Monthly Archives: অক্টোবর ২০১৪

ভোগান্তির শহরে!

বাসমানুষের অনুভূতি বিচিত্র। কোনো কিছু পড়ে, দেখে, শুনে, বুঝে সে অনুযায়ী প্রতিক্রিয়া হয়। দুঃখের বিষয়, পড়ে মানুষ কঁাঁদে, হাসির কিছু পড়ে হাসে আবার বিপদমুক্ত হওয়ার খবর পড়ে সে একটা নিঃশ্বাস নেয়। এসবের আচরণও তথৈবচ; দাগি অপরাধীর ঘটনা পড়ে, শুনে বা দেখে তাকে মারতে ইচ্ছা হয়; কেউ খুব ভালো কাজ করার কথা শুনলে তার মতো হওয়ার ইচ্ছা জাগে কিংবা হিংসা হয়; চোখের সামনে কেউ গাড়ির নিচে পড়তে গেলে তাকে টেনে ধরে বাঁচাতে চাই। এসবই কিন্তু অনুভূতির বিষয়। মানুষ যে মানুষ বোধহয় এই অনুভূতিও তার অন্যতম পরিচায়ক। যার অনুভূতি নেই তাকে হয়তো সবাই পাগলই বলবে।
অনুভূতির প্রতিক্রিয়া মানুষে মানুষে ভিন্ন হওয়াই স্বাভাবিক। চিকিৎসার অভাবে মারা যাচ্ছে_ সংবাদপত্রে প্রকাশিত এ রকম কোনো খবর প্রধানমন্ত্রীর গোচরীভূত হলে, তিনি চাইলে রাষ্ট্রীয় খরচে তার চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে পারেন। অন্যদিকে যার ক্ষমতা নেই একই খবরে তার প্রতিক্রিয়া কেবল আফসোসেই হয়তো সীমাবদ্ধ থাকবে। ফলে ক্ষমতা এখানে গুরুত্বপূর্ণ। Continue reading

ছুটি বনাম প্রশান্তি

public-holidaysজীবনধারণের জন্য মানুষকে কোনো না কোনো কাজ করতে হয়। কেউ চাকরি করেন, কেউ ব্যবসা করেন, এর বাইরেও বিচিত্র পেশা সমাজে বিদ্যমান। তবে সবকিছুর মূল বিষয় কাজ। এই কাজে মানুষ প্রশান্তি চায়, যাকে বলা হয় জব স্যাটিফেকশন। প্রত্যেক মানুষই এই প্রশান্তির জন্য তার পছন্দের কাজ বেছে নেন। এ পছন্দের মধ্যেও রয়েছে বিস্তর ফারাক। সবাই যেমন ব্যাংকার হতে চায় না, তেমনি শিক্ষকতাও কারও ভালো নাও লাগতে পারে। ভালো লাগার কারণে কেউ সাংবাদিকতাসহ নানা ঝুঁকিপূর্ণ পেশাও বেছে নেন। একই সঙ্গে মানুষের পেশার পরিবর্তনও দেখা যায় অহরহ। এখানে প্রশান্তিও গুরুত্বপূর্ণ। চাকরিতে স্যাটিসফেশন না এলেই বারবার পেশা কিংবা কর্মস্থল পরিবর্তনের বিষয়টি আসে। এই প্রশান্তির সঙ্গে কিছু বিষয় অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত।
শুক্রবার প্রকাশিত বিবিসির ‘ওয়ান্ট মোর টাইম অফ? লিভ হেয়ার’ প্রতিবেদনটি সে প্রশ্ন দিয়েই শুরু হয়েছে_ চাকরিতে প্রশান্তি লাভের মূল মন্ত্র কী? উত্তরে কেউ বলবেন স্থায়িত্বের নিশ্চয়তা কিংবা বেশি বেতন। বিবিসি বলছে না, এর বাইরেও আরেকটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় রয়েছে। ছুটি। পরিশ্রমের পর সবাই যেমন বিশ্রাম চায়, তেমনি অফিসের ক্লান্তি দূর করার জন্য প্রয়োজন হয় ছুটির। পর্যাপ্ত ছুটি পাওয়া না গেলে কখনও কখনও কাজে মন নাও বসতে পারে। কিন্তু বেশি ছুটি আছে কোথায়? সে তথ্যই দিচ্ছে বিবিসি। Continue reading

চিকিৎসার চেয়ে প্রতিকার উত্তম

Hand washingমানুষের অত্যাবশ্যকীয় প্রায় সব কাজে হাতের ব্যবহার অপরিহার্য। বাঁচার জন্য যে খাবার আমরা গ্রহণ করি তা মুখে তুলে দেয় হাত। এ হাত সর্বাবস্থায় খোলা থাকে, যা দিয়ে সবসময় নানা জিনিস আমরা স্পর্শ করি। হাতে যে কোনো জীবাণু লেগে থাকা স্বাভাবিক। ফলে কোনো খাদ্য গ্রহণের পূর্বে হাত ধোয়া আবশ্যক। অন্যথায় হাতে লেগে থাকা জীবাণু পেটে গিয়ে যে কারও নানা ধরনের রোগ হয়ে যেতে পারে। হাত ধোয়ার গুরুত্বের উপলব্ধি থেকেই বিশ্বব্যাপী পালিত হয় বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস। সুইডেনের স্টকহোমে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার জোট ‘পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ ফর হ্যান্ডওয়াশিং’ সর্বপ্রথম ২০০৮ সালের ১৫ অক্টোবর দিবসটি পালন করে। দিবসটির অফিসিয়াল ওয়েবসাইট গ্গ্নোবাল হ্যান্ড ওয়াশিং ডট ওআরজি বলছে, বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস মূলত শিশু ও স্কুলের জন্য করা হয়েছে। তবে যে কেউ হাত ধোয়ার প্রতি গুরুত্ব দিয়ে এটি পালন করতে পারে। ওয়েবসাইটটি আরও বলছে, প্রতি বছর ডায়রিয়া ও নিউমোনিয়ায় বিশ্বব্যাপী, বিশেষ করে উন্নয়নশীল দেশের ১৭ লাখ শিশু মারা যায়, যাদের বয়স ৫ বছরেরও কম। সাবান দিয়ে হাত ধোয়ার অভ্যাসই এ মৃত্যুর হার দ্রুত কমাতে পারে। Continue reading