Monthly Archives: নভেম্বর ২০১০

Whither the education policy?


National Education Policy 2010 was approved at the cabinet meeting on 31 May. Six months passed by, we are yet to see any implementation. We have a bitter experience about past educational policies. From Qudrat-e-Khuda Education Commission-1972 to Moniruzzaman Mia Commission-2003, there have been a total of eight education commissions coming in an average of every four to five years. Unfortunately, none of these could bring into effect an effective education policy.

Since the first one was formed in 1972 and headed by scientist Dr Qudrat-e-Khuda, all commissions shared a common, lofty aim to bring about qualitative improvement in the education system. Every time there was a new government in power, it entrusted itself with forming a new committee to review education system anew. The irony is that none of the governments could give a successful output. What, however, came clean out of all the hustle and bustle are the political and ideological differences among the policymakers.

The present government had formed a committee headed by Professor Kabir Chowdhury and it submitted the draft report on September 2 of last year. The draft was uploaded on the website of education ministry and it was open for public opinion.

The government earlier promised that they would start its implementation process from January 2010. But the reality is, though the draft has been okayed within six months, no visible attempts have yet been taken in that direction. I don’t understand why it’s taking so long and what’s holding back the authorities from moving the process. The education minister said that the policy was going to be passed in the sixth session of parliament. The session has ended on the first week of October and the policy was not given the final ‘go’.

We understand the whole process of framing a national education policy may take some time. But when it gets delayed or hung up without a particular reason, it is a matter of concern. The policy is only for the educational system of the nation, not for defining our nationhood or something big like that where a lengthy period of preparation could be understandable.

Besides, some issues of major importance were removed from the finalized draft. What prompted the policymakers to do that remains a question.

We know that education policy is a serious matter, and we expect the government to take it seriously. Unreasonable delay is not acceptable. Strong will of the government is needed to get the things out of the current impasse.

( writing published DAILY SUN 29-11-10)

প্রথম শ্রেণীতে ভর্তি : আপনার সন্তান কতটা ভাগ্যবান


প্রথম শ্রেণীতে ভর্তি প্রক্রিয়া নিয়ে বর্তমানে ব্যাপক আলোচনা চলছে। ভিকারুননিসা নূন স্কুল লটারির মাধ্যমে শিক্ষার্থী ভর্তির ঘোষণা দিলে আলোচনা তুঙ্গে ওঠে। অভিভাবকদের ব্যানারে অনেকে এ পদ্ধতির বিরোধিতা করেন। অধিকাংশই একে সাধুবাদ জানান। সমকাল ২৭ অক্টোবর এ পদ্ধতিকে স্বাগত জানিয়েই প্রধান সম্পাদকীয় করে। চলমান ভর্তি পরীক্ষা পদ্ধতিকে সমকাল বলেছে ‘অমানবিক’। যার মাধ্যমে নির্যাতিত হচ্ছে শিশুরা। এ নির্যাতন লাঘবের জন্য হলে ও লটারি পদ্ধতি একটি কার্যকর উদ্যোগ। প্রকৃতপক্ষে এ পদ্ধতি কতটা শিশু নির্যাতন লাঘব করবে, সংশয় থেকেই যাচ্ছে। যে অভিভাবকরা তাদের অন্য স্কুলে পড়ূয়া পঞ্চম শ্রেণীর সন্তানদের নামিদামি স্কুলে প্রথম শ্রেণীতে ভর্তি করাতে পারেন, কিংবা কোচিং সেন্টারগুলোতে বছরের পর বছর পড়িয়ে ভর্তি

করাতে মরিয়া হন, সে অভিভাবকরা সন্তানদের লটারিতে না টিকলে কীভাবে মেনে নেবেন। অপয়া-অভাগা ভর্ৎসনা থেকে শিশুরা কি আ দৌ মুক্তি পাবে?
লটারি পদ্ধতিটি মন্দের ভালো। পক্ষে যুক্তি হিসে
বে কোচিং পদ্ধতি বন্ধকরণ কিংবা বয়সের সমতা আনয়ন আসবে। শিশু নির্যাতন বন্ধের কথা আগেই এসেছে। এর বাইরে ভর্তির ক্ষেত্রে দুর্নীতি বা রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক দাপট কতটা কমবে সে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে। চার লাখ টাকা ঘুষ দিয়ে ভিকারুননিসায় ভর্তির খবর গণমাধ্যমে এসেছে। বলা যায়, লটারি পদ্ধতিতে ভর্তির বড় চ্যালেঞ্জ দুর্নীতি। আর সব স্কুল একসঙ্গে এ পদ্ধতি চালু না করলে কোচিং পদ্ধতি বন্ধ হওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই। অবশ্য সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীর সরকারি স্কুলগুলোতে চালু হচ্ছে বলে সংবাদপত্রগুলো খবর দিচ্ছে।
বলার বিষয় হচ্ছে, লটারি পদ্ধতিটি ভারত এবং ইংল্যান্ডের কয়েকটা প্রতিষ্ঠানে চালু আছে। বাংলাদেশে রাজধানীর হলি ক্রস, এসওএস হারমেন মেইনার এবং ওয়াইডবি্লউসিসহ কয়েকটি স্কুলে চালু আছে। এটা ঠিক লটারি পদ্ধতির মাধ্যমে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মান কমার কোনো সম্ভাবনা নেই। বর্তমানে প্রচলিত প্রতিষ্ঠানগুলোর পাবলিক পরীক্ষার রেজাল্টই যার প্রমাণ। শিশুর মেধা নির্ণয় তার শিক্ষাজীবন শুরুর আগে করার কোনো প্রয়োজন নেই। বিষয়টা সমকাল ভিকারুননিসার অধ্যক্ষের সূত্র ধরে বলেছে_ ‘শিক্ষাজীবন শুরুর আগে মেধা যাচাইয়ের প্রশ্ন আসতে পারে না। ভর্তির পর লেখাপড়ার মধ্য দিয়েই একজন ছাত্র বা ছাত্রী মেধাবী হয়ে ওঠে।’ আশ্চর্যের বিষয় হলো, আমাদের শিক্ষানীতি (৩ অক্টোবর প্রকাশিত) ও প্রথম শ্রেণীতে ভর্তি পরীক্ষার অনুমোদন দিয়েছে। শিক্ষানীতি অবশ্য শর্ত হিসেবে বেশি প্রতিযোগীর কথা বলেছে। যেখানে শিক্ষানীতি প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণীতে আনুষ্ঠানিক পরীক্ষার অনুমতি দেয়নি সেখানে প্রথম শ্রেণীতে ভর্তিতে পরীক্ষার অনুমতি কোনো শর্ত সাপেক্ষেই মেনে নেওয়া যায় না। বিশ্বের কোথাও এ পদ্ধতি চালু নেই।
উন্নত বিশ্বে প্রথম শ্রেণীতে ভর্তির ক্ষেত্রে স্কুল জোনিং পদ্ধতি চালু আছে। স্কুল জোনিং হলো এলাকাভিত্তিক স্কুল। নির্দিষ্ট এলাকার শিক্ষার্থীরা কেবল নির্ধারিত প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হতে পারে। অন্য কোনো এলাকার শিক্ষার্থীর ভর্তিরও সুযোগ নেই। সেখানে দরকারও হয় না। কারণ এতে সব প্রতিষ্ঠানের মান সমান থাকে। বাংলাদেশে যে ব্যবস্থাটা আবশ্যক বর্তমান প্রেক্ষাপটে সে ব্যবস্থা এখনি বাস্তবায়ন সম্ভব নয়, তার প্রাথমিক রূপ হতে পারে এ লটারি পদ্ধতি। সব নামিদামি বিদ্যালয় লটারি পদ্ধতি চালু করলে অন্যান্য বিদ্যালয়ের সঙ্গে মানোন্নয়নের সমতা চলে আসবে। এতে মানসম্মত বিদ্যালয়ের সংখ্যা বাড়বে। অভিভাবকরা শুধু নামিদামি কিছু প্রতিষ্ঠানে সন্তানদের ভর্তি করাতে হুমড়ি খেয়ে পড়েন। কলেজের ক্ষেত্রেও সেটা দেখা যায়। সংখ্যাটা দু-একশ’র বেশি হবে না। এর বাইরে সারাদেশের হাজার হাজার প্রতিষ্ঠানের দিকে কারও নজর নেই। প্রশাসনের তরফ থেকেও তেমন কোনো উদ্যোগ নেই। এমনকি নামে অনেক প্রতিষ্ঠান উঠে গেলেও পড়াশোনার মানের তেমন কোনো উন্নতি নেই। লটারি পদ্ধতিতে ভর্তির মাধ্যমে শিক্ষার্থীর মানের সমতা আনয়ন সম্ভব। এ ক্ষেত্রে বয়সটা যেন সমান হয়। আর সবার সামনে দুর্নীতিমুক্ত লটারি অনুষ্ঠিত হবে বলেই আমাদের বিশ্বাস।

সমকালে প্রকাশিত ১৩ নভেম্বর১০

Thinking Education (Primary Education- 3,4)

Admission system in Primary

If we tell the admission system of primary level is a tools of oppression, none will defy it. Why we are telling admission in primary or why we have to face a test to admit in primary level? The answer is very easy, here some institutions got fame and the guardians are interested to admit there. Before coming to the point I want to refer an ADDA talking, talked by three of my friends From Buet, fine Arts of DU and me. Buetians told we have an uncle, who has two daughter, he admitted his daughters to Viqarunnisa Noon in class one, Who were studying in class five in another school. We astonished to hear him. The another told we have a cousin of our uncle, she reads in class ten, the in such type of mentality, if it possible he is agree to admit his daughter at Viqarunnisa School in class eight.

From there speech we got an overview of our society. The guardians how much interested to admit in a school, which has got famed to its name, Viqarunnisa is the burning example this school. Not only This school, there are some schools which are very few in number, it may two to three hundreds at highest in the whole country, Where the number of competent is very high to its seat. Suppose in a school has 250 seats here minimum 5000 student apply, means 20 students compete for one seat. To choose the eligible student school arranges admission system. To appear in the exam guardians admit their children in coaching center, student doing their class in coaching instead of regular lass. They loss valuable time of student life. Student also reading in class two or three in another school compete with them.

Here we think children not student; Children appear in tough exam, yet his student life start. Besides coaching or losing the valuable time, many guardians take in corruption, It also published at the daily, last year, that The school committee has taken tk four lakh for admission in class one as bribe. Rather this, political and administrative (Government) press over the admission committee also. Its means at present the admission in a good school is a matter of oppression and also money, simultaneously. The poor are deprived, very much deprived from here, which have no ability to admit their children in a coaching or giving bribe to the school committee.

This year Viqarunnnisa Noon School has decided to admit the children by lottery instead of test. Many have welcomed these steps. They think by the lottery they will select their children. We think Its not bad. By this system the poor also can admit their children. If they choose only age 5 and six for class one, it will decrease the discrimination of age. But the prime challenge of this system is corruption. By this system we think corruption is very easy. By ensuring free, fear and credible lottery it can implement at present in Bangladesh.

We tell lottery system is not best solution, The solution is `School zoning’, which are available in the developed country. Means the school will be only for certain area, the children of this area be able to admit here. Thus way its possible to standardize the whole school of the country, At present is all the school start lottery system it will better, but lottery systems can run without corruption.


Problems of Primary Education:

Primary Education now a days passing with problems, Problem in Everywhere , its infrastructures problem is most, Another problems are in a short Teacher problem, curriculum problem, teaching aids problem, building problem etc.

When primary education is the base of education and as a state Bangladesh, Government took the responsibility of this education, and this stage has been compulsory and free from 1990, but this stage was neglected from first. It can easily show, in the past two part we saw the primary education did not get proper nursing from the administrative body. we see the present condition of its infrastructure, According to a recent report published at the Daily samakal, 29, its told that the total nine percent of the school building totally destroyed, here students perform their class in the open spare or in the floor. These building which some have been rejected to its proof, some already gone to the river . However recently the government took steps to build some buildings, according the report of the news paper recently about 1500 school building will built.

We saw nine percent schools destroyed but the other is well? Not actually that, the other schools has also problem.

It is easier to think most of the primary school takes their class in two shifts, class one and two from 10:00 AM – 12:00 PM, and class three to five 12:00 PM to 4:00 PM. From this problem can we think what will happen if pre primary class add with it. According to the new education policy if class six, seven and eight add, what will happen we do not want to tell now?

Teacher problem also a major problem, most of the school have no available teacher, even the school is running without head teacher, and some school run with two or three teachers. Though the government is recruiting teachers every year.

The curriculum of primary school is not appropriate for this stage, As a children they did not get proper book with proper content, and many other problems also existed.

Continue