Monthly Archives: জানুয়ারি ২০২২

৫০০!

আলহামদুলিল্লাহ। আমার ওয়েবসাইট তথা মাহফুজমানিক ডট কমের ৫০০তম পোস্ট এটি। ব্যক্তিগত পাঁচশত পোস্ট হওয়ার তাৎপর্য এটাই যে, এটি আমার লেখালেখি জীবনের একযুগের অধিককালের সঞ্চয়। এখানে আমার বিপুল অধিকাংশ কাজের লিখিত রূপ রয়েছে; সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত কলাম আছে; রয়েছে অনুবাদ এবং সাক্ষাৎকার। বই আলোচনা কিংবা ব্যক্তিগত অনুভূতির প্রকাশ আছে। আছে ভিন্ন কিছুও।

বলেনিই, ২০১৩ সালের ১১ নভেম্বর এ ওয়েবসাইটের ২০০তম পোস্ট হওয়া সংক্রান্ত ডাবল সেঞ্চুরি শিরোনামে একটা লেখা লিখেছিলাম। ক্রিকেটীয় অভিধা দিয়ে সেটি লিখেছিলাম বলে বাংলাদেশের ক্রীড়াজগতের অন্যতম তারকা সাংবাদিক রানা ভাই (রানা আব্বাস) ক্রিকেটীয় উদাহরণ দিয়েই তখন এই মন্তব্য করেছিলেন- ‌’আপনার ২০০তম লেখার জন্য অভিনন্দন! 🙂 আশা করি একদিন এটা ৪০০তম হবে। তখন আপনি ক্রিকেট বরপুত্র লারার রেকর্ডটি স্পর্শ করবেন। তিনি একবার ৪০০ (নটআউট) করেছিলেন; যেটি টেস্টম্যাচের এক ইনিংসে সর্বোচ্চ রান। আর ৪০১ হলে লারার রেকর্ডও ভেঙে যাবে। বোধ করি লারা তাতে অখুশি হবেন না। কেননা তিনি জানবেন, যোগ্য লোকটিই তাঁর রেকর্ড ভেঙেছেন!’
মন্তব্যটি অবশ্য রানা ভাইয়ের উদারতার প্রমাণ। ৫০০তম পোস্ট লিখতে এসে সে উদাহরণ আনলেও আহামরি কিছু করেছি বলে মনে হয় না। কারণ বলাচলে এসব অধিকাংশ আমার পেশাগত কাজেরই অংশ। তারপরও আনন্দের জায়গা এটাই যে আমার কাজগুলো এক জায়গায় রয়েছে। যদিও প্রতিবছরই যখন ওয়েবসাইটটির মেয়াদ শেষ হয়ে যায়, ডোমেইন হোস্টিং মিলে রিনিউ চার্জ যা-ই হোক, এক মুঠে দিতে কিছুটা কষ্টই হয়। তারপরও ভালো লাগে। আন্তরিকভাবে আমি ওয়েবসাইটে লেখাগুলো আপ করি। অন্যদের না হোক, নিজের লেখার রেফারেন্সের প্রয়োজনেও এই ওয়েবসাইটই আমার প্রধান ভরসা। Continue reading

সংক্রমণের হার বিবেচনায় এলাকাভত্তিকি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা রাখা যেতে পারে

সাক্ষাৎকার :রাশেদা কে চৌধুরী

সাক্ষাৎকার গ্রহণ :মাহফুজুর রহমান মানিক

রাশেদা কে চৌধুরী গণসাক্ষরতা অভিযানের নির্বাহী পরিচালক। ২০০৮ সালে তিনি তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রাথমিক ও গণশিক্ষা, মহিলা ও শিশু এবং সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি জাতীয় শিক্ষানীতি ২০১০ প্রণয়নে সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের অ্যালামনাইর সাবেক সভাপতি রাশেদা কে চৌধুরীর জন্ম ১৯৫১ সালে সিলেটে।

সমকাল : করোনা সংক্রমণের হার বৃদ্ধি পাওয়ায় সরকার অবশেষে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করেছে। বিষয়টি কীভাবে দেখছেন?

রাশেদা কে চৌধুরী :কয়েকদিন ধরে সংক্রমণের হার যেভাবে বাড়ছে, তাতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করা ছাড়া উপায় ছিল না। তবে যেভাবে দেশজুড়ে একসঙ্গে সব প্রতিষ্ঠান বন্ধ করা হয়েছে, সেখানে আমরা এলাকাভিত্তিক বিকল্প চিন্তা করতে পরতাম।

সমকাল : এলাকাভিত্তিক বিকল্প কী চিন্তার কথা আপনি বলছেন?

রাশেদা কে চৌধুরী : বিগত দুই বছরের অভিজ্ঞতা থেকে আমি মনে করি, গড়ে সারাদেশে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করা হলে সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থীরা ক্ষতির মুখে পড়বে। আমরা দেখছি, সংক্রমণের হার রাজধানী কিংবা মহানগরগুলোতে বেশি থাকে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দিকনির্দেশনা অনুযায়ী সংক্রমণ ৫ শতাংশের কম হলে সেখানে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা রাখা যেতে পারে। তবে এ ক্ষেত্রে সংক্রমণের ম্যাপিংটা যথাযথ হওয়া চাই। যেখানে সংক্রমণ বেশি সেটি রেড জোনে থাকবে, সেখানে শ্রেণিকক্ষভিত্তিক শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ থাকতে পারে। সংক্রমণ যেখানে কম, বিশেষ করে গ্রামে-গঞ্জে, প্রত্যন্ত অঞ্চলে খোলা রাখা সংগত হবে।

সমকাল
:গ্রামের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা রাখার কথা আপনি বিশেষভাবে বলছেন কেন?

রাশেদা কে চৌধুরী :আমরা গত দুই বছরে করোনা বিপর্যয় সামলাতে গিয়ে অনেক কিছু শিখেছি। ইতোমধ্যে আমরা দেখেছি, করোনা সংক্রমণের ঢেউগুলো মহানগরকেন্দ্রিক বেশি থাকলেও প্রত্যন্ত অঞ্চলে সেভাবে করোনাভাইরাস ছড়ায়নি। সেখানে সংক্রমণ ক্রমাগত কম থাকলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করা উচিত নয়। এ ক্ষেত্রে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, শহরে-মহানগরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকলেও শিক্ষার্থীরা অনলাইনে শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে নিতে পারে। Continue reading

বরিস জনসনের ‘পার্টিগেট’ ও ইতিহাসের বিচার

মূল লেখক : সোনিয়া পার্নেল
ভাষান্তর: মাহফুজুর রহমান মানিক

ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন ১২ জানুয়ারি যখন জ্বরভাবাপন্ন সংসদে ব্রিটিশ আইনপ্রণেতাদের উদ্দেশে কথা বলেন, তিনি কিছু সময়ের জন্য এমনভাবে আকাশের দিকে তাকিয়েছিলেন, যেন তিনি মুক্তি চান। তাহলে কি তিনি ২০২০ সালে কভিড-১৯-এর সময়ে কঠোর লকডাউনের মধ্যেও ডাউনিং স্ট্রিটে পার্টির জন্য বিরোধী সাংসদদের উচ্চস্বরে উপহাস থেকে পরিত্রাণ পেতে প্রার্থনা করছিলেন? যদিও তিনি গত কয়েক মাস ধরে বলে আসছিলেন, তিনি কোনো আইন ভাঙেননি। কিংবা তিনি তার দলের ক্রুদ্ধ সদস্যদের রুদ্র মূর্তি থেকে বাঁচতে চেয়েছেন। কিংবা লাখো মানুষের করুণ চাহনি থেকে, যারা বৃহৎ স্বার্থে আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে লকডাউন মেনেছিলেন, এমনকি তারা হয়তো মৃত্যুবরণকারী তাদের মা-বাবা কিংবা বন্ধুদেরও বিদায় জানাতে পারেননি।

বরিস জনসনের শো সেদিন বক্স অফিস হতে পারে কিন্তু এটি আর সেই কমেডির মধ্যে নেই, যেটি ব্রিটেনের এক সময়কার জনপ্রিয় অভিনেতার কাছে মানুষ প্রত্যাশা করে। আমি চেয়েছিলাম তার গভীর অনুশোচনা। কিন্তু তিনি ক্ষমা প্রার্থনার মাধ্যমে পূর্ণমাত্রার একটি রাজনৈতিক সংকটের জন্ম দেন, যার পুরোটা তারই সৃষ্টি। স্কটিশ কনজারভেটিভ নেতা ডগলাস রস থেকে শুরু করে অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদরা সবাই বরিস জনসনের বিপক্ষে। এমনকি কনজারভেটিভ সংসদরা ইতোমধ্যে অনাস্থার চিঠি দাখিল করেছেন। Continue reading

নদী খননের এপিঠ-ওপিঠ

নাব্য রক্ষায় নদী খনন একটি জরুরি পদক্ষেপ। আমরা জানি, বাংলাদেশের অধিকাংশ নদী দখল-দূষণ ও ভরাটে বিপর্যস্ত। আমাদের নদীর সংকট যতটা বাড়ছে; নদী সুরক্ষায় ব্যবস্থা গ্রহণের হার যেন ততটাই কমছে। পলি ও বালু দ্বারা ভরাট হওয়া নদী যাতে নিয়মিত খনন করা হয় সে জন্য নানা দাবি ও দেন-দরবার করার পর প্রকল্প গ্রহণ করা হয়। দুঃখজনক হলেও সত্য, এই প্রকল্প গ্রহণের পেছনেও অনেক ক্ষেত্রে অন্য স্বার্থ জোরালো রয়েছে। নদী খননের নামে আসলে কী হচ্ছে- বুধবার সমকালে লোকালয়ে প্রকাশিত একটি খবরই তা স্পষ্ট করছে। ‘খননের পর ভাঙনের কান্না কুমার নদের পাড়ে’ শীর্ষক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সেখানে নদী খনন আসলে হিতে বিপরীত হয়েছে। আলোচ্য ফরিদপুরের নগরকান্দায় কুমার নদ খননের পর মানুষের বসতবাড়ি নদে বিলীন হয়েছে। ঝুঁকিতে রয়েছে থানা, স্কুল ভবন ও সদর বাজার।

স্থানীয়দের বক্তব্যেই বাস্তবতা উঠে এসেছে। তারা বলছেন, নদী খনন করার নামে তারা বালুর ব্যবসা করছে। গভীর করে নদ খনন করে যেভাবে বালু তুলে নিচ্ছে, সে কারণে নদের পাড় ভেঙে পড়ছে। বস্তুত খননের নামে চলছে নানা ধরনের ব্যবসা। খনন কাজ পাওয়া নিয়ে হচ্ছে এক ধরনের ব্যবসা; বালু বিক্রির মাধ্যমে হচ্ছে অন্য ধরনের ব্যবসা। আবার নদী খননের পর কাদামাটি পাশে ফেলে রাখায় সেগুলো সরানোর জন্য পুনরায় বরাদ্দ চাওয়া এবং সেখানে সরকারি বরাদ্দের মধ্যেও রয়েছে ভিন্ন ব্যবসা। অথচ খনন অধিকাংশ ক্ষেত্রেই নিয়মমাফিক হচ্ছে না। অতিরিক্ত খনন করার ফলে কুমার নদের মতো পাড়ের জনবসতি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। অনেক সময় নদীর পাড়েই কাদামাটি ফেলার কারণে সেগুলো আবার নদীত পড়ে ভরাট হয়ে যায়। নদী খনন নিয়ে যেন এক ধরনের খেলা চলছে। এর মাধ্যমে সরকারি অর্থ ব্যয় হচ্ছে; মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে; নদীরও উপকার হচ্ছেনা। উপরন্তু লাভবান হচ্ছে এক শ্রেণির ব্যবসায়ী। Continue reading

মোদির ‘নিরাপত্তা ঝুঁকি’ বনাম রাজনীতির অংক

মূল লেখক : অপূর্বানন্দ
অনুবাদক: মাহফুজুর রহমান মানিক

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সাম্প্রতিক নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার ঘটনায় আমরা কী রাইখস্ট্যাগ অগ্নিকাণ্ডের নতুন সংস্করণ দেখছি? প্রতিবেদন অনুসারে, ভারতের মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর জানিয়েছেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পাঞ্জাবে নরেন্দ্র মোদির নিরাপত্তা বিঘ্নের ঘটনায় তথ্য সংগ্রহ করছে এবং এ ঘটনায় দৃষ্টান্তমূলক কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। ভারতের প্রেসিডেন্ট রামনাথ কোবিন্দ এ ঘটনায় তার উদ্বেগ জানিয়েছেন। ভাইস প্রেসিডেন্ট এ ঘটনায় ক্রোধান্বিত হয়েছেন। নিরাপত্তা বিষয়ক মন্ত্রিপরিষদ কমিটিও এ ঘটনা গুরুতর হিসেবে নিয়ে ব্যবস্থা নিচ্ছে।

হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদন অনুসারে, ভারতীয় জনতা পার্টি-বিজেপি, নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ এবং সাবেক পুলিশ অফিসারসহ প্রায় সবাই এ ঘটনায় আগের ভয়ংকর উদাহরণ টেনেছেন। সরকার এবং বিজেপি উভয়ই পাঞ্জাব পুলিশ ও রাজ্য সরকারের দুর্বলতার কথা বলেছে এবং এর মধ্যে নোংরা রাজনৈতিক খেলার অভিযোগ আসছে। এ ঘটনার অপ্রত্যাশিত পদক্ষেপ হিসেবে আমরা দেখেছি, কেন্দ্র এসপিজি অ্যাক্ট অনুসারে পাঞ্জাব পুলিশ অফিসারদের বিচারের কথা বলছে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এবং বিজেপির নীতিনির্ধারকরা ঘটনাকে পরিকল্পিতভাবে দেখে এর পেছনে গভীর ষড়যন্ত্রের ঘ্রাণ পাচ্ছে এবং রক্তের বদলার বিষয়ও আসছে। সংবাদমাধ্যমও যদি এ দলে যোগ দেয় তাতেও বিস্ময়ের কিছু নেই।

সেদিন আসলে কী ঘটেছিল? নরেন্দ্র মোদি পাঞ্জাবে এক সমাবেশে যাচ্ছিলেন। তখন প্রায় ২০ মিনিট উলাপুলের জ্যামে আটকে ছিল প্রধানমন্ত্রীর গাড়িবহর। হিন্দুস্তান টাইমসের খবর অনুসারে, ৫ জানুয়ারি পিরোজপুরে একটি র‌্যালিতে বক্তব্য দেওয়া ছাড়াও কিছু উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড উদ্বোধনের কথা ছিল। কিন্তু নিরাপত্তা ভঙ্গের কথা বলে এগুলো বাতিল করা হয়। পরে নরেন্দ্র মোদি বাথিন্দা বিমানবন্দরে অবতরণ করে ঐতিহাসিক হোসাইনিওয়ালা যাওয়ার পথে কিছু প্রতিবাদকারী ওই সড়ক ব্লক করে। এ কারণে প্রধানমন্ত্রীর গাড়িবহর ফ্লাইওভারের ওপর ১৫-২০ মিনিট অপেক্ষায় থাকে।  Continue reading

শিশুদের আমরা কী খাওয়াচ্ছি!

চিপস, চকলেট, ফাস্টফুড ইত্যাদি ক্ষতিকর খাবারে শিশু অভ্যস্ত হচ্ছে

শিশুর খাবার নিয়ে মা-বাবা কিংবা অভিভাবকের অভিযোগের অন্ত নেই। শিশু খেতে চায় না- এটা যেমন সত্য; তেমনি এটাও সত্য, সচেতন কিংবা অসচেতনভাবে শিশুকে আমরা নানা ধরনের খাবারের প্রতি অভ্যস্ত করে তুলি; যা পুষ্টিকর তো নয়ই, বরং অনেক ক্ষেত্রে শিশুর স্বাস্থ্যের জন্যও ক্ষতিকর। খাবার হিসেবে শিশুর পছন্দ কী? বাংলাদেশের কথা চিন্তা করলে চিপস, চকলেট, চানাচুর, বিস্কুটসহ ফাস্টফুড জাতীয় খাবারের বাইরে অন্য কিছু আছে কী? বলা বাহুল্য, শিশু এসব খাবার এমনিতেই পাচ্ছে না, বরং তাদের অনেক ক্ষেত্রে আমরাই এসবের অভ্যাস করিয়েছি। ভালোবেসে নিয়মিত এসব খাবার দেওয়ার মাধ্যমে শিশুর রুচিই নষ্ট হয় না, বরং অনেকের অন্যান্য শারীরিক সমস্যাও দেখা দিতে পারে।

এটা স্পষ্ট, শিশুর খাবারের ক্ষেত্রে মা-বাবা কিংবা অভিভাবকের সচেতনতা সবার আগে। অস্বীকার করার উপায় নেই, চটকদার এসব খাবার বাজারে কিংবা দোকানগুলোর সামনেই সুসজ্জিত করে রাখা হয়। শুধু তাই নয়, নানাভাবে সেসব খাদ্যের বিজ্ঞাপনও প্রচার করা হয়। এসব কারণে অনেক শিশু হয়তো নিজেই তার জন্য সেটি কিনতে বায়না ধরে। তা ছাড়া বলা চলে, আমরাও সেসবের বিকল্প খুঁজে পাই না। শিশুর বাবা হওয়ার অভিজ্ঞতা থেকেও বলছি, শিশুকে বাইরে নিয়ে অনেকে তার হাতে একটা চিপস ধরিয়ে দেন। আবার আমরাও অনেকে দীর্ঘ সময় পর বাইরে থেকে ঘরে ফিরলে শিশুর জন্য চকলেট বা এ জাতীয় খাবার নিয়ে আসি। এমনকি আত্মীয়স্বজনও শিশুর জন্য বিস্কুট, চানাচুর, চকলেট, আইসক্রিম ইত্যাদি আনতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। তাতে শিশু মহাখুশি হয় বটে, কিন্তু আদতে যে আমরা তার ক্ষতি করছি, তা বলা বাহুল্য। Continue reading