনে ২০১০ সালে দ্য ব্রডব্যান্ড কমিশন ফর ডিজিটাল ডেভেলপমেন্ট নামে একটি কমিশন গঠিত হয়। সে কমিশনই আসলে জরিপ করে। ২০১২ সালে জরিপের ফলাফল বলছে, পৃথিবীর প্রায় এক-তৃতীয়াংশ মানুষের ইন্টারনেট সুবিধা রয়েছে। আইটিইউ একই সঙ্গে এটাও বলছে, মিলেনিয়াম ডেভেলপমেন্ট গোল অর্জনে এ সংখ্যাটা আরও বেশি হওয়া প্রয়োজন। তারা এও বলছে, উন্নয়নশীল দেশগুলোর ২০ দশমিক ৫ শতাংশ পরিবারের ইন্টারনেট সুবিধা রয়েছে। তবে ২০১৫ সালের মধ্যে একে ৪০ শতাংশে পেঁৗছানো তাদের লক্ষ্য।
জরিপটি ১৭০টি দেশের ওপর চালানো হয়। তালিকায় শীর্ষ দেশ আইসল্যান্ড. যেখানে ব্যক্তিগত পর্যায়ে ৯৫ ভাগ মানুষ ইন্টারনেট ব্যবহার করে। সবার নিচে রয়েছে তিমুর লেস্তে, আগে যেটি পূর্ব তিমুর নামে পরিচিত ছিল। দেশটির ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্য মাত্র ০ দশমিক ৯ ভাগ। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্থান ২৩; ব্যবহারকারী ৭৭ দশমিক ৯ ভাগ। আর বাংলাদেশের অবস্থান ১৫২ এবং এটি দেখাচ্ছে দেশের ৫ ভাগ মানুষ ইন্টারনেট ব্যবহার করে। জরিপে সামাজিক যোগাযোগের বিষয়টিও আসে। ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের ৫৫ ভাগই সামাজিক যোগাযোগের ওয়েবসাইটে সক্রিয়। ফিলিপাইনের মানুষ সবচেয়ে বেশি সক্রিয়। তাদের ৭০ ভাগ মানুষ এগুলো ব্যবহার করে।
ব্যবহারকারী দেশের দিক থেকে না হলেও ডাউনলোড স্পিডের দিক থেকে বাংলাদেশ সবার নিচে। জরিপের মূল প্রতিবেদনেই সেটি এসেছে। বলা হচ্ছে, ‘গ্রাহকদের জন্য গড়ে সবচেয়ে বেশি ডাউনলোড স্পিড রয়েছে লুক্সেমবার্গের, ৪৯ মেগাবাইট; যেখানে এলডিসি দেশগুলোর যেমন বাংলাদেশ, মালাবি এবং সুদানের স্পিড এক মেগাবাইট বা তার চেয়ে কম।’ বাংলাদেশের অবস্থা আরেকটা জরিপ দিয়ে দেখা যাক। সম্প্রতি ফলপ্রসূ ইন্টারনেট ব্যবহারের বিবেচনায় ৬১টি দেশের ওপর জরিপ করে ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব ফাউন্ডেশনের টিম বর্নার্স লি। তাদের ওয়েব ইনডেক্সডটঅর্গে প্রকাশিত ফল থেকে দেখা যাচ্ছে, ৬১টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ৫৫।
আমাদের অবস্থাটা ভালোই বোঝা গেল। মাত্র ৫ ভাগ মানুষ যেখানে ইন্টারনেটের আওতায়, যেখানে ৩ দশমিক ৩ শতাংশ পরিবারে ইন্টারনেটের সুযোগ রয়েছে; সেখানে অন্তত ইন্টারনেট দিয়ে সব মানুষের ক্ষমতায়ন সম্ভব নয়। একই সঙ্গে তথ্য জানাটাও জনগণের জন্য কঠিনই থেকে যাচ্ছে। তবে কথা হলো, দিন দিন সংখ্যাটা বাড়ছে। সেটাই হয়তো সান্ত্বস্ননা।

  • ছবি: Courtesy