Monthly Archives: মে ২০১৮

তিস্তা ইস্যুতে মমতার ওপর চাপ বাড়ছে

পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের একতরফা পানি প্রত্যাহারের ফলে বাংলাদেশে অচল হয়ে পড়েছে তিস্তা সেচ প্রকল্প

মূল : রোমিতা দত্ত

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এবারের ভারত সফরে দুই দেশের মধ্যকার তিস্তার পানি বণ্টন চুক্তির কোনো গতিই হয়নি। কলকতার একটি পাঁচতারা হোটেলে শেখ হাসিনা ও পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এক ঘণ্টার একান্ত বৈঠককে অফিসিয়ালি ‘উষ্ণ, বন্ধুত্বপূর্ণ ও আন্তরিক’ বলা হলেও বাংলাদেশের মানুষের কানে তা অন্য যা কিছু শোনাক অন্তত মধুর শোনাবে না।

যদিও শেখ হাসিনা তার দেশের জাতীয় কবির নামে বিশ্ববিদ্যালয়, ভারতের পশ্চিমবঙ্গের আসানসোলের কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষ সমাবর্তনে সম্মানসূচক ডক্টর অব লিটারেচার (ডিলিট) উপাধি নিয়ে দেশে ফিরেছেন। কিন্তু তিনি তিস্তার পানি বণ্টন বিষয়ে কোনো আশার বাণী নিয়ে যেতে পারেননি। যদিও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আবারও তিস্তার বিষয়ে আলোচনা এড়িয়ে যেতে পেরেছেন; তারপরও শেখ হাসিনা তিস্তার বল মমতা কোর্টে ফেলেছেন বলে বিষয়টি নিয়ে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীর ওপর চাপ বাড়ছে।

এ বছরের শেষ দিকে বাংলাদেশে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের কথা রয়েছে। বিরোধী দল বিএনপি ইতিমধ্যেই তিস্তার পানি না পাওয়ার বিষয়টিকে একটি বড় নির্বাচনী ইস্যু বানিয়েছে, যেটি হাসিনা সরকারকে বেকায়দায় ফেলছে। আওয়ামী লীগের ভারতের সঙ্গে বন্ধুত্বের কারণেও এ ইস্যুতে দলটি সমালোচিত হচ্ছে। ভারতের সঙ্গে ভালো সম্পর্কের কারণেই বিএনপি বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের কাছে তিস্তা নিয়ে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে প্রচারণা চালাচ্ছে।

শেখ হাসিনাও ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে পূর্বের সব বৈঠকে বিষয়টির ওপর বারবার জোর দিয়েছেন; যেহেতু বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের একটি বিরাট এলাকাজুড়ে তিস্তার পানি প্রয়োজন এবং পানি না পাওয়ার কারণে মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। ২০১১ সালে তিস্তা চুক্তি প্রায় সম্পন্ন হয়ে গিয়েছিল; কিন্তু শেষ মুহূর্তে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পানির প্রশ্নে বেঁকে যান। মমতার পানি না দেওয়ার মধ্যেও রাজনীতি রয়েছে। তার ভাবনায় হয়তো পশ্চিমবঙ্গের তিস্তা এলাকার কৃষকও রয়েছে। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের একতরফা পানি প্রত্যাহারের ফলে বাংলাদেশে অচল হয়ে পড়েছে তিস্তা সেচ প্রকল্প। রংপুর অঞ্চল মরুকরণ হচ্ছে। মৎস্য চাষ ও নদীভিত্তিক পরিবহন ব্যবস্থা অদৃশ্য হয়ে গেছে। Continue reading

এভারেস্ট জয়ের ৬৫ বছর

এভারেস্ট মহাবিশ্বের বিস্ময়। স্রষ্টার অপার মহিমায় হিমালয় পর্বত দাঁড়িয়ে আছে পৃথিবীর সব কিছুকে ছাড়িয়ে

বিদ্রোহী কবি নজরুল ‘সংকল্প’ করেছেন- ‘থাকব না কো বদ্ধ ঘরে, দেখব এবার জৎগটাকে’। জগৎ দেখার, বিশ্ব জয় করার, বিশ্বকে হাতের মুঠোয় আনার যে নেশা নজরুল মানুষের মাঝে ধরিয়েছেন সে মানুষ সত্যি সত্যিই পৃথিবী জয় করেছে। ‘কিসের অভিযানে মানুষ চলছে হিমালয়ের চূড়ে’ নজরুলের এ প্রশ্নের উত্তরও সে জয়ের নেশা। তা না হলে সুদূর নিউজিল্যান্ডের অকল্যান্ড থেকে এডমান্ড হিলারি কেন আসবেন নেপালে? কেনই বা তার সঙ্গী হয়েছেন নেপালি তেনজিং নরগে? তাদেরও সংকল্প ছিল পৃথিবীর সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ হিমালয় চূড়া এভারেস্ট জয় করা। তারা সেটা পারলেন আজ থেকে ৬৫ বছর আগে, ২৯ মে ১৯৫৩ সালে।

৮ হাজার ৮৪৮ মিটার উচ্চতার এভারেস্ট জয় সাধারণ কোনো বিষয় নয়। এভারেস্ট পৃথিবীর সর্বোচ্চ চূড়া হিসেবে চূড়ান্তভাবে ১৮৫৬ সালে আবিস্কৃত হয়। তখন থেকেই এর শীর্ষে আরোহণের নেশা মানুষকে পেয়ে বসে। বলাবাহুল্য হিলারি-তেনজিং হয়তো প্রথম সফল কিন্তু এর আগেও মানুষ চেষ্টা করেছে। অনেকে ব্যর্থ হয়েছে, কেউ কেউ তা জয় করতে গিয়ে জীবনও দিয়েছে। এভারেস্ট যে সর্বোচ্চ চূড়া- সে খবর চারদিকে ছড়িয়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে অদম্য পর্বতারোহীরা তা জয় করতে নানা দেশ থেকে এসে ভিড় জমায় এভারেস্টের দেশ নেপালে। ব্রিটিশরা ১৯২১ সালের অভিযানে নামে। জর্জ ফিঞ্চ প্রথমবারের মতো অক্সিজেন ব্যবহার করে পর্বতারোহণ করেন। তিনি ৮ হাজার ৩২০ মিটার ওপরে ওঠেন, যা ছিল প্রথম কোনো মানুষের ৮০০০ মিটারের বেশি উঁচুতে আরোহণ। এরপর ম্যালোরি এবং কর্নেল ফেলিক্স দ্বিতীয়বারের মতো ব্যর্থ অভিযান করেন। তাদের দলটি উত্তরের গিরি খাত বেয়ে নামতে গিয়ে ভূমিধসের কবলে পড়ে এবং সাতজন পর্বতারোহী নিহত হন। এভাবে চলতে থাকে আরও ৩২ বছর।

১৯৫৩ সালে হিলারি ও তেনজিংয়ের সফল অভিযানের পর এ পর্যন্ত চার হাজারের অধিক মানুষ এভারেস্টে উঠেছেন। এভারেস্ট জয় করতে গিয়ে দুই শতাধিক মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। এভারেস্ট অভিযান চলছে এখনও। বাংলাদেশ অবশ্য এভারেস্ট জয় করে ২০১০ সালে। Continue reading

সাইকেলের স্বর্গ

দৈনন্দিন যাতায়াতে ঝামেলাহীন, নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত বাহন সাইকেল। যারা যানজট এড়াতে চান, যারা গণপরিবহনে অতিষ্ঠ, এমনকি সময়ও বাঁচাতে চান, তাদের জন্য আদর্শ যান বাইসাইকেল। খরচ বাঁচাতেও পরিবেশসম্মত এ যানটির বিকল্প নেই। পৃথিবীতে সাইকেলের স্বর্গ নেদারল্যান্ডস। বুধবার (১৬ মে) ব্রিটিশ পত্রিকা গার্ডিয়ানে সেটিই লিখেছেন কাইলি ভ্যান ড্যাম, ‘ওয়েলকাম টু সাইকেল হ্যাভেন: হোয়াই উই মুভড আওয়ার ফ্যামিলি টু দ্য নেদারল্যান্ডস’ যাকে লেখা যায়- যে কারণে আমরা পারিবারিকভাবে সাইকেলের স্বর্গ নেদারল্যান্ডসে চলে আসি। সাইকেলবান্ধব শহর খুঁজতে খুঁজতে ব্রিটেন থেকে এ নারী আসেন নেদারল্যান্ডসের হাউটেনে। হাউটেন উট্রেখট প্রদেশের একটি উপশহর। তিনি লিখেছেন, তার ১৫ বছরের মেয়ে সাইকেল চালিয়ে স্কুলে যায়। আট ও ১৩ বছরের অপর দুই সন্তানও সাইকেল চালায়, বন্ধুদের সঙ্গে খেলতে যায়। সেখানে শিশুরা হাঁটতে শেখার সঙ্গে সঙ্গেই সাইকেল চালানো শেখে, গড়ে প্রত্যেক ঘরে সাইকেল সংখ্যা ৩.৪। শহরটিকে আসলে এভাবেই সাজানো হয়েছে। যেখানে সাইকেল আর হাঁটার পথকে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। সেখানে গাড়িকে বরং নিরুৎসাহিত করা হয়, ইচ্ছাকৃতভাবেই গাড়ির গতি নির্ধারিত করে দেওয়া হয়েছে। এমনকি কোথাও যেখানে দুই মিনিটে সাইকেলে বা হেঁটে যাওয়া যায়, সেখানে গাড়ির পথে লাগে দশ মিনিট!

অন্য সূত্রও বলছে, এই নেদারল্যান্ডস বা হল্যান্ডই বিশ্বের সবচেয়ে সাইকেলবান্ধব দেশ, যেখানে প্রায় ৯৯ শতাংশ মানুষেরই সাইকেল আছে। Continue reading

ট্রাম্পের শান্তির ঝুলিতে ফিলিস্তিনিদের লাশ

জেরুজালেমে মার্কিন দূতাবাস স্থানান্তরের প্রতবাদে গাজায় ফিলিস্তিনিদের বিক্ষোভে ইসরায়েলের হামলা

মূল : ডানা মিলব্যাঙ্ক

টিভির পর্দায় সম্পূর্ণ দুটি পৃথক দৃশ্য আমরা দেখছি। সোমবার যখন ইসরায়েলি বাহিনী ফিলিস্তিনের গাজায় বিক্ষোভরত মানুষকে হত্যা করছে, তখন তারই ৫০ মাইল দূরে জেরুজালেমে চলছে উৎসবের আমেজ। জেরুজালেমে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের প্রতিনিধিরা ইসরায়েলি কর্মকর্তাদের সঙ্গে সেখানে মার্কিন দূতাবাস খোলার আনন্দ উদযাপন করছেন। একই সঙ্গে তারা পরস্পর শান্তির প্রতি তাদের অনুরাগের প্রশংসা করছেন!

যুক্তরাষ্ট্রের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন সুলিভান ঘোষণা করেছেন, তেলআবিব থেকে যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস জেরুজালেমে স্থানান্তর শান্তি প্রক্রিয়ায় এগিয়ে যাওয়ার এক দৃপ্ত পদক্ষেপ। এমনকি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজে এক ভিডিওবার্তায় ‘শান্তিচুক্তি স্থায়ীকরণে’ তার প্রতিশ্রুতির অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন। তার জামাতা জ্যারেড কুশনারও একই কথা বলেছেন- ‘শান্তি নাগালের মধ্যে আসছে’ মানে শান্তি প্রতিষ্ঠা হলো! ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু আরেক ধাপ এগিয়ে ঘোষণা দিলেন, ‘আজকের দিনটি শান্তির জন্য এক মহান দিন।’

তাদের এই ‘শান্তির’ই নিদর্শন হলো ৬০ ফিলিস্তিনিকে হত্যা, ২৭০০ আহত করা আর ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে শত্রুতার পুনর্বীজ বপন। এভাবে পুরো অঞ্চলে অশান্তির দাবানল ছড়িয়ে দেওয়াই যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্র ইসরায়েলের ‘শান্তির’ বার্তা।

ট্রাম্প জামাতা কুশনার দর্শকদের স্মরণ করিয়ে দিচ্ছিলেন যে, তিনি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ‘শান্তি আনয়ন প্রচেষ্টার’ দায়িত্বে রয়েছেন। শান্তির এই দূতই তখন ফিলিস্তিনিদের নিন্দা করতে ভোলেননি। কুশনার বলেন, আমরা ফিলিস্তিনিদের তরফ থেকে যে বিক্ষোভ দেখে আসছি, এমনকি আজও দেখছি, এসব সহিংসতা সমস্যারই অংশ, সমাধানের নয়। ইসরায়েলকে তাদের হামলা থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানাতে ওয়াশিংটনে হোয়াইট হাউসের এক মুখপাত্র অস্বীকার করেছেন। Continue reading

যেমন খুশি তেমন চলো!

‘যেমন খুশি তেমন সাজো’ সম্পর্কে আমরা জানি; কিন্তু ‘যেমন খুশি তেমন চলো’ বিষয়টি সেভাবে পরিচিত নয়। সম্প্রতি সমকাল তারই এক চিত্র দেখিয়েছে। ৯ মে পত্রিকাটির প্রথম পাতায় একটি ছবি প্রকাশ হয়। যার ক্যাপশনে লেখা ছিল- ‘যেমন খুশি তেমন চলো’। রাজধানীর ব্যস্ত সড়কে পথচারী-যানবাহনের এমন যত্রতত্র চলাচল নিত্যদিনের দৃশ্য। জেব্রা ক্রসিংয়ে নিয়ম মানারও বালাই নেই। মঙ্গলবার (৮ মে) কারওয়ান বাজার এলাকার ছবি।

রাস্তাঘাটে অনেকেই নিয়ম ও দুর্ঘটনার তোয়াক্কা না করে যেভাবে ইচ্ছা সেভাবে রাস্তা পার হন, গাড়ি চালান। অনেক পথচারী যেমন চলাচলের সময় মোবাইলে কথা বলেন, কোনো কোনো গাড়িচালকের অবস্থাও তথৈবচ। ঢাকা শহরে ব্যস্ততম সড়কেও মানুষের ফুট ওভারব্রিজ ব্যবহার না করে নিচ দিয়ে চলা, চলন্ত গাড়ির সামনে দিয়ে দৌড়ানো ইত্যাদি যেমন হচ্ছে, তেমনি ট্রাফিক সিগন্যাল তোয়াক্কা না করে চলা, জেব্রা ক্রসিংয়ের নিয়ম না মেনেই চলছে গাড়ি। এ ক্ষেত্রে মোটরসাইকেল আরও এক ধাপ এগিয়ে। ফুটপাতে গাড়ি উঠিয়ে দেওয়া, রং সাইডে মোটরসাইকেল চালানো, নির্দিষ্ট গতি অনুসরণ না করে বেপরোয়া চালানো ইত্যাদি নানাভাবেই রাজপথে চলছে প্রদর্শনী ‘যেমন খুশি তেমন চলো’।

নিয়ম মেনে যে কেউ চাইলে যেমন খুশি তেমন চলতে পারে। এ স্বাধীনতা নিশ্চয়ই সবার রয়েছে। আপনি আপনার রুটে আস্তে কিংবা নির্ধারিত গতিসীমায় জোরেও চলতে পারেন। হাঁটার জন্য ফুটপাত আপনার জন্য অবারিত। নির্দিষ্ট ফুট ওভারব্রিজ ব্যবহার করা আপনার জন্যই মঙ্গলজনক। Continue reading

অদম্য

পা দিয়ে লিখে জিপিএ ফাইভ

এসএসসির ফল বেরোলো রোববার (৬ মে ২০১৮)। এ নিয়ে সোমবারের সংবাদপত্র যতটা সরব ছিল, মঙ্গলবার ততটা দেখা যায়নি। সম্পাদকীয়, একাদশ শ্রেণির ভর্তি ও অন্যান্য সংবাদ প্রকাশ হলেও আগের মতো অদম্য মেধাবীদের নিয়ে তেমন খবর চোখে পড়েনি। নানা প্রতিবন্ধকতা জয় করে যারা জীবনের অন্যতম পর্যায় এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়, ভালো ফল করে, তাদের গল্প সংবাদপত্রে আগে কয়েক দিন ধরে প্রকাশ হতো। এখন তা কমে গেছে। তার পরও অনেকের খবর আসছে, অনলাইনে নানা মাধ্যমেও আমরা তাদের গল্প জানছি। পা দিয়ে লিখে জিপিএ ৫, দৃষ্টিপ্রতিবন্ধিতা জয় করে উত্তীর্ণ, দারিদ্র্য জয় করে ভালো ফল, মা-ছেলে একসঙ্গে পাস- এমন শারীরিক, আর্থিক ও বয়সের প্রতিবন্ধকতা জয় করে উত্তীর্ণ হওয়ার খবর আমাদের প্রেরণা জোগায়।

অদম্য মেধাবীরা শত প্রতিবন্ধকতা জয় করে যখন একটা ধাপ অগ্রসর হয়, যখন তাদের উত্তীর্ণ হওয়ার সংবাদে আমরা আশান্বিত হই, তখনই হয়তো তারা কিংবা তাদের অভিভাবকরা শঙ্কিত হন তাদের পরবর্তী পড়াশোনার কথা ভেবে। মাধ্যমিক পেরোনোর পর স্বাভাবিকভাবেই উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে ভর্তি ও পড়াশোনার চিন্তা থাকে সবার মধ্যে। অভিভাবকের দারিদ্র্য, নিজের শারীরিক সীমাবদ্ধতা ইত্যাদির মধ্যে সংগ্রাম করে যখন কেউ পাস করে, তখন পরবর্তী পড়াশোনা নিয়ে কেউ কেউ অনিশ্চয়তায় থাকে। তাদের গল্পগুলো সংবাদমাধ্যমে এলে হয়তো কেউ এগিয়ে আসেন। কারও পড়াশোনার দায়িত্ব নেন কিংবা পড়াশোনা এগিয়ে নিতে প্রয়োজনীয় সহায়তা করেন।

এভাবে পড়াশোনা করে অনেকেই আজ প্রতিষ্ঠিত। Continue reading